অপরাধ বিচিত্রা:
বন্দর থানাধীন ৩৮ নং ওয়ার্ডে বাই লেইনে চলাচল কারি টেম্পো এবং সিএনজি সাধারন যাত্রীদের চলাচলের একমাত্র বাহন গুলি কবে নাগাদ তাদের বিআরটিএ কর্তৃক গাড়ীর কাজপত্র হালনাগাদ করেছে তার কোন তারিখ নিদিষ্ট করে বলা যাবে না, অধিকাংশ গাড়ী বাইলেইন গুলোতে চলাচল করে সাধারন যাত্রীদের আসা যাওয়া ভোগান্তি মিটলেও কিন্তু সরকার হাজার হাজার টাকা রাজত্ব থেকে বঞ্চিত।
সম্পতি ৩৭নং ওয়ার্ডস্থ আনন্দ বাজার থেকে প্রি-পোর্ট পর্যন্ত ৬০ থেকে ৭০ টি টেম্পু, ২০০ থেকে ৩৫০ টি সিএনজি এর অধিক বর্ণিত সড়ক গুলোতে প্রতিদিন চলাচল করছে, এর মধ্য দেখা যায় কতিপয় নামধারি চাঁদাবাজী নেতার সহযোগিতায় মোটা অংকের উৎকোচ/চাঁদা নিয়ে বর্নিত সংখায় বাহন গুলোতে একটি সাদা কাগজে ওয়ে বিল দিয়ে যাত্রীদের সেবায় নিয়োজিত। অধিকাংশ ক্ষেত্রে চাঁদার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে শারীরিক ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার অপব্যবহার করে আসছে দীর্ঘদিন। সরজমিনে দেখা গেছে প্রতিটি সিএনজি থেকে ২৭০ টাকা, টেম্পো থেকে ১২০ টাকা এবং সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ ব্যাটারি চালিত রিক্সা থেকে প্রতিদিন ৩০ টাকা করে চাঁদা উত্তোলন করা হয়। তাদের নির্দিষ্ট কোন সংগঠন বা শ্রমিক বা মালিক সমিতি নাই। চলাচলকারি উক্ত গাড়ীগুলার কোন ধরনের সরকারি বৈধতা মূলক কাগজপত্র নেই বললেই চলে এবং ড্রাইভারের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন ‘এই রোডে গাড়ী চালাতে হলে কোন ধরনের কাগজপত্র বা ড্রাইভিং লাইসেন্স এর প্রয়োজন হয় না। তারা আরো বলেন এগুলো দেখার মত কোন প্রশাসন নেই। যদিও কোন সময় কোন সমস্যা হয় তাহলে আমাদের নেতারা নিজেই মিটমাট করে নেয়।’ এক পর্যায়ে ড্রাইভারদের কাছে নেতাদের নাম জিজ্ঞাসা করা হলে তারা নাম বলতে অনিচ্ছুক বা অনিহা প্রকাশ করে। বিআরটিএ সূত্রে জানা যায় ১৯৯১ সালের ২৩ জুন ১৪৪১নং রেজিষ্ট্রেশন চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন অটো টেম্পো শ্রমিক ইউনিয়ন কর্তৃক বিআরটিএ ও পুলিশ প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ৯ নং রোড নাম করণে ৩১ থেকে ৪০ টি টেম্পো সরকারি রাজস¦ পরিশোধ করে যাত্রী সেবায় নিয়োজিত ছিলেন বলেই চলে। ৩৮নং ওয়ার্ড, কলসী দীঘি রোড এলাকার স্থানীয় কিছু দোকানদার এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অভিযোগ করেন-এভাবে চলতে থাকলে একসময় দেখা যাবে পুরা বন্দর এলাকা চাঁদাবাজির রাজত্বে পরিণত হয়েছে। জুয়া ও মাদকের গড ফাদারা উক্ত চাঁদাবাজির সাথে প্রত্যোক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে। ইপিজেড মোড়ে দায়িত্বরত থাকা সিএনজি, টমটম, টেম্পো গাড়ি নিয়ন্ত্রণকারী একজন বলেন আমি আমার নাম বলব না। নাম বললে আমার চাকরিটা থাকবেনা এবং আমাকে শারিরীক ভাবে জুলুম করা হবে ও যে কোনো মামলাতে আমাকে ফাঁসিয়ে দিতে পারে। কয়েকজন সিএনজি ড্রাইভারের সাথে কথা বললে তারা জানায় যে, আমরা যদি এ চাঁদাবাজির ব্যাপারে কিছু বলতে যায় তাহলে গাড়ী আর চালাতে দিবে না বিভিন্ন ভাবে হয়রানির শিকার করবে সে জন্যই আমরা যতটুকু চাঁদা আদায় করে তা তাদেরকে দিতে বাধ্য হই। এ চাঁদাবাজির ব্যাপারে ইপিজেড টিআই এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। যদি সঠিক তথ্য প্রমাণ আমার হাতে আসে তাহলে তা যথাযথ আইনের মাধ্যমে পদক্ষেপ নিব। সরেজমিনে দেখা যায় যে, প্রতি মাসে ইপিজেড টিআই ২০ হাজার টাকা উক্ত চাঁদাবাজদের কাছ থেকে পায়। সূত্রে আরো জানা যায় যে, মাধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাড়িঁর ইনচার্জ আবদুর রহিম মিয়াঁ ও প্রতিমাসে ১৫,০০০/- টাকা মাসোহারা পেয়ে থাকেন। আশে পাশে কয়েকটি রোডে ইট ও বালিবাহী ট্রাক বা মিনি ট্রাক ঢুকতে হলে মানিক ও তার মামা তোঁতা নামে একজন চাঁদাবাজকে চাঁদা দিয়ে ঢুকতে হয় সে উক্ত কলসি দিঘী রোডের শেষ মাথা বাকের আলী ফকিরের টেক থেকে পশ্চিমে সাগরপাড় রোডের যত লোক অন্য জেলা থেকে এসে জায়গা ক্রয় করে ঘর করতে চায় মানিক নামে চাঁদাবাজকে চাঁদা দিতে হয় এবং ইট, বালি, সিমেন্ট, রড এবং ঠিকাদার সবকিছু তাদের দুজনকেই দিতে হয় নাহলে সে একজনের জায়গায় অন্য জনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আরেকজনের কাছে কোন দলিলাদি ছাড়া দখল দিয়ে দেয় এবং নিজে দাঁড়িয়ে থেকে ভাড়া বাসার কাজ করিয়ে দেয় এ ব্যাপারে যারা ওখানকার ভাড়া বাসার মালিক তারা কেউ তার নামে কোন অভিযোগ করতে সাহস করেনা তাকে সেল্টার দেয় থানা পুলিশ ও সন্ত্রাসী মানিকের নিজের বাবা।
চাঁদাবাজ মানিক আরো বলে এই রোড গুলো আমাদের বাপ দাদার পৈত্রিক সম্পত্তির উপরে তাই টাকা না দিলে যার গাড়ী হোক না কেন রোডের কাজের জন্য ঐ চাঁদা আগে থেকে নির্ধারিত করা আছে তা দিতে হবে। খাজা খিজির রোডের পাশ্ব রাস্তার বেহাল দশার ব্যাপারে সে বলে আমাকে ৩লাখ টাকা দিলে রাস্তার কাজ হবে নাহলে স্বয়ং প্রধানমšী¿ আসলেও ঐ রাস্তার কাজ হবেনা।

