৬৯৭। হযরত আবু কাতাদা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আরাফাতের দিনের রোযা সম্পর্কে আমি আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর মাধ্যমে পূর্ববর্তী বছর এবং পরবর্তী বছরের পাপের ক্ষতিপূরণ করে দিবেন। আরাফায় অবস্থানকালে সে দিনের রোযা রাখা মাকরূহ
৬৯৮। হযরত ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হযরত নবী পাক (স) আরাফাতে রোষ ভাংলেন। উন্মুল ফাদল (রা) সেদিন তাঁর জন্য কিছু দুধ পাঠিয়েছিলেন। তিনি তা পান করেন।
ইবনে উমার (রা) বলেনঃ আমি নবী পাক (স)-এর সাথে হজ্জ করেছি কিন্তু তিনি আরাফার দিন রোযা রাখেননি; হযরত আবু বাক্স (রা)-এর সাথেও হজ্জ করেছি, তিনিও সেদিন রোযা রাখেননি; হযরত উমায় (রা)-র সাথে হজ্জ করেছি, তিনিও সেদিন রোযা রাখেননি এবং হযরত উসমান (রা-র সাথেও হজ্জ করেছি কিন্তু তিনিও রোযা রাখেননি।
অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ আলেম এই হাদীস অনুসারে আমলের কথা বলেছেন। তাঁরা দোয়ার ক্ষেত্রে শক্তিলাভের উদ্দেশ্যে আরাফাত দিন রোযা না রাখা মুস্তাহাব বলেছেন। অবশ্য কোন কোন আলেম আরাফাতে অবস্থানকালে সে দিনের রোযা রেখেছেন।
৬৯৯। হযরত ইবনে আবু নাজীহ্ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হযরত ইবনে উমার (রা)-কে আরাফাতের দিন রোযা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আমি নবী পাক (স)-এর সথে হজ্জ করেছি, তিনি সেদিন রোযা রাখেননি। হযরত আবু বাকর (রা)-র সাথেও হজ্জ করেছি, তিনিও ঐ দিন রোযা রাখেননি। উমার (রা)-এর সাথেও হজ্জ করেছি, তিনিও ঐ দিন রোযা রাখেননি। হযরত উসমান (রা)-র সাথেও হজ্জ করেছি, তিনিও ঐ দিন রোযা রাখেননি। আমি নিজেও এই দিন রোযা রাখি না, কাউকে রাখতে বলি না এবং নিষেধও করি না। আশূরার দিন রোযা রাখতে উৎসাহিত করা (মুহরাররম মাসের দশম দিনকে আশুরার দিন বলা হয়)
৭০০। হযরত আবু কাতাদা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মহান আল্লাহর নিকট আশা করি যে, আশূরার রোযার মাধ্যমে তিনি পূর্ববর্তী এক বছরের (গুনায়) কাফ্ফারা (ক্ষতিপুরণ) করে দিবেন

