তাসমিয়াঃ-
নগরীর কমলাপুর আইসিডি বন্দর থেকে দিনের বেলায় চলছে মাল বাহী কার্ভাড ভ্যান।জানযট নিরসনে দিনের বেলায় মালবাহী ট্রাক বা কার্ভাডভ্যান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে পরিবহন ও যোগাযোগ আইনে। অথচ এডিসির নামে ২০০০/ মাসহারা দিয়ে মাসুমের দায়িত্বে চলছে ৮০থেকে ৯০টা কার্ভাড ভ্যান। কমলাপুর আই সিডি থেকে যাএাবাড়ি হয়ে পোস্তগোলা,সাইনর্বোড,স্টাফ কোয়াটার দিয়ে ডেমরা।
কমলাপুর আইসিডি বন্দর, রেলস্টেশন এবং বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলের পাশাপাশি হওয়াতে পারশ্ববর্তী এলাকা মুগদা, মান্ডা, টিটিপাড়া,রেলওয়ে মেথরপট্টি,বিশ্বাস টাওয়ার,গোপিবাগ,ইত্তেফাক মোড়,এদিকে মানিকনগর বিশ্বরোড এসব এলাকাগুলোতে ঘনবসতি এবং যানযট লেগেই থাকে। আর যাএাবাড়ীর কথাতো বলাই বাহুল্য। যানযট নিরশনে ট্রাফিক পুলিশ কিন্তু সে পুলিশ র্কমর্কতার নাম দিয়ে মানতি গাড়ী তাও দিনের বেলায় নিষিদ্ধ কর্ভাড ভ্যান । নাম প্রকাশে অনইচ্চুক ড্রাইভার গণ বলেন আমরা এডিসি স্যারের গাড়ী চালাই এটাতো আমাদের ব্যক্তিগত গাড়ী নয়। আমাদের ডিউটি রোস্টার এবং টাকা পয়সা লেনদেন হয় মাসুমের মাধ্যমে । প্রতিমাসে ২০০০/ টাকা করে দিয়ে থাকি। যে মাসে টাকা দিতে দেরি হয় সে মাসে আমাদের টিব দিতেও দেরি করে। এ বিষয়ে মাসুমের নিকট জানতে চাইলে আপনি কার অনুমতি নিয়ে দিনের বেলায় কার্ভাডভ্যান চালান ? আপনি কি আউসিডি বন্দরের কোন র্কম র্কতা ? নাকি প্রশাসনের কেউ ? মাসুম এক কথায় উত্তর দিল আপনাদের এত প্রশ্নের জবাব দেওয়া আমি প্রয়োজন মনে করি না। পারলে কিছু করে দেখান অন্যদিকে ফিটনেস বিহীন লেগুনা চলে মুগদা থেকে মালিবাগ চৌরাস্তা আকতারের অধিনে। মুগদা থেকে খিঁলগাও চলে সিরাজের দায়িত্তে,এবং মুগদা থেকে মতিঝিল মাইজু মাতবরের অধিনে চলে এসব ভাঙ্গাচুরা ফিটনেস বিহীন গাড়ী। নাই প্রশিক্ষিত পেশাদার ড্রাইভার হেলপার থাকে শিশু। চালায় নিষিদ্ধ গাড়ী তার উপর আবার দন্ডমান শিশুশ্রম। ২জনের সিটে ৪জন ৪জনের সিটে ৬জন ঠাঁসাঠাঁসি করে লোহার পিনজিরায় বন্ধি হয়ে জীবন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয় । র্নিদিষ্ট কোন ভাড়া নাই তাদের খেয়াল খুশির উপর র্নিভর করতে হয়।এসি রাকিব,টিআই এমদাদ আর কমলাপুরের টিআই ফজলুর নামে দৈনিক ৫১০/ টাকা দিয়ে চলে এসব গাড়ী নামের লোহার খাঁচা। বিআরটি টাকার বিনিময়ে ফিটনেস বিহীন গাড়ীর অনুমতি দিয়ে মানুষকে ঠেলে দিচ্ছে মৃত্যু আর র্দূগটনার দিকে।আর যানযট নিরশনে ট্রফিক পুলিশ এসব গাড়ী ব্যবসার সাথে জড়িত হয়ে নিরাপত্তা পরির্বতে মানুষের
জীবন নিয়ে খেলা করছে। এ যেন “মগের মূল্যক’ জোর যার রাজ্য তার ”। আমরা প্রশাসন এবং পরিবরণ মালিকের নিকট জিমি¥ দেখার কেউ না

