দেশে বর্তমানে গ্যাসের উৎপাদন ২৭৩ কোটি ঘনফুট, এর মধ্যে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনে লাগে ১২০ কোটি ঘনফুট * কয়লার দাম কমে টনপ্রতি ৩০-৪০ ডলারে চলে এসেছে, তাই সহজ জ্বালানি হিসেবে সব দেশই এখন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রকল্প নিচ্ছে
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) বলছে, গ্যাসভিত্তিক চলমান বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো চালু রাখতে হলে এখন বিদ্যুতের দামও বাড়াতে হবে। বিদ্যুতের দাম ২৭ শতাংশ বাড়াতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের কাছে ইতিমধ্যে প্রস্তাব জমা দিয়েছে পিডিবি।
জানা গেছে, ২০১৮ সালে ৫০০ মিলিয়ন এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) যোগ হওয়ার সম্ভাবনা আছে জাতীয় গ্রিডে। কিন্তু আমদানি করা এলএনজির ওই গ্যাসের দাম পড়বে প্রতি ইউনিট ১৪ টাকার বেশি। পাবনার রূপপুরে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র করার শুরুতে বলা হয়েছিল খরচ হবে ৬০০ কোটি টাকা। পরে ব্যয় বেড়ে হয়েছে ১২শ’ কোটি টাকা। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাশিয়া থেকে এই কেন্দ্রের জন্য নেয়া ঋণের সুদসহ এ কেন্দ্রটি চালু করতে সব মিলিয়ে খরচ ২০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে আর কমার সম্ভাবনা নেই। কাজেই তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রেও বিদ্যুতের দাম কমানোর সুযোগ নেই। এ অবস্থায় বিদ্যুতের দাম কমানোর একমাত্র জ্বালানি হচ্ছে কয়লা। অর্থাৎ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা।
সূত্র জানায়, ২০০৭ সালে প্রতি টন কয়লার দাম ছিল ১৩০ থেকে ১৪০ ডলার। দাম কমতে কমতে সেই কয়লার দাম এখন প্রতি টন ৩০-৪০ ডলারে নেমে এসেছে। ভারতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে খরচ হচ্ছে প্রতি ইউনিট ৩-৪ রুপি। বাংলাদেশেও দাম পড়বে গড়ে প্রতি ইউনিট ৫ থেকে সাড়ে ৫ টাকা। যদিও ভারতের আদানি গ্রুপের কাছ থেকে কয়লাভিত্তিক যে বিদ্যুৎ আমদানি করার চুক্তি হয়েছে সেখানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পড়েছে ৭.৬৯ মার্কিন সেন্ট।
কাজেই মূল্য এবং প্রাপ্যতার দিক থেকে বিচার করলে কয়লাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য জ্বালানি। উন্নত দেশগুলো বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি, চীন, জাপান, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত তাদের মোট বিদ্যুতের ৪০ থেকে ৯৮ শতাংশ উৎপাদন করে কয়লা দিয়ে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে মোট বিদ্যুতের ৪০ শতাংশ কয়লাভিত্তিক। জার্মানিতে ৪১ শতাংশ, জাপানে ২৭ শতাংশ, ভারতে ৬৮ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকায় ৯৩ শতাংশ, চীনে ৭৭ শতাংশ কয়লাভিত্তিক। অথচ বাংলাদেশে কয়লা দ্বারা উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ মাত্র ১ শতাংশের সামান্য বেশি (১.৩৩ ভাগ)।
পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, দেশের অব্যাহত বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ এবং যৌক্তিক মূল্যে গ্রাহকদের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর জন্য সরকার ইতিমধ্যে ২০ হাজার ৫৭ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক ২২টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াটের বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এগুলোর মধ্যে অন্যতম। কিন্তু রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে দেশের উন্নয়নবিরোধী একটি মহল বেশ কিছুদিন ধরে ভিত্তিহীন, কাল্পনিক ও মনগড়া বক্তব্য এবং তথ্য দিয়ে এ প্রকল্প সম্পর্কে মানুষের মনে এক ধরনের নেতিবাচক মনোভাব এবং ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা করে আসছে। সরকারের উচিত হবে অনতিবিলম্বে এদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া।
বিদ্যুৎ বিভাগের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজন সস্তা পরিবহন ব্যবস্থা। সে জন্য কয়লা খনির কাছাকাছি অথবা সমুদ্র উপকূল বা গভীরতসম্পন্ন নদীর তীরে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়ে থাকে। সে হিসেবে কয়লাভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপিত হবে সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় রামপাল, মাতারবাড়ি, পায়রা, আনোয়ারা, খুলনাসহ বিভিন্ন এলাকায়।
বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জায়গা নিয়েও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ১ হাজার ৮৩৪ একর জমির ওপর বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপিত হবে। আসলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য জায়গা নেয়া হয়েছে ৯১৫ একর। এর মধ্যে ৪৬৫ একরে মূল বিদ্যুৎ কেন্দ্র থাকবে। বাদবাকি জায়গায় সোলার প্যানেল বসবে এবং সবুজায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, মিথ্যা প্রচারণায় বলা হচ্ছে, যে স্থানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে সেখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৩৮২ জন। আট হাজারের বেশি মানুষকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। জমি তিন ফসলি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এলাকাটিতে মানুষের কোনো স্থায়ী বসতি ছিল না। কোনো বসতিও উচ্ছেদ করা হয়নি। নিচু আর পতিত জমি মাটি ভরাট করে উঁচু করা হয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, কতিপয় ভুঁইফোড় সংগঠন ও কথিত বুদ্ধিজীবীরা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিশেষ করে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বন্ধ করতে আন্দোলনে নেমেছে। তারা বলছে, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য পশুর নদী থেকে প্রতি ঘণ্টায় ১৪৪ কিউসেক পানি নেয়া হবে। ব্যবহারের পর সেই পানি নাকি পরিবেশ দূষণ করবে। কিন্তু এই প্রপাগান্ডা সঠিক নয়। বাস্তবে পশুর নদীর পানিতে লবণ আছে। সেই পানি শোধন করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহার করা হবে। ব্যবহৃত পানি শীতল করে পুনরায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহার করা হবে। কোনো দূষিত বা গরম পানি পশুর নদীতে ফেলা হবে না। যে পরিমাণ পানি উত্তোলন করা হবে তা অত্যন্ত নগণ্য। শুষ্ক মৌসুমে পশুর নদীর প্রবাহের মাত্র (০.০৫ ভাগ) দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ অর্থাৎ ২ হাজার ভাগের এক ভাগ পানির প্রয়োজন হবে। সরকার ইতিমধ্যে পশুর নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত ড্রেজিংয়ের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। পানি চলাচল বাড়ানোর প্রকল্প নিয়েছে। নাব্যতা বৃদ্ধি পেলে মংলা বন্দরে নৌযান চলাচল বৃদ্ধি পাবে। আয় অনেকগুণ বৃদ্ধি পাবে।
মিথ্যা প্রচারণায় বলা হচ্ছে, কয়লা পরিবহনের সময় সুন্দরবন এলাকায় শব্দ দূষণ, আলো দূষণ হবে। কিন্তু এ তথ্যও সঠিক নয়। শব্দ ও আলো দূষণ সর্বনিন্ম পর্যায়ে রাখার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গভীর সমুদ্র থেকে কাভার্ড বার্জে কয়লা পরিবহন করা হবে। বার্জে ব্যবহৃত হবে ঢাকনাযুক্ত কম শব্দযুক্ত ইঞ্জিন। ফলে পরিবেশ দূষণের কোনো সম্ভাবনা নেই। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ করার ব্যবস্থা থাকবে। ১৪ কিলোমিটার দূরে শব্দ যাবে না। ২০০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি ব্যবস্থাপনা পরিচালক উজ্জ্বল ভট্টাচার্য যুগান্তরকে বলেন, একটি সাধারণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লা পোড়ানোর দক্ষতা যেখানে ২৮ শতাংশ, সেখানে আলট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল পাওয়ার প্ল্যান্টের দক্ষতা ৪২-৪৩ শতাংশ। অর্থাৎ একই পরিমাণ কয়লা পুড়িয়ে আমরা দেড় গুণ বিদ্যুৎ পাব। সবচেয়ে গুণগত মানসম্পন্ন কয়লা এখানে ব্যবহার করা হবে। কয়লা আমদানি করা হবে অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে। দূষণ প্রতিরোধে সর্বাধুনিক যত ধরনের প্রযুক্তি পাওয়া যায় সেগুলো আমরা ব্যবহার নিশ্চিত করব। ফ্লু গ্যাস টেম্পারেচার, নাইট্রোজেন, সালফার ডাইঅক্সাইড কার্বন ডাইঅক্সাইড ইত্যাদির নিঃসরণ পর্যবেক্ষণের জন্য রিয়েল টাইম কন্টিনিউয়াস এমিশন মনিটরিং সিস্টেম থাকবে। যাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া যাবে। পাশাপাশি অন্যান্য দূষণ নিয়ন্ত্রণকারী যন্ত্রপাতি বসানো হবে।
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ইলেকট্রো স্ট্যাটিক প্রিসিপিটেটর (ইএসপি) থাকবে, যা উদ্গীরণকৃত ফ্লাই অ্যাসের ৯৯.৯৯ শতাংশ ধরে রাখতে সক্ষম হবে। এই ছাই সিমেন্ট ফ্যাক্টরিতে ব্যবহৃত হবে। একইভাবে এফজিডি স্থাপনের ফলে ৯৬ শতাংশ সালফার গ্যাস শোষিত হবে। এই সালফার গ্যাস থেকে জিপসাম সার তৈরি হবে। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চিমনির উচ্চতা হবে ২৭৫ মিটার। এই চিমনি দিয়ে যে কার্বন ডাইঅক্সাইড বের হবে তা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১.৬ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। অন্য যেসব গ্যাস সামান্য পরিমাণে বের হবে সেগুলোর ঘনত্ব বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বীকৃত মাত্রার চেয়ে অনেক কম থাকবে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, যারা বলে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবেশ এবং প্রতিবেশের ক্ষতি করে তাদের বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র ঘুরে আসা দরকার। বড়পুকুরিয়া একটি সাব-ক্রিটিক্যাল পাওয়ার প্ল্যান্ট। সাব-ক্রিটিক্যাল এবং আলট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্ল্যান্টের মধ্যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে। সাব-ক্রিটিক্যালের তুলনায় সুপারক্রিটিক্যালে ৪০ শতাংশ কার্বন, সালফার ও নাইট্রোজেন গ্যাস নিঃসরণ কম হয়। আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্ল্যান্টে যে কোনো দূষণের মাত্রা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। সাব-ক্রিটিক্যাল প্ল্যান্ট ব্যবহার করলেও ঘনবসতি এবং সবুজে ঘেরা বড়পুকুরিয়া এলাকায় বিগত দশ বছরে পরিবেশ এবং জনজীবনে কোনো বিরূপ প্রভাব পড়েনি। উল্টো সেখানকার জমি আরও উর্বর হয়েছে। ফসল ভালো হচ্ছে। বিশ্বের বহু দেশে বনভূমির মাঝখানে, শহরের মধ্যে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।
যুগান্তরের অনুসন্ধানে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে ১৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট ওই এলাকার ন্যাশনাল পার্কের মাত্র এক কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত। ২০১৫ সালে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার মোট বিদ্যুতের ৯৪ শতাংশ কয়লা থেকে উৎপন্ন হয়েছে। ভিয়েতনামের ১২শ’ মেগাওয়াট ক্ষমতার কুয়াং নিন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি হ্যালং বে (ইউনেস্কো ঐতিহ্য) এর মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। জাপানের ইয়োকোহামার ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইসোগো বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি তাদের আবাসিক এলাকার পাশে অবস্থিত। তাইওয়ানের ৫৫০০ মেগাওয়াটের তাইচুং বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। জার্মানির ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার জলিং বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ২০০০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র অ্যামপার নাটুরার বিশেষায়িত সংরক্ষিত এলাকা থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে অবস্থিত। এ ছাড়া জার্মানির ৭৫০ মেগাওয়াটের হেইলব্রোন হ্যাফেন বিদ্যুৎ কেন্দ্র, জার্মানির শহর সংলগ্ন এবং নদীতীরবর্তী স্থানে অবস্থিত। এ ছাড়া ১৬০০ মেগাওয়াটের ক্রাফটওয়ার্ক-মুরবার্গ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি জার্মানি শহর সংলগ্ন এবং নদীর তীরে। ১৪৬২ মেগাওয়াটের রেইনহফেন ড্যাম্ফক্রাফট বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি জার্মানির শহর সংলগ্ন এবং নদীর তীরবর্তী স্থানে অবস্থিত। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এরকম শত শত বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে যেগুলো বনাঞ্চলে বা ঘনবসতি এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু কোনো দেশে কেউ এসব নিয়ে এমন বিতর্কিত হইচই করে না। শুধু আমাদের দেশের কতিপয় জ্ঞানপাপী ষড়যন্ত্রকারীরা অহেতুক দেশের অগ্রগতির বিরুদ্ধে হইচই করছেন। যার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।
