মূল আয়াতে বায়ান শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে । এর একটি অর্থ হচ্ছে মনের ভাব প্রকাশ করা। অর্থাৎ কোন কিছু বলা এবং নিজের উদ্দেশ্য ও অভিপ্রায় ব্যক্ত করা। দ্বিতীয় অর্থ হচ্ছে পার্থক্য ও বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট করে তোলা । বাকশক্তি এমন একটি বিশিষ্ট গুণ যা মানুষকে জীবজন্তু ও পৃথিবীর অন্যান্য সৃষ্টিকুল থেকে পৃথক করে দেয়। কুরতুবী; ফাতহুল কাদীর] বিভিন্ন ভূখণ্ড ও বিভিন্ন জাতির বিভিন্ন বাকপদ্ধতি সবাই এই বর্ণনা শিক্ষার বিভিন্ন অঙ্গ এবং এটা কার্যত সূরা আল-বাকারাহ: আয়াতের তফসীরও। —–শিক্ষা ——আল্লাহ মানুষকে ভাষা শিখিয়েছেন।
ঠিক ফজরের ওয়াক্ত যখন হয় আজান দেয় ঠিক তখন মোরগ ডাক দেয়। মুহাম্মদ সাঃ বলেছেন মোরগ ফেরেশতা দেখতে পায় তাই মোরগ ডাক দিলে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় কর আর কুকুর, গাধা এই দুই প্রানী শয়তান দেখতে পায়। এরা ডাকলে আল্লাহর কাছে পানা চাও মানে আউজুবিল্লাহ হিমিনাশ শাইতানির রাজিম পড়। সম্প্রতি একটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলো দেখিয়েছে ঠিকানা সহ। আমি তখন সেই ভিডিও শেয়ারো করেছিলাম। গ্ৰামের একজনের একটা মোরগ আল্লাহ আল্লাহ ডাকে। এইটা কোনো ফেইক নিউজ না। বিভিন্ন টিভি চ্যানেল ঠিকানা সহ পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎকার সহ মোরগের আল্লাহ ডাক রেকর্ড করে তা দেখিয়েছে। মোরগকে কখনো ময়না পাখির মত কথা শিখানো যায় না। এইগুলো হল আল্লাহর নিদর্শন যার কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সম্ভব না। যাতে মানুষ বিবেকবুদ্ধি দিয়ে উপলব্ধি করে ইসলাম চূড়ান্ত সত্য ধর্ম। আর এতো এতো বোবা প্রানী থাকতে আল্লাহ এমন এক প্রানীকে বেছে নিয়েছে যেই প্রানী ফজরের নামাজের জন্য জাগায় আর ফেরেশতা দেখতে পায়। এখানেও চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।

