৭০৪। আম্মাজান হযরত আয়শা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হযরত রাসূলে পাক (স)-কে তখনও (ফিলহজ্জ মাসের) দশ দিন রোযা রাখতে দেখিনি। যিলহজ্জ মাসের দশ দিনের সৎকাজের তাৎপর্য
৭০৫। হযরত ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হযরত রাসূলে পাক (স) ইরশাদ করেছেন: এমন কোন দিন নাই যে দিনসমূহের সৎকাজ মহান আল্লাহ্র নিকট যিলহজ্জ মাসের এই দশ দিদের সৎকাজে অপেক্ষা বেশি প্রিয়। সাহাবীগণ বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আল্লাহ্র পথে জিহাদ করাও কি (এত প্রিয়) নয়? হযরত রাসূলে পাক (স) বলেন: আল্লাহর পথে জিহাদও তদপেক্ষা বেশি প্রিয় নয়। তবে কোন ব্যক্তি যদি (নিজের) জান-মাল নিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদে বের হয়ে যায় এবং এই দুইটির কিছু নিয়ে আর ফিরে না আসতে পারে তার কথা (অর্থাৎ সেই শহীদের মর্যাদা) স্বতন্ত্র।
৭০৬। হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এমন কোন দিন নাই যে দিনসমূহের (নফল) ইবাদত আল্লাহর কাছে যিলহজ্জ মাসের দশ দিনের ইবাদত অপেক্ষা প্রিয়। এই দশ দিনের প্রতিটি রোযা এক বছরের রোযার সমতুল্য এবং এর প্রতিটি রাতের ইবাদত কদরের রাতের ইবাদতের সমান।
শাওয়াল মাসের ছয় দিনের রোযা রাখা
৭০৭। হযরত আবু আইউব আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হযরত রাসূলে পাক (স) ইরশাদ করেন কোন ব্যক্তি রমযানের রোযা রাখল, অতঃপর শাওয়ালের ছয় দিন রোযা রাখল, সে যেন সারা বছরই রোযা রাখল।
এই হাদীসের ভিত্তিতে একদল বিশেষজ্ঞ আলেম শাওয়াল মাসের ছয় দিন রোযা রাখা মুস্তাহাব মনে করনে। ইবনুল মুবারক বলেন, প্রতি মাসে তিন দিন রোযা রাখার মত এটিও মুস্তাহাব। কোন কোন হাদীসে এই রোযা রমযানের রোযার পরপরই রাখার কথা উল্লেখ আছে। তাই আমি শাওয়াল মাসের দিকে এই ছয়টি রাখা অধিক পছন্দীয় মনে করি। শাওয়াল মাসের ভিন্ন ভিন্ন দিনে রোযা রাখা বৈধ আছে।

