এ্যাটেনশন সি আই ডি হেড কোয়াটার, ডিআইজি’র নামে চাঁদাবাজি চাঁদাবাজ কে এই সোর্স মোফাজ্জল?

0
2491

নারায়ণগঞ্জ ব্যুরোঃ
চাঁদা বাজি শব্দটা যে কেউ সুনলে সমাজের সবাই তাকে গৃনার চোখে দেখে আর পুলিশ প্রশাসন তাকে দার জন্য হন্য হয়ে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে, কিন্তু নারায়ণগঞ্জে খোত সি.আই.ডি পুলিশের সোর্স মোফাজ্জল সি.আই.ডি, ডি.আই.জির নামে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে, এখানে উল্লেখ্য দীর্ঘ ১২/১৪ বছর যাবৎ নারায়ণগঞ্জ সি.আই.ডির সোর্স হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে যার ফলে নারায়ণগঞ্জ ডিবি, থানা, র‌্যাবসহ সবাই তাকে ছালাম দিয়ে চলে উদ্দেশ্য মোফাজ্জল সি.আই.ডির ডি.আই.জি মহাসিন শাহেবের লোক পরিচয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রতি অবৈধ্য ব্যসায়ীদের কাছ থেকে সপ্তাহিক ও মাসিক মহহারা আদায় করে যাচ্ছে দীর্ঘ ১২/১৪ বছর যাবৎ। ডি.আই.জির দোহাই দিয়ে প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। নারায়ণগঞ্জ সি.আই.ডি পুলিশের কর্মকর্তাদের মোফাজ্জল যে টাকা দেন তাহাই খুশি মনে মেনে নেন কারণ একটাই মোফাজ্জল ডি.আই.জির লোক তাই কোন কর্মকর্তা মোফাজ্জলের রিরুদ্দে টু শব্দটি করতেও সাহস পান না। সোর্স মোফাজ্জলের কথায় চলে নারায়ণগঞ্জ সি.আই.ডি অফিস, সোর্স মোফাজ্জলের নির্দেশে দুইটি টিম অপারেশন করে থাকে এবং মোফাজ্জল নিজেই ঘটনাস্থলে টাকা পয়সা নিয়ে রফাদফা করে থাকেন, এবং একলক্ষ টাকা পেলে ৫০ হাজার টাকা আত্মসাত করে আর ৫০ হাজার টাকা কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেন। এবং সপ্তাহিক ও মাসিক চুক্তিটাও করে ফেলেন। এভাবেই মোফাজ্জল দীর্ঘ ১২/১৪ বছর যাবৎ নারায়ণগঞ্জ সি.আই.ডি পুলিশের মাথায় কাঠাল রেখে খেয়ে যাচ্ছেন। যার ফসল হিসাবে বনে গেছেন কোটিপতি। গরে তুলেছেন অট্রোলিকা, আলিশান বাড়ী, মটর পার্সের দোকান, বাড়ী একটি নয়, নারায়ণগঞ্জ শহরের বাবুরইল এলাকায় পাঁচতলা একটি বাড়ী, ফতুল্লা রোশন হাউজিং এলাকায় ছয় শতাংম জমির উপর একটি বাড়ী, এই দুটি বাড়ী ছাড়াও তার স্ত্রীর নামে রয়েছে কোটি কোটি টাকার ব্যাংক ব্যালেন্স। এছাড়া দুটি মটর পার্সের দোকান রয়েছে। সব কিছুই সি.আই.ডি পুলিশের অবদান। চতুর বাজ মোফাজ্জল নারায়ণগঞ্জ সি.আই.ডি পুলিশকে বোকা বানিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা, বাবুরাইল যেখানে পাঁচ তলা বাড়ী নির্মাণ করেছেন তার বর্তমান বাজার মূল্য পাঁচ কোটি টাকার অধিক। সূত্রে আরো জানা যায় মোফাজ্জল আসলে কোন মুসল মানের সন্তন নয়, তার আসল নাম বিসু সরকার, বাবুরাইল এলাকায় বিসু নামেই পরিচিত। বাবুরাইল এলাকায় সে নিজেকে সি.আই.ডির ইন্সেপেক্টর পরিচয় দেন। এখানকার এলাকাবাসী তাকে বিসু সরকার নামেই চিনেন, মোফাজ্জল নামে কেহ চিনেন না। শুধু তাই নয় তার আসল বাড়ী ভারতের শিলিগুরি এলাকায়, বছরে ৭/৮ বার ভারত যায় এবং তার মা-বাবাকে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠায়। এখনও তার মা-বাবা, ভাই-বোন ভারতে নিজ বসত বিটায় অবস্থান করেছেন। অথচ সাধারন লোকদের নিকট বলে বেরান তার বাড়ী চাঁদপুর, কুমিল্লা, আবার কখন বলেন বাড়ী নরসিংন্দী। এই ভাবেই মানুষকে দোকা দিয়ে বোকা বানাচ্ছেন। কিন্তু অত্যান্ত দুঃখের বিষয় হচ্ছে সি.আই.ডি পুলিশকে বোকা বানিয়ে দীর্ঘ ১২/১৪ বছরে মোফাজ্জল হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা। একজন ডি.আই.জি তার বেতনের টাকা দিয়ে মোফাজ্জলের মত সম্পদ গরতে পারবে না। তবে একটি বিষয় অনুসন্দন করে জানা যায় সোর্স মোফাজ্জল কোন ডি.আই.জির লোক নয়, কিন্তু তার ব্যক্তিগত কৌশল ব্যবহার করে চাঁদাবাজির ক্ষেত্র তৈরী করার জন্য সি.আই.ডির ডি.আই.জির মহাসিন নাম ব্যবহার করছেন। যার ফলে নারায়ণগঞ্জ জেলার কোন পুলিশ সদস্য মোফাজ্জলকে কিছু বলতে সাহস পাচ্ছেন না। অভিযোগে উল্লেখ্য মোফাজ্জল ভারতে নারী ও শিশু পাচারকারী সদস্য ছিল তার বিরুদ্ধে ভারতে বেশ কয়েকটি মামলা চলমান আছে এবং ঐ সকল মামলার হাজিরা দিতে দুই এক মাস পর পর সে ভারতে যায়, তার পাসপোর্ট চেক করলে এর সত্যতা পাওয়া যাবে। ঐ সকল মামলার কারনে পালিয়ে বাংলাদেশে এসে পালিয়ে থাকে এবং বাচার জন্য অন্য এক সোর্সের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ সি.আই.ডি পুলিশের সাথে তালমিলিয়ে সোর্সগীরি করতে থাকেন। বিসু সরকার এখন মোফাজ্জল নামে পরিচিত। তবুও থেমে থাকেনী তার জালিয়াতি সোর্স মোফাজ্জল কখনও  সি.আই.ডি ক্যাম্পের ক্যাশিয়ার, আবার সি.আই.ডির ডি আই.জির লোক এ সকল ছলছাতুরী করে নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রতিটি থানা এলাকার অবৈধ্য ব্যবসায়ী ও মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে দোস্তিকরে প্রতিমাসে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এ ব্যপারে অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্দান করে যে সকল অবৈধ্য ব্যবসায়ীদের কাজ থেকে চাঁদাবাজী করে তার কিছু অংশ চিহ্নিত করা হয়েছে, তার কিছু অংশ তুলে ধরছি। ফতুল্লার কুতুবপুর এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক সম্রাট মির হোসেন মিরুর, বৌবাজার গাড়ীর গ্রেজ মাদক বিক্রির আস্তানা থেকে প্রতি মাসে একলক্ষ দশ হাজার টাকা, পাগলা জেলেপাড়া বাংলা মদের আস্তানা মাদক ব্যবসায়ী চোরা হরির কাজ থেকে মাসিক চাঁদা পঞ্চাশ হাজার টাকা, কুতুবপুর এলাকার নিশ্চিন্তপুর এলাকার খালেক মালেক মাদকের আস্তানা থেকে আশি হাজার টাকা, আলীগঞ্জ সোবহানের চোরাই তেলের আস্তানা থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা, ফতুল্লার শৌলকুরা আরব আলী ও শাহিনের কাজ থেকে চোরাই তেলের ব্যবসা থেকে সাপ্তাহিক ত্রিশ হাজার টাকা, এছাড়া ফতুল্লা থানার সামনে একটি বাড়ীতে জুয়ার আস্তানা থেকে মাসিক একলক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করে মোফাজ্জল। ফতুল্লার মেঘনা ও যমুনা ডিপোর সভাপতি আফাজ উদ্দিন ট্যাংক লরি বাবদ পঞ্চাশ হাজার টাকা, ফতুল্লা সিনামা হলের পিছনে একটি মদের আস্তানা থেকে মাসিক ত্রিশ হাজার টাকা, ফতুল্লা মেঘনা ও যমুনা গেটের সামনে ৭/৮টি চোরাই তেলের আস্তানা যেমন বান্ডারীর ছেলে রনি, মোখলেছ, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী ফরহাত এর কাছ থেকে আদায় করছে লক্ষধিক টাকা অধিক। এছাড়া ট্যাংক লরির মালিকদের কাছে থেকে আদায় করছে গাড়ী প্রতি পাঁচশত থেকে শুরু করে এক হাজার টাকা পর্যন্ত। কিছু সংখ্যাক মালিকের নাম পাওয়া গেছে ট্যাংক লরির মালিক হান্নান, হিরু, শাহাব উদ্দিন, নাছির, আরজু, হিরু মিয়া, নুরুল ইসলাম এ রকম অসংখ্য মালিকের কাছ থেকে মাসিক চাঁদা আদায় করেছেন। মোফাজ্জলকে চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে গাড়ী আটক কের সুদে আসলে আদায় করেন বলে মালিক পক্ষ থেকে জানা যায়। ফতুল্লার দুইট পলিথিন ফ্যাক্টরী থেকে দুই লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করেন একটি ফতুল্লা এবং অপরটি সিবু মার্কেট এলাকায়। সিদ্দিরগঞ্জ থানা এলাকায় শিমুল পাড়া মাদক বিক্রেতা মিন্টু মতির বাতিজা নামে পরিচিত তার কাজ থেকে প্রতি মাসে পঞ্চাশ হাজার টাকা, মিন্টুর বাড়ীর দক্ষিন পাশের মাদক স¤্রাট বাক্কুর মাদকের পাইকারি বাজার থেকে এক লক্ষ টাকা, কাশেম পাড়ার নুরুন নাহার ও শাহিদার বাংলা মদের আস্তানা থেকে ত্রিশ হাজার টাকা, সানারপার নিমাই কাশারির ইয়াবা ও মদের আস্তানার মাদক ব্যবসায়ী বানেছা ও তার স্বামী জাকিরের কাছ থেকে চল্লিশ হাজার টাকা। চিটাগাং রোড সাগরিকা হোটলের পিছনে মুন্নার মাদকের আস্তানা থেকে বিশ হাজার টাকা। এক বাক্যে নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রতিটি থানা এলাকাগুলির অবৈধ্য ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে চাঁদা আদায় মোফাজ্জলের একার পক্ষে সম্ভব হয়না তার জন্য মোফাজ্জল আরও ৭/৮ জন সোর্স নিয়োগ করেছেন। তারা হলেন  কনেস্টবল মোকলেছ, নাসির, আলমগীর, জয়নাল, রবিন, মিসুক মিয়াসহ বেশ কিছু সোর্সের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করেছেন সি.আই.ডি, ডি.আই.জির নাম ব্যবহার করে। এ বিষয়ে আরও গভিরে অনুসন্দান চলছে। মোফাজ্জল ওরফে বিসু সরকারের বিরুদ্ধে কার যদি কোন অভিযোগ থাকে আমাদের দপ্তরে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হইল। বিস্তরিত দেখুন আগামী সংখ্যায়।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here