ডিজিটাল ভন্ড মহিলা ফকির সুমি ॥ সর্বস্বান্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ ॥ শেল্টারে মুগদা থানা

1

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 23260

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (23260, 'post_views_count', '0')

0

তাসমিয়া জেসমিন ঃ
রাজধানী ঢাকার বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিল সংলগ্ন মুগদা, মান্ডা, মানিক নগর, গোপীবাগ, টিটিপাড়া,কমলাপুর জিআরপি এবং মুগদা থানাধীন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। ওইসব এলাকাগুলোতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষে ভরপুর। তেমনি এখানে অন্যায় অপরাধের মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অধিক। বিশেষ করে মুগদা, মান্ডা, মানিকনগরে প্রায় প্রতিটি গলিতেই মাদক, অসামাজিক কার্যকলাপ, মানব পাচার ব্যবসার নামে লাইসেন্সবিহীন এজেন্সী, ভূয়া ঠিকাদার, আবাসন ব্যবসার নামে ভূয়া কোম্পানী প্রভৃতি অনৈতিক ব্যবসার ছড়াছড়ি। চুরি, ডাকাতি, খুন, মারামারি, দাঙ্গা-হাঙ্গামা এই এলাকাগুলোতে নিত্য সঙ্গী। ভন্ড পীর ফকিরেরও এখানে অভাব নেই। সম্প্রতি দক্ষিণ মুগদা এলাকায় জোছনা আকতার সুমি নামের এমন একজন ভন্ড ফকিরের আসল রূপ ধরা পড়ে।

Advertisement

অনুসন্ধানে জানা যায়, কথিত উক্ত ফকির মহিলা এক সময় গার্মেন্টস কর্মী ছিলেন। পরে চাকুরি ছেড়ে দিয়ে টিটি পাড়া মোড়ে চা বিক্রি করতেন। এখন তিনি মানুষকে তাবিজ কবজ ঝাড়-ফুঁক করে থাকেন। কথিত মহিলা ফকির সুমির দু’হাতের দশ আঙ্গুলে ৬টি আংটি, একহাতে চুড়ি অন্যহাতে ব্রেসলাইট, পায়ে নুপুর এবং ৪টি রিং পরা আলট্রামডার্ণ উক্ত ফকির অসামাজিক কাজ এবং মাদক চালান বহনের সাথে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। একাধিক অপরাধের হোতা উক্ত ফকির মহিলা ঝাড়-ফুঁকের নামে সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। প্রতিদিন তিনি গড়ে দেড় শতাধীক রোগী দেখেন বলে জানা গেছে।
তার বিভিন্ন অপকর্মের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, এখানে তার কোন কারিশমা নেই। সবই উপর ওয়ালার ইচ্ছা। তিনি জ্বিন হাজির করেন এবং সেই জি¦নের মাধ্যমে তিনি মানুষকে তাবিজ-কবজ দিয়ে থাকেন। তিনি পবিত্র কোরআনের দোহাও দেন। অথচ তিনি বলতে পারে না কোন সূরা কোরআনের কত নম্বর আয়াত বা প্যারায় আছে। তার লাইসেন্স বা কোন প্রকার সরকারী অনুমতি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি সংশ্লিষ্ট থানাকে ম্যানেজ করেই এই ব্যবসা পরিচালনা করছেন। প্রতিদিনই থানা থেকে লোক এসে তার নিকট থেকে চুক্তি মাফিক টাকা নিয়ে যায়।
এবিষয়ে এলাকাবাসী কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা জানান, এসবে আমরা অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি, কারণ এখানে টাকা যার রাজ্য তার। আমরা অভিযোগ নিয়ে গেলে উল্টোটা হয়। গাঁজা, ইয়াবা বা অন্য মাদকের মিথ্যা মামলায় হয়রাণির শিকার হতে হয়।
উক্ত ভন্ড মহিলা ফকিরের আরও বিভিন্ন অপকর্মের তথ্যানুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here