৭০১। হযরত আয়শা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আশূরা ছিল এমন একটি দিন যে দিন কুরাইশরা জাহিলী যুগে রোযা রাখত। হযরত রাসূলে পাক (স) সেদিন রোযা রাখতেন। মদীনায় আসার পরও তিনি এই দিন রোযা রেখেছেন এবং লোকদেরকেও রোযা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। রমযানের রোযা ফরয হওয়ার পর রমযানই ফরয হিসাবে রয়ে গেল এবং আশূরার রোযা বাদ পড়ল। ফলে যার ইচ্ছা সে এই দিনের রোযা রাখতে পারে আর যার ইচ্ছা নাও রাখতে পারে।
আশুরার দিন কোনটি?
৭০২। হযরত হাকাম ইবনুল আরাজ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হযরত ইবনে আব্বাস (রা)-র নিকট গেলাম। তিনি তখন যমযম কূপের নিকট তার চাদরকে বালিশের মত করে হেলান দেওয়া অবস্থায় ছিলেন। আমি বললাম, আশূরা সম্পর্কে আমাকে বলে দিন তো, আমি কোন দিন রোযা রাখব? তিনি বলেন, তুমি যখন মুহার্রমের চাঁদ দেখবে তখন থেকেই দিন হিসাব করতে থাকবে। নবম তারিখ ভোর থেকে রোযা শুরু করবে। আমি বললাম, হযরত মুহাম্মাদ (স) কি এভাবেই রোযা রাখতেন? তিনি বলেন, হাঁ।

