ফরিদগঞ্জ থানার মামলার বিবাদী তোফায়েল ভূইয়া ও মোঃ লিটন চাঁদপুর জেলা কারাগারে অসুস্থতার চিকিৎসার জন্য জামিনে মুক্তি দেওয়ার আবেদন

0
929

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
ফরিদগঞ্জ থানার মামলার বিবাদী তোফায়েল ভূইয়া ও মোঃ লিটন চাঁদপুর জেলা কারাগারে অসুস্থতার চিকিৎসার জন্য জামিনে মুক্তি দেওয়ার আবেদন। ১। আঃ হামিদ ভূইয়া, পিতা- মৃত আঃ খালেক ভূইয়া, ২। মোঃ সোহাগ ভূইয়া, পিতা-মুরাদ ভূইয়া ৩। মোঃ লোকমান ভূইয়া, পিতা-মৃত হদার আলী ভূইয়া ৪। বিল্লাল কাজী, পিতা-এমদাদ কাজী, ৫। মোঃ রফিক ভূইয়া, পিতা-মোঃ হানিফ ভূইয়া, ৬। নুরুল ইসলাম, পিতা-মোঃ বসু ভূইয়া, ৭। নয়ন বেপারী, পিতা-মৃত সহিদ উল্লা বেপারী, ৮। কাঞ্চন সরদার, পিতা-হোসেন সরদার, ৯। নুরুল ইসলাম, পিতা-মাহম্মদ হোসেন, ১০। আঃ রাজ্জাক, পিতা-মৃত হোসেন আলী, ১১। মাইন উদ্দিন, পিতা-আঃ রাজ্জাক, ১২। আঃ মান্নান ভূইয়া, পিতা-মৃত জানু ভূইয়া, ১৩। মোসলেউদ্দিন, পিতা-ছেলামত উল্লা, ১৪। জাকির হোসেন খনকার, পিতা-অজ্ঞাত, ১৫। মুরাদ ভূইয়া, পিতা- মৃত দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া, সর্ব সাং-পশ্চিম লাড়–য়া, থানা-ফরিদগঞ্জ, জেলা-চাঁদপুর সহ আরও অপরিচিত বহু লোকজনের কথায় জানা যায় যে, ফরিদগঞ্জ থানার বিগত ২৩/১১/২০১৬ইং তারিখের ১৪/১৬নং মামলার ২নং বিবাদী তোফায়েল ভূইয়া (৫৫), পিতা-মৃত আলাবক্স ভূইয়া, সাং-পশ্চিম লাড়–য়া, থানা-ফরিদগঞ্জ, জেলা-চাঁদপুর, ৩নং বিবাদী মোঃ লিটন (৩৭), পিতা-মৃত হাবু খলিফা, সাং-নলডুগি, থানা-ফরিদগঞ্জ, জেলা-চাঁদপুর বাদীর বর্ণিত ঘটনার তারিখ ২২/১১/২০১৬ইং তারিখ সময় অনুমান সন্ধ্যা ৭.০০ ঘটিকার সময় ফরিদগঞ্জ থানাধীন পশ্চিম লাড়–য়া সাকিনের রামপুর পুরান বাজার পূর্ব গলিতে নেছার আহাম্মদ এর দোকানের সামনে ঘটনা ঘটে। ২নং বিবাদী তোফায়েল ভূইয়া ঘটনার স্থলে উভয় পক্ষকে মানাইতে গেলে এই বাদীর মামলার ১নং সাক্ষী লাঠি দিয়া তোফায়েল ভূইয়ার পিঠে ও বুকে আঘাত করিয়া মারাত্মক জখম করে। ঘটনা শান্ত করিয়া স্কুল কমিটির মাধ্যমে বিচার করিবে বলিয়া বাদী, বিবাদী ও সাক্ষীগন ঘটনা স্থল হইতে চলিয়া যায়। বাদী আলাউদ্দিন খাজু, পিতা-ছৈয়দ আহম্মদ, সাং-পশ্চিম লাড়–য়া, থানা-ফরিদগঞ্জ, জেলা-চাঁদপুর ইসলামী ছাত্র শিবিরের জন্য সক্রিয় নেতা। ১নং সাক্ষী বাদীর পিতা ছৈয়দ আহম্মদ ভূইয়া বিএনপির ওয়ার্ড সভাপতি। বিবাদী তোফায়েল ভূইয়া একজন হার্টের রোগী এবং ষ্ট্রোক করা রোগী, তিনি বর্তমানে জেলা কারাগারে থাকিয়া আরও বেশী মারাত্মক অসুস্থ হইয়া পড়িয়াছে। জেলা কারাগার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রহিয়াছে। কিন্তু তাহার অবস্থার অবনতি হইতেছে বিধায় মানবিক কারণে জামিনে মুক্তি তাহার ভাল চিকিৎসা করা যাইবে। তোফায়েল ভূইয়া একজন আওয়ামী পরিবারের সদস্য এবং তিনিও একজন আওয়ামীলীগের ভোটার। তাহার ভাই খাজে আহম্মদ ভূইয়া ১০নং দক্ষিন গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এবং আওয়ামীলীগ নেতা বলেন আইজ আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ফরিদগঞ্জ থানায় ছাত্র শিবিরের লোক মামলার বাদী হইয়া বিএনপির ওয়ার্ড সভাপতি সাক্ষী হইয়া আমার ভাইকে এই মামলায় গ্রেফতার করাইয়া রিমান্ডে ও জেলখানায় জিজ্ঞাসাবাদ করিয়াছে। বর্তমানে মামলাটি ডিবিতে স্থানান্তর করা হইল। এলাকার সরজমিনে গেলে এলাকার বহুলোক বলে এখানে তোফায়েল ভূইয়া ঘটনার সময় নিজে সমাধা করতে চেষ্টা করিতে গিয়া আঘাত প্রাপ্ত হইয়াছে। বাদী ও সাক্ষীদের ভয়ে অনেকে নাম বলিতে ভয় পায়। ৩নং বিবাদী লিটন ঘটনার সময় ছিলেন না। ৩নং বিবাদীর মামা ১নং সাক্ষী ছৈয়দ আহম্মদ ভূইয়াকে চাঁদপুর সরকারী হাসপাতালে দেখতে যাওয়ায় তাহাকে আসামী করা হয়। সেও চাঁদাপুর জেলা কারাগারে রহিয়াছে। তিনি একজন ডায়াবেটিকস ও অশ্ব রোগী। তদুপরি এই আসামীকে মানবিক কারনে জামিনে মুক্তি দিলে চিকিৎসা করা যাইবে।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here