স্টাফ রিপোর্টার ঃ সমগ্র নন্দীপাড়া, গোলার বাড়ি, বড় ও ছোট বটতলা, ত্রিমোহনী ও নাসিরাবাদ গুদারাঘাট শেষ মাথা পর্যন্ত, পূর্ব ও পশ্চিম নন্দীপাড়া, আলীর ক্যাম্প এমনকি দক্ষিনগাঁও এলাকা জুড়ে সোর্স শহীদের শেল্টারে চলছে নারী ও মাদকের রমরমা ব্যবসা। সাথে তারই শালী পরিচয় প্রদানকারী কথিত স্ত্রী সোহাগী নিয়মিতভাবে চুলের খোপায়, কোমড়ে আর গোপনঙ্গে প্রতিদিন বহন করে শত শত ইয়াবা। নন্দীপাড়ার শুকুর আলীর খামার সংলগ্ন বালুর মাঠে পাগলা সোহেলের রক্ষিতা শিল্পি স্বামী: নাজমুল (ইয়াবা ডিলার) ময়ুরি দেহ ব্যবসায়ী, পাখি দেহ ব্যবসায়ী, দেহ ব্যবসায়ী রিমা, সালমা ও মুন্নি (স্বামীঃ রাসেল) ছাত্রী পরিচয় প্রদানকারী, সাংবাদিককে জানায় খিলগাঁও থানার ওসিসহ এসআই মজিবর, এসআই আনিস, এসআই রফিক, এসআই কাদেরকে নিয়মিত টাকা দিয়ে ব্যবসা করে আসছি। প্রশাসন ছাড়াও অস্ত্র ব্যবসায়ী শাহীন ভাই, পাগলা সোহেল, মার্শাল ভাই (ইদ্রিছ মাদবরের ছোট ছেলে ইয়াবা ডিলার) রাকিব, আমিনুল, আজিজ, বাঘা ওরফে সুমনের ছোট ভাই, সুমন, বাবু, আকাশ, রাসেল, পিন্টু, মিন্টু, মোস্তফা, যুবলীগ নেতা মকবুলের ছোট ছেলে সজল ও নারী ব্যবসায়ী খোকন, রিকশার গ্যারেজ মালিক জজ মিয়া, কাইল্লা মনির আমাদের সকল প্রকার সহযোগিতা করে থাকে। বিনিময়ে তাদেরকে আমরা নারী ও টাকা দেই কারন তারা ক্যাডার ও সন্ত্রাসী, এমনকি ফরমা যত আছে খিলগাঁও, সবুজবাগ ও রামপুরার তারা আমাদের এখানে এসে সন্ধ্যার পরে নিয়মিত কেরামবোর্ড খেলে ও গোপন আস্তানায় ফুর্তি করে ভোরে চলে যায়। লেখালেখি করে কী লাভ হবে বলুন? প্রশাসন যদি ভাল হত তবে আমরা এধরনের অসামাজিক কাজে জড়িত হতে পারতাম না। এলাকাবাসী দাবি করেন প্রশাসনের লোকজন যদি নিয়মিতভাবে এদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিত এবং অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে না দিত তাহলে আমাদের নন্দীপাড়ার সমাজ ব্যবস্থা সুন্দর হত। ওসিকে আরও কঠোর ভূমিকা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন নন্দীপাড়া ও নাসিরাবাদ ইউনিয়ন এলাকাবাসী।
