নারায়ণগঞ্জ আড়াই হাজার শশুর বাড়ির লোকদের অত্যাচারে গৃহ বধুর আত্ত্বহত্যা-থানায় ইউডি মামলা

0
1066

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ নারায়ণগঞ্জ আড়াইহাজার উপজেলা খাককান্দা ইউপি কাইলমোড়া গ্রামের শশুর বাড়ীর লোকদের অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে পারভীন আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধু আত্ব্যহত্যা করেছে। থানায় আত্ব্যহত্যা মামলা হয়েছে। মামলা নং-১৪ তারিখ ২৯/১০/২০১৬ইং। এ ব্যপারে নিহতের বড় ভাই অভিযোগ করেন যে, গত ৬ বছর পূর্বে কাইলমোড়া গ্রামের ডাঃ সুরুজ মিয়ার বড় ছেলে সখাওয়াত হোসেন (৩২) এর সাথে বন্দর ফুলহর গ্রামের ইয়ানুছ মিয়ার ছোট মেয়ে পারভীন আক্তারের সাথে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পরেই তাদের সংসারে একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। বর্তমানে তার বয়স সাড়ে চার বছর। নাম ফাহিম হোসেন। এর কিছুদিন না যেতেই শশুর বাড়ির লোকজন স্ত্রী পারভীন এর পরিবারের কাছ থেকে দুই লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করে। সেই যৌতুকের টাকা অসহায় পিতা পূরণ করতে না পারায় বিভিন্নভাবে পারভীনের উপর শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন চালায়। পরে অসহায় পিতা ইয়ানুছ মিয়া মেয়ের সুখের কথা ভেবে ধার দেনা করে তাদের দাবিকৃত যৌতুকের দুই লক্ষ টাকা শুশুরের হাতে তুলে দেন। পূরণকৃত টাকা পেয়ে ডাঃ সুরুজ মিয়া তার ছেলে শাখাওয়াত হোসেনকে মালেশিয়া পাঠায়।  পারভীনের স্বামী মালোশিয়া থাকা সত্বেও শশুর বাড়ির লোকজন আবারো দুই লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে। সেই টাকা পূরণ করতে না পারায় আবারো পারভীনকে স্বামীর অনুপস্থীতে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিক নির্যাতন করে। পরে ২৮-১০-২০১৬ইং তারিখ বেলা আনুমানিক ৩ ঘটিকায় সময় পারভীন বিষ পান করিয়াছে বলে স্বামীর বাড়ির লোকজন আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করিয়াছে মর্মে বড় ভাই মঞ্জুর হোসেনকে মোবাইল ফোনেন মাধ্যম্যে সংবাদ দেয়। খবর পেয়ে বড় ভাই ও আত্বীয় স্বজন ছুটে যান উক্ত হাসপাতালে। সেখানে গিয়ে শশুর বাড়ির লোকজন কাউকে দেখতে না পেয়ে তার বোনের অবস্থা অবনতির হওয়ায় হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাঃ বড় ভাই মঞ্জুর হোসেনের মাধ্যমে তাকে উন্নত চিকিৎসা করার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রেরণ করে। ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়ার পর হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার একই তারিখ সন্ধ্যা ৭.০০ ঘটিকার সময় মৃত গোষনা করেন। সেখানে শাহবাগ থানার এস আই আনোয়ারুল ইসলাম পারভীনের মৃত দেহের সুরুতহাল রিপোর্ট প্রেরণ করেন।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here