মাজহারল ইসলাম রেীমারী কুড়িগ্রাম প্রতিনিধ: কুড়িগ্রাম এর রেীমারী ও রাজিবপুর দুই উপজেলার প্রায় পাঁচশত হেক্টর জমির ইড়ি -বোরো ধানের উপর দিয়ে ভারত থেকে নেমে আসা। পাহাড়ি ঘোলাটে পানির ঢলে সীমান্তঘেষা এলাকার আগাম লাগানো ইড়ি -বোরো ধান পানির নিচে পড়ে যাওয়ায় সীমান্তঘেষা কৃষকের মাথায় হাত পড়েছে। এমনটাই জানান রেীমারী উপজেলার সীমান্ত এলাকার কৃষকরা পরে ওই সীমান্ত এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় একদম. সীমান্ত বর্ডার হাটের উত্তর পাশ থেকে শুর করে। রেীমারী উপজেলার. ১৫/২০ কিলোমিটার সীমান্তের দোলাদালী নামা স্থান গুলো আগাম জাতের কালো বোরো ‘ আর ২৮ জাতের ইড়ি ধান ওই সীমান্তঘেষা ধান গুলোর উপরে ভারতের ঘোলাটে পানির নিচে পরে যাওয়ায় সীমান্ত এলাকার কৃষকদের হাহাকারের চিত্র আহাজারিতে পরিণত হয়েছে। কুড়িগ্রাম এর রেীমারীর যাদুর চর ইউনিয়নের সীমান্তঘেষা আলগারচর গ্রামের সামনে ভারতের মেঘালয় পাহাড় ওই পাহাড়ি ঘোলাটে লালচে পানির ঢলে তলিয়ে গেছে কৃষকের ধান। আলগারচর গ্রামের কৃষক রবিউল ইসলাম. আঃ জলিল. আলহাজ্ব আববাস. আলী। খেওয়ার চর গ্রামের রহিম উদ্দিন . জয়নালসহ আরো অনেক. সীমান্ত এলাকার কৃষকদের ক্ষতির আশংকায় রয়েছে বলে জানান। ওই এলাকার কৃষির উপর নির্ভরশীল. কৃষকরা আরো বলেন আমাদের সীমান্ত এলাকায়. বছরে একটাই ফসল বিকল্প কনো ফসলের সুযোগ নেই ধান কাটার পর সারা বছরই পানিতে ডুবে থাকে এলাকার সীমান্তঘেষা জমি গুলো।তাহলে একটাই মাত্র ফসল হয় বছরের পর বছর পরেই থাকে। সেই ফসলের আসায় বুক বেধেঁ বসে থেকেও ওই ফসলের কনো ফলাফল নেই এবং জমির উপর ভাসছে বর্তমান পাহাড়ি মাটির লাল ঘোলা পানি। এবিষয়ে রেীমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সামসুল হক তার সংগে মোট ফোনে যোগাযোগ করে তার কাছ থেকে জানা যায় সে নাকি এলাকার ক্ষতিটা জরিপ করতেই পারেনি সে জানায় আমি সবাইকে সরেজমিনে তদন্ত করে একটি ক্ষতির প্রতিবেদন তৈরি করে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নিকট পাঠিয়ে দেয়ার বিষয়টি মাথায় আছে, আর চৈত্রের ফাস্ট টু লাসট পর্যন্ত একটানা বৃষ্টি কি ভাবে ভালো থাকে কৃষকরা।
