পুলিশ জনগনের বন্দ্বু, কথাটি পুরোপুরি সত্যি এ মতের কোন বিকল্প যুক্তি নেই। কিন্তু এক শ্রেনীর অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা আছে যারা পুলিশ নামের কলঙ্ক। যা রাস্তায় নামলেই বুঝার দেখার আর বাঁকী থাকেনা, চেকিংয়ের নামে যাদের গাড়ীর যাবতীয় কাগজপত্র আছে তাদের ক্ষেত্রেও আইনের ফাঁকফোকরে ব্যাপক চাঁদাবাজি, হয়রানী আর যাত্রীদের পড়তে হয় বিব্রান্তিতে।সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে মন্ত্রী এমপিদের কাছে ও তা দিনের আলোর মত স্পস্ট। পুলিশ ধরেছে টাকা দাও ছেড়ে দিবে, পুলিশ মানে টাকা/ঘুষ। দেশের আইন বিশ্লেষকগন বলেন, রাস্তার প্রকট যানজটের উল্লেখযোগ্য কারন পুলিশের চাঁদাবাজি। গেল ঈদের আগে এমন অনেক সতর্কতার বার্তা পুলিশ অফিসারদের দিলেও ভয়াভহ যানজটের কবলে পড়ে লাখ লাখ মানুষ, সারি সারি গাড়ী থাকে মাইলের পর মাইল। কর্ণপাত হয়নি এসব অসাধু কর্মকর্তাদের। রাস্তায় গাড়ী দাড়ঁ করিয়ে তারা কাগজ পত্র সহ প্রয়োজনীয় চেকিংয়ের নামে করছে নিজেদের পকেট ভারী। তেমনি এক অসাধু ট্রাপিক পুলিশের চাঁদাবাজি করার চেষ্টা করে যেভাবে চড়াও হয়, সাংবাদিকের উপর তার ছবিতে তা দৃশ্যমান। গত ১০/১০/১৬ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ১০টা থেকে ১১টার দিকে নিজ বাসা হতে সিএনজিতে করে রামপুরা রোড দিয়ে মতিঝিল পত্রিকা অফিসের উদ্যেশ্যে রওনা দেয় সিঃ সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ গাড়ীটি যখন চৌধুরী পাড়া আবুল হোটেলের বিপরীত রোডে (বাম) ঢোকে ঠিক ১টিগাড়ী গ্যারেজ এবং মা অটোর সামনে ট্রাপিক পুলিশ শাহেদ ও তার সহযোগী গাড়ীটি দাড় করিয়ে কাগজ পত্র চাইলে সাথে সাথে চালক তার সকল কাগজ পত্র নিয়ে দেখালে কোন সমস্যা না পেয়ে সামনের লাইটে কেন রং নেই সে জন্যে সরাসরি শাহেদ চালকের কাছে টাকা দাবী করলে চালক নিজের কাছে না থাকায় উক্ত সাংবাদিকের কাছে কিছু টাকা লাগবে বলে জানালে সাংবাদিক সিএনজি গাড়ী থেকে নেমে ট্রাপিক সাহেদ ও তার সহযোগীর কাছে গিয়ে কি সমস্যা জিজ্ঞাশা করলে তারা বলে লাইটের রং নেই, টাকা না দিলে মামলা দিব। উক্ত সাংবাদিক পরিচয় না দিয়ে টাকা চাইবেন কেন, জিজ্ঞাশা করতে গেলে শাহেদ তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং এক পর্য্যায়ে সাংবাদিকের উপর উত্তেজিতভাবে চড়াও হয়ে উঠে তখন সাংবাদিক তার পেশার পরিচয় দিলে শাহেদ বলে এমন অনেক সাংবাদিককে আমি দেখিয়ে দিয়েছি। আমার কাজে বাধা দিলে আমি কাউকে ছাড় দিনা। উপায় অন্তর না পেয়ে শাহেদ গাড়ীর নামে লাইটে রং দেয়নি তাই মামলা দিয়ে দেয়। বিষয়টি সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বোতন কর্মকর্তাকে অবহিত করলে উক্ত কর্মকর্তা তার সাথে মোবাইলে কথা বললে শাহেদ সম্পূর্নভাবে অস্বিকার করে ফোনটি রেখে আমার খুটির জোর এত দুর্বল নয় স্যার আমার প্রতি আগে থেকেই দুর্বল এসব বলে কোন লাভ হবে না। ঘুষ দিয়ে চাকরী নিয়েছি ঘুষ নিয়েই সেই টাকা উঠাবো। তারপর দেখা যাবে আর ঘুষ খাবো কিনা। এটাই আসল সত্য। যেহেতু সব জেনে গেছেন তাহলেতো গোপন করে কোন লাভ নেই। শাহেদের দাম্ভিকতা আসলেই ভাবিয়ে তুলছে আমাদের সমাজের কেন এত নৈতিক অবক্ষয়। আইনের পোষাক পড়ে এসব কথা বলার সাহস আসে কিভাবে, শাহেদের এত প্রভাব কিভাবে, তার খুঁটির জোর কি এতই মঝবুত যে তার ঘুষের কাছে মাথা নত করতে হবে। আইনকে সাংবাদিকরা শ্রদ্বা করে কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, হয় টাকা না হয় মামলা। ট্রাপিক শাহেদের ছবিই কথা বলে তার দাম্ভিকতা, তাকে অপরাধ আর চাাঁদাবাজি ঘৃন্যতার শীর্ষে তুলে নিয়েছে তাই পুলিশে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করবে শাহেদের মত ট্রাপিক পুলিশ এ সুযোগ দেয়া যায়না। তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে বন্দ্ব হবে তার সকল অপকর্ম। তাই সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বোতন কর্মকর্তাসহ পুলিশের আইজি মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করে ট্রাপিক শাহেদের মতো কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহনের উদ্যোগ গ্রহন করবে বলে সাধারন জনগন আশা করছে। তদন্ত চলছে পরবর্তী সংখ্যাতেও প্রকাশ হবে এমন অনেক অজানা অচেনা অপরাধ, অপরাধীদের গুরুত্বপুর্ন সব তথ্য।
