অন্য এক আয়াতে বলা হয়েছে আমি জিন ও মানুষকে শুধুমাত্র আমার ইবাদত করার জন্যে সৃষ্টি করেছি । [সূরা আয- যারিয়াত ৫৬] এখানে আরও একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, প্রকৃত পক্ষে আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে মানুষকে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা হওয়া কোন আশ্চর্যজনক ব্যাপার নয়। বরং তাঁর পক্ষ থেকে যদি এ ব্যবস্থা না থাকতো তাহলে সেটাই হতো বিস্ময়কর ব্যাপার। এ বিষয়টি কুরআন মজীদের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ভঙ্গিতে বুঝানো হয়েছে । কোথাও বলা হয়েছেঃ “পথ প্রদর্শন করা আমার দায়িত্ব ।” [সূরা আল-লাইল : ১২] আবার কোথাও বলা হয়েছেঃ “সরল সোজা পথ দেখিয়ে দেয়া আল্লাহর দায়িত্ব । বাঁকা পথের সংখ্যা তো অনেক ।” [সূরা আন-নাহল:৯] অন্যত্র উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফেরাউন মূসার মুখে রিসালাতের পয়গাম শুনে বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলোঃ তোমার সেই ‘রব’ কে যে আমার কাছে দূত পাঠায়? জবাবে মূসা বললেনঃ “তিনিই আমার অন্য এক আয়াতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ আমি জিন ও মানুষকে শুধুমাত্র আমার ইবাদত করার জন্যে সৃষ্টি করেছি । [সূরা আয- যারিয়াত ৫৬] এখানে আরও একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, প্রকৃত পক্ষে আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে মানুষকে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা হওয়া কোন আশ্চর্যজনক ব্যাপার নয়। বরং তাঁর পক্ষ থেকে যদি এ ব্যবস্থা না থাকতো তাহলে সেটাই হতো বিস্ময়কর ব্যাপার। এ বিষয়টি কুরআন মজীদের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ভঙ্গিতে বুঝানো হয়েছে । কোথাও বলা হয়েছেঃ “পথ প্রদর্শন করা আমার দায়িত্ব ।” [সূরা আল-লাইল : ১২] আবার কোথাও বলা হয়েছেঃ “সরল সোজা পথ দেখিয়ে দেয়া আল্লাহর দায়িত্ব । বাঁকা পথের সংখ্যা তো অনেক ।” [সূরা আন-নাহল:৯] অন্যত্র উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফেরাউন মূসার মুখে রিসালাতের পয়গাম শুনে বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলোঃ তোমার সেই ‘রব’ কে যে আমার কাছে দূত পাঠায়? জবাবে মূসা বললেনঃ “তিনিই আমার রব যিনি প্রতিটি জিনিসকে একটি নির্দিষ্ট আকার-আকৃতি দান করে পথ প্রদর্শন করেছেন।” [সূরা ত্বা-হা ৪৭-৫০]রব যিনি প্রতিটি জিনিসকেএকটি নির্দিষ্ট আকার-আকৃতি দান করে পথ প্রদর্শন করেছেন।” [সূরা ত্বা-হা ৪৭-৫০] ৷ শিক্ষা আললাহ সোজা পথ দেখিয়েছেন অতএব সোজা পথেই চলতে হবে।

