হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ বিআরটিএ অফিসের দালালদের দৌরাত্ম যেন কোন কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না। জেলা প্রশাসনের একের পর এক অভিযানও রুখতে পারছে না তাদের। অভিযানের পর পর কিছুদিন বিআরটিএ অফিসে প্রকাশ্যে না গেলেও অফিসের বড় কর্তা ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে ঠিকই যোগাযোগ রেখে ফায়দা হাসিল করছে চক্রটি। আর এর মাধ্যম হিসেবে কাজ করছেন অফিসটির কিছু অসাধু কর্মচারী। এমতাবস্থায় অফিসটিতে সেবা নিতে যাওয়া গ্রাহকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অফিস সহায়ক বিভিন্ন নামের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী দালাল সিন্ডিকেট। অনেকটা কমকর্তারা দালালদের নিয়ন্ত্রন করে থাকেন। গ্রাহকদের অভিযোগ, লাইসেন্সসহ যে কোন যানবাহনের কাগজপত্র নিয়ে অফিসে সরাসরি যোগাযোগ করলে কোন পাত্তাই দেন না অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। পরে একই কাগজপত্র দালালদের মাধ্যমে প্রেরণ করা হলে ফাইল বন্দি হয় কাগজপত্র।
আর এতে করে ৩ হাজার টাকা স্থলে দালালদের দিতে হয় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। বড় যানবাহনের কাগজপত্রের জন্যও নির্ধারিত টাকার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বেশি দিতে হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিআরটিএ অফিসে রয়েছে দালালদের এক বিশাল সিন্ডিকেট। আর এ সিন্ডিকেটের সদস্যদের সাথে সখ্যতা রয়েছে অফিসটির কর্মকর্তা কর্মচারীদের। দালালদের অনুসন্ধান করতে গিয়ে যাদের নাম বেড়িয়ে এসেছে তারা হল,, জাকারিয়া,তারেক হাবিব, টিপু,
দীপক, ননী, পাঞ্জু, শফিক ও সাহিদসহ আরো ৮/১০ জন দালাল। গ্রাহকদের অভিযোগ, বিআরটিএ অফিসের মতিউরসহ একাধিক ব্যক্তিদের সাথে দালালদের সখ্যতা রয়েছে। তারাই দালালদের সহযোগীতা করছে বলে অভিযোগ সেবাপ্রার্থীদের।
অফিসটিতে সেবা নিতে আসা গ্রাহকদের দাবী অচিরেই যদি দালাল চক্রটি নিয়ন্ত্রন করা না যায় তা হলে তারা দিন দিন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠবে। তাই এ বিষয়ে জেলা প্রশাসের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন অনেকেই অপরাধ বিচিত্রা অনুসন্ধান চলমান থাকবে।

