উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান কারিগর শ্রমিককে মর্যাদা না দিলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সাধন কখনই সম্ভব নয় এ জন্যে প্রয়োজন শ্রমিককে তার কাক্সিক্ষত অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা প্রদান। অধিকারের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে শ্রমিকের শ্রমের প্রকৃত মজুরী প্রাপ্তি। শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরী এখন অন্যান্য সময়ের চেয়ে অনেক বেশি বলে মহান মে দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচিতে বাগাড়ম্বর হবে। কিন্তু প্রকৃত অর্থে শ্রমিককে প্রদত্ত ন্যূনতম মজুরি বাজার দরের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নির্ণায়িত হয়েছে কি? হয় নি বলেই শ্রমিকের জীবনে অভাব অনটন লেগেই আছে। অধিকারের অপরাপর জরুরী দিক হলো শ্রমিকের নিজের এবং পরিবারের তথা সন্তান-সন্ততির শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাসস্থানের ব্যবস্থা। শ্রমিকের এ সকল ন্যূনমত মৌলিক চাহিদার প্রতিষ্ঠা আজও হয়নি। অথচ, আই.এল.ও-এর ২৬তম অধিবেশনে ১৯৪৪ সনে গৃহিত সিদ্ধান্ত ছিল (১) শ্রমিক কোন পণ্য নয় (২) উন্নয়ন ও প্রগতির পথে দারিদ্র প্রতিবন্ধক (৩) সর্বস্তরে ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার নিশ্চিত করণ ইত্যাদি।
আজ ৩০ এপ্রিল ২০১৭ রবিবার বিকাল ৩টায় ‘ডেমোক্রেটিক এ্যালায়েন্স’ এর উদ্যোগে “মহান মে দিবস” উপলক্ষ্যে ২৭/৮-এ, তোপখানা রোড (৩য় তলা), ঢাকা-১০০০ এ এ্যালায়েন্সের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে ডেমোক্রেটিক এ্যালায়েন্সের প্রধান সমন্বয়কারী জননেতা আলমগীর মজুমদার উপরোক্ত বক্তব্য আরোপ করেন।
আলোচনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি (বিআইপি)’র চেয়ারম্যান এম.এ রশীদ প্রধান, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান হাসরত খান ভাসানী, ন্যাশনাল কংগ্রেস’র চেয়ারম্যান কাজী সাব্বির, এনডিপি মহাসচির আলীনূর রহমান খান সাজু, বাংলাদেশ পিপলস পার্টির সভাপতি মন্ডলীর সদস্য মোশাররফ হোসেন বকুল ও মোস্তফা কামাল বাদল, এনডিপি’র সভাপতি মন্ডলীর সদস্য মীর্জা আমিন আহেমদ ইয়ান, আম জনতা পার্টির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম খান, স্বাধীনতা পার্টির মহাসচিব মোঃ ফয়েজ হোসেন, ন্যাপ ভাসানীর মহাসচিব খালেদ শাহরিয়ার ও মহিলা সম্পাদিকা শেফালী হক, জাতীয় শ্রমিক ফোরামের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, ন্যাশনাল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
সভায় নেতৃবৃন্দ শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই মজুরী প্রদানের দাবি জানান।
