স্টাফ রিপোর্টার ঃ
সাভারে একটি ভেজাল ঔষধ তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। কারখানাটির নাম কে, ইউ ফামাসিউটিক্যাল (আয়ু) কারখানাটিতে যৌন উত্তেজক ঔষধসহ বিভিন্ন নামি-দামী কোম্পানির ঔষধ বানানো হয়। এটি সাভারের বলিয়াপুরের নগরকোন্ডা এলাকায় অবস্থিত। এলাকাবাসী জানায়, কারখানার মালিক আব্দুল খালেক অনুমোদন ছাড়া অবৈধ ভাবে বিভিন্ন কোম্পানির ঔষধ তার কারখানাতে তৈরি করে বাজারজাত করছে এবং দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের নাকের ডগায় এসব অবৈধ ব্যবসা করে কালো টাকার পাহাড় গড়ছে। নকল ঔষধ তৈরি করে সে নিজের তৈরি নামিদামি কো¤পানির লেবেল লাগিয়ে দেদারসে বাজারজাত করছেন তিনি। এ বিষয়ে এলাকাবাসী কেউ প্রতিবাদ করলে তাদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করার হুমকি দেন খালেক। ওই কারখানার ম্যানেজার আব্দুলবারী জানান, প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই আমরা অবৈধ ভাবে অন্য কোম্পানির ঔষধ তৈরি করে বাজারজাত করছি। আমার বোন জামাই আশুলিয়া থানার দারোগা। কারখানাটিতে অবৈধ ঔষধ তৈরি হলে ও আমাদেরকে বলার মত কেউ নেই। গত ৯ নভেম্বর নিবার্হী ম্যাজিট্রেট ইমরুল হাসানের নেত্বতে ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে অনুমোদনবিহীন ও নকল ঔষধ তৈরির বিভিন্ন ক্ষতিকারক কাঁচামাল ও তৈরি পণ্য পুড়িয়ে দেয়। এবং ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তারপরও থেমে নেই আব্দুল খালেক কারণ বেশি মুনাফার লোভে আবারো পূর্বেরমত নকল ঔষধ তৈরি করে বাজারজাত করছে। এব্যাপারে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, তদন্ত করে ওই নকল ঔষধ তৈরির কারখানাটির মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কারখানাটির মালিক বলিয়ারপুর এলাকায় বসবাস করেন। বগুড়াতে তার একটি নকল ঔষধ তৈরির কারখানাও রয়েছে বলে জানিয়েছে ওই কারখানার এক শ্রমিক। যত দ্রুত সম্ভব নকল ও ভেজাল ঔষধ তৈরির কারখানাটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সিলগালা করে দেয়ার জন্য সাভার উপজেলা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন বলিয়ারপুরবাসী।
