নবী করিম (সা:) এর জীবনী পড়ে মু’গ্ধ হয়ে ই’সলাম ধর্ম গ্র’হণ করেছেন কলেজের এক হিন্দু ছাত্রী। স’ম্প্রতি বরিশাল সিনিয়র জু’ডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হলফনামা (এফিডেভিট) দিয়ে স’নাতন ধর্ম ত্যা’গ করে মুসলমান হয়েছেন। মনিকা রানী কর্মকার (২২) নামে ওই ছাত্রী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করায় তার প’রিবার ও স্বজনরা সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।মাদ্রাসার হুজুর মনিকা রানী কর্মকার তার নাম বদল করে আফিয়া সিদ্দিকা আফরাহ্ রেখেছেন।
আফিয়া সিদ্দিকা আফরাহ্ মুলাদী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুকুমার চন্দ্র কর্মকারের মেয়ে। তিনি বরিশাল সরকারি মহিলা ক’লেজের অনার্স তৃতীয় বিভাগের ছাত্রী। পাশাপশি আফিয়া মুলাদী পৌর শহরে হ’লিচাইল্ড নামে একটি কি’ন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতা করেন।
মনিকা রানী কর্মকার নামে ওই শিক্ষার্থী গত ২৭ সেপ্টেম্বর বরিশাল সি’নিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এনায়েত উল্লাহ’র আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে ধর্ম প’রিবর্তনের জন্য হলফনামা (এফিডেভিট) দেন।এফিডেভিট এ উল্লেখ করা হয়, তিনি (মনিকা রানী কর্মকার) প্রাপ্ত বয়স্ক। ছো’টবেলা থেকে মুসলিম প্রতিবেশী ও বা’ন্ধবীদের সঙ্গে উঠাবসা ও চ’লাফেরার কারনে তাদের থেকে মু’সলিম ধর্ম সম্পর্কে জানতে পারেন।
এছাড়া ওয়াজ টেলিভিশন ও ধর্মীয় আলোচনা শুনে ইসলাম ধর্মের প্রতি আগ্রহী হই। মুসলিম ধর্মের ন্যায় পরায়নতা, সততা, শান্তিময় ও পবিত্র জীবন এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবনী ও হাদিস তাকে মুগ্ধ করে তাকে।এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি ও পরিচিত মুসলিম বান্ধবিদের এবং অন্যান্য ব্যক্তিদের তার সি’দ্ধান্তের কথা জানান। পরবর্তীতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেই। ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা এড়াতে আ’দালতের মাধ্যমে হ’লফনামা সম্পাদন করেন তিনি।
এরপর তিনি ইসলাম ধর্মের রী’তিনীতি অনুযায়ী পবিত্র হয়ে স্থানীয় ম’সজিদের ইমাম সাহেবের কাছে গিয়ে কালেমা পড়ে মুসলমান হয়েছেন।আফিয়া সিদ্দিকা আফরাহ্ বাবা সুকুমার চন্দ্র কর্মকার জানান, আমার মেয়ে ধর্ম প’রিবর্তনের বিষয়টি জানা ছিল না।
তিনদিন আগে মনিকা (বর্তমানে আফিয়া) বিষয়টি আমাকে জা’নায়। এরপর সে বাড়ি থেকে চলে যায়। তখন আমার মাথায় কোন কাজ করছিল না। তাকে বোঝানোর চে’স্টা করেছি মনিকা আমাকে বলে আমি আল্লাহ ও আল্লাহ রাসূলগনের ইমান এনেছি যাতে আমি সেই কঠিন দিনে জাহান্নাম থেকে বাচতে পারি

