বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার। বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয় ও স্ব স্ব জেলা প্রশাসক এর অধীনে প্রতিটি জেলার পত্রিকাগুলোর অনুমোদন লাভ করে থাকে। যে কোন পত্রিকা সর্বপ্রথম স্ব স্ব জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন দাখিল এর পরে পুলিশ তদন্ত পূর্বক হয়ে থাকে। পুলিশ তদন্ত হওয়ার পর পত্রিকার অনুমোদন লাভ করে পত্রিকার সম্পাদকরা। তথ্য মন্ত্রনালয় নিয়ন্ত্রাধীন চলচিন্ত্র প্রকাশনা অধিদপ্তর ইচ্ছে করলে অনুমোদিত পত্রিকাগুলোকে পুনরায় তদন্ত ছাড়া মিডিয়ালিষ্ট করতে পারে। মিডিয়ালিষ্ট করতে প্রিন্ট মিডিয়ার নানা হয়রানি। যেমন-বিভিন্ন কাজগপত্র পুনরায় সংযোজন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, অধি শাখা-০৩ এ অনুমোদনের আবেদন এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় হতে আবেদনগুলো পুনরায় তদন্ত করতে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই ও পুলিশের নগর বিশেষ শাখায় প্রেরণ করা হয়। রিপোর্ট প্রদানে গড়মিল। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করে তাদের মতই রিপোর্ট দিয়ে থাকেন। অন্যদিকে নগর পুলিশের রিপোর্টের সাথে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট গড়মিল রয়েছে। এই দুইটি রিপোর্টের কারণে পত্রিকার সম্পাদকরা সংবাদপত্র মিডিয়ালিষ্ট করতে নানা ঝামেলা পোহাতে হয়। চলচ্চিত্র প্রকাশনা অধিদপ্তর এর কিছু অসাধু কর্মকর্তা পত্রিকা মিডিয়ালিষ্টে অর্ন্তভুক্ত করতে এক লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবী করে থাকেন। ঘুষ না দিলে পত্রিকার সম্পাদকরা পড়তে হয় নানা ঝামেলায়। স্বরাষ্ট মন্ত্রনালয় অধি শাখা-০৩ ও পুলিশের নগর বিশেষ শাখার কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে চলচ্চিত্র প্রকাশনা অধিদপ্তরের অসাধু কর্মকর্তারা পত্রিকার সম্পাদকদের নানা ভাবে চরম হয়রানিতে ফেলে থাকেন। বাংলাদেশ সাপ্তাহিক পত্রিকা পরিষদ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবীর হোসেন জানান, তথ্য মন্ত্রনালয় এসব হয়রানি মুক্ত করতে হলে পূর্বে অনুমোদিত সকল নিবন্ধিত পত্রিকা সরাসরি মিডিয়ালিষ্ট অর্ন্তভুক্ত করতে চলচ্চিত্র প্রকাশনা অধিদপ্তর, মহাপরিচালক মহোদয়কে নির্দেশ প্রদান করে পত্রিকার সম্পাদকদের হয়রানি থেকে রক্ষা করতে অনুরোধ রহিল।
