বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য একজোট হয়েছে। এ নির্বাচন এরই মধ্যে একটি প্রহসনে পরিণত হয়েছে।
এখন এ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখছি না। শুক্রবার সকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বিচার বিভাগ আমাদের যে হারে প্রার্থিতা বাতিল করছে, সেগুলোকে আমরা কী বলব? একই আদালত একজনের পক্ষে এক রায় দিচ্ছে, আবার অন্যজনের পক্ষে দিচ্ছে ভিন্ন রায়। হাইকোর্ট থেকে আমি সুবিচার পাচ্ছি, সেটি কী করে বলব? যেখানে আমার দলের প্রার্থিতা আমি কাকে দেব, সেটি হাইকোর্ট দিচ্ছে। আজ দুর্ভাগ্য এ জাতির, যেসব সরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর জাতির আস্থা-বিশ্বাস রয়েছে, সে প্রতিষ্ঠানগুলো একে একে সরকারি দল নিজেদের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে।’ বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, ‘২০১৪ সালে সরাসরি বিনা ভোটে ক্ষমতা দখল করেছে। এবার আইন-আদালত, রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে ক্ষমতা দখল করার পাঁয়তারা করছে। আমাদের একটা ভরসা ছিল রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত, যেখানে আমরা ন্যায়বিচারের আশা করেছিলাম। এখন সেখানেও পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। আমরা আশা করি, শেষ সময়ে হয়তো এ নির্বাচন কমিশন সম্বিত ফিরে পাবে, প্রশাসন তার সম্বিত ফিরে পাবে। আগামী ২৪ তারিখ থেকে মোতায়েন হওয়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন সবাই তাদের দেশপ্রেমের পরিচয় দেবেন।’

