ওসি শেখ শাহিনুর রহমান তালতলী থানার দায়িত্ব নেওয়ার পর পাল্টে গেছে তালতলীর দৃশ্যপট

0
1210

ভালোদের ভালো বলতে হবে আর মন্দদের মন্দ বলতে হবে এটাই স্বাভাবিক, তবে হ্যা, ভালো মন্দ নিয়েই তো মানুষের জীবন, সৎ আদর্শবান হওয়ায় অতি সহজেই মানুষের নির্ভরযোগ্য অভিভাবক হতে পেরেছে ওসি শাহিনুর। গুনিজনেরা তো তেমনটাই বলেন। বর্তমান সময়ে রাষ্ট্রের পবিত্র পোষাক পড়ে পুলিশ বাহিনীতে মন্দটা নিয়ে প্রতিযোগীতা হয়। বেশি ভালো কাজের বিনিময়ে জনগণের হৃদয়ের মাঝে জায়গা করে পুলিশ বাহিনীর মুখ উজ্জল করবে তেমনটা পরিলক্ষিত নয়। তারপরও সৎ নীতি আদর্শবান কিছু পুলিশ অফিসারের ভালো কাজের বিনিময়ে রাষ্ট্রের কাছে পুরষ্কৃত হন জনগনও প্রশংসায় মশগুল থাকেন। আস্থাভাজন জনবান্ধব পুলিশ অফিসার বলতে দ্বিধাবোধ করে না। তালতলী থানার ওসি শেখ শাহিনুর রহমান ভালোর ব্যতিক্রম নয় জনগনের জানমালের নিরপত্তা দিতে ব্যর্থতার চেয়ে সফলতার পাল্লাই ভারী। অল্প সময়ে তালতলীর সর্বস্তরের মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়। জনবান্ধব পুলিশ চাই বর্তমান ওসি শাহিনুর রহমান তার ব্যতিক্রম নয়। আজ মাদক সন্ত্রাস চোর ডাকাত চাদাবাজ তেমন একটা চোখে পড়ে না। ওসি শেখ শাহিনুর রহমান দুরদর্শি এবং বিচক্ষণতার কারণে এটি রোধ করা সম্ভব হয়েছে।

Advertisement

একান্ত সাক্ষাতে অপরাধ বিচিত্রাকে বলেন- দায়িত্ব নিয়েছি গত চার মাস হযেছে এর মধ্যে স্কুল কলেজ মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রী এবং শিক্ষক অভিভাবকদের সাথে কাউন্সিলিং করে যাচ্ছি। মাদক সন্ত্রাস জঙ্গির ব্যাপারে জনসচেতনতা মূলক দিক নির্দেশনা প্রতিনিয়ত দিযে যাওয়ার কারণে আজ তালতলীর দৃশ্যপট অনেকটা পাল্টে গিয়েছে।

বাল্য বিবাহের ব্যাপারে অভিভাবকদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া আছে শুধু তাই নয় বখাটে স্টাইলের চুল কাটার ব্যাপারে স্কুল কলেজ ছাত্রদের ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া আছে।

শুক্রবার মসজিদেও মুসল্লীদের মাঝে দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরো বলেন কমিউনিটি বিট পুলিশিং উপলক্ষে উঠান বৈঠকে বিভিন্ন সচেতনতা মূলক বক্তব্য প্রদান করি এবং থানায় আগত সকলের জন্য আমার দরজা উন্মুক্ত কোন মিডিয়ার প্রয়োজন হবে না আমার সাথে দেখা করতে।

ভোলার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন। হ্যাঁ সাম্প্রতিক সময়ে ভোলা জেলার বোরহান উদ্দীনে এক হিন্দু ছেলের আইডি হ্যাক করে বিশৃঙ্খলা ও অস্থীতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি ও শান্তি বিনষ্ট করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে একটি মহল। তাদের ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে থেকে দমন করা হবে।

আইন শৃঙ্খলার যথেষ্ট উন্নতি হয়ে এখানে সব ধর্ম বর্ণের মানুষ খুব শান্তিপ্রিয় অবস্থানে কেউ কাহারো সাথে নেই কোন দুরত্ব। সনাতনী ধর্মের দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে পালন করেছে। আমাদের প্রশাসনের চৌকষ টিম সার্বক্ষণিক ভাবে তৎপর ছিল বিধায় দায়িত্বে কোন অবহেলা যেন আমার চোখে না পড়ে সকল অফিসারদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া আছে।

চার মাস হয়েছে দায়িত্ব পেয়েছি এর মধ্যে প্রায় শতাধিক মামলা হয়েছে বিভিন্ন অপরাধের। দুডজনের উপরে মাদক মামলা হয়েছে ত্রিশ পয়ত্রিশ জন মাদকের আসামী গ্রেফতার হয়েছে। কোন আসামীর ব্যাপারে রাজনৈতিক নেতাদের তদবির ছিলোনা আর আমার থানায় কোন রাজনৈতিক নেতা কর্মীর তদবির গ্রহণযোগ্য নহে।

১৯৯৪ সালে তালতলী থানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত ওসি থেকে শুরু করে অফিসারদের থাকার কোন বাসভবন নির্মাণ হয়নি। খুব কষ্ট করেই থাকতে হয়। এ বিষয়টি গুরত্ব সহকারে উর্ধ্বতন  কর্মকর্তারা দেখবে তেমনটিই আশা করি।

কিশোর গ্যাং এর ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিশোর গ্যাং ও কিশোর গ্যাংয়ের গড ফাদারদের ব্যাপারে কোন ছাড় নয় তাদের ব্যাপারে আমাদের জিরো টলারেন্স দেওয়া আছে। এটি রোধ করতে হলে সামাজিক সচেতনতার বিকল্প নেই স্কুল কলেজ পাড়া মহল্লা ও মসজিদে গিয়ে নিয়মিত কাউন্সিলিং করে যাচ্ছি।

আশা করি কঠোরতার কারণে অনেকটা পরিবর্তন আসছে, শুধু সময়ের ব্যাপার দৃশ্যপট পাল্টাতে। তালতলীর অনেক গুণীজনের মূখে ওসি শাহিনুর রহমানের প্রশংসা শোনা যায়। নিজ অর্থায়নে মসজিদের নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখেছে ওসি শাহিনুর। অল্প সময়ে জনগণের  মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে এমনই হওয়া উচিৎ প্রতিটা থানার ওসিদের।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here