মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধিঃ
কয়েকদিনের চৈত্র মাসের টানা বর্ষনে কুড়িগ্রামের রৌমারীতে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গনের তিব্রতা। ভাঙ্গছে ব্রহ্মপুত্রের পার ঘেষা ইড়ি-বোরো ফসলী জমি। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার অনেক দেরী। কিন্ত আগাম বৃষ্টি ও নদী ভাঙ্গনের তিব্রতায় মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। রৌমারীর সাহেবের আলগা হতে রাজিবপুর উপজেলা পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার নদী কুলীয় এলাকা জুড়ে ব্রহ্মপুত্র কিনার ঘেষা ইড়ি-বোরো ফসলী জমি ভাঙ্গছে। যুগযুগ ধরে ব্রহ্মপুত্র নদের অব্যাহত ভাঙ্গনের ফলে রাজিবপুর ও রৌমারী উপজেলার ভুমির পরিমান দাড়িয়েছে অর্ধেকে। বেঁচে থাকার তাগিদে ঝুকি নিয়ে নদী কুলীয় তীরবর্তি গ্রামের কৃষক নদী ভাঙ্গনে অবশিষ্ট জমিতে ফসলের চাষ করে। কথায় আছে মরার উপর খারার ঘাঁ” এবছর বৈরী আবহাওয়ার কারনে চৈত্রী মাসে অসময়ে অতি বৃষ্টির ফলে নদের পানি বৃদ্ধি হওয়ায় এমন ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। নদটি ভাঙ্গন রোধে সরকারের সুনিদিষ্ট পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন না থাকায় বন্ধ হচ্ছেনা ভাঙ্গন।
ইতো পুর্বে কয়েক দফা পানি উন্নয়ন বোর্ড কতৃক সরেজমিনে তদন্ত পুর্বক ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন রোধে পরিকল্পনা হাতে নিলেও বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি। রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের সাহেবের আলগায় কিছু অংশে ব্লক ফেলানোর কাজ হলেও বাকী অংশ অরক্ষিত রয়েছে। রৌমারী ও রাজিবপুর বাসীর প্রানের দাবী সরকারের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এঅঞ্চলের ভুমি রক্ষা করা হউক। এমন দাবী জানায় কুড়িগ্রামের রৌমারী ও রাজিবপুরসহ দুই উপজেলার লাখ লাখ নদী ভাঙ্গা ভোক্তভোগী অসহায়রা
