জাকিয়া সুলতানা: সোনারগাঁ উপজেলার চারিপাশে হাটে, মাঠে, অলি গলিতে পাড়া মহল্লায় বিভিন্ন স্থানে মদ, ফেনসিডিল, গাঁজা, ইয়াবা সহ মাদকের ছড়াছড়ি হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে মাদক নেশা।মাদকের ভয়ালো থাবায় জড়িয়ে বিপদগামী হয়ে পড়ছিল স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী সহ যুব সমাজের তরুনরা। মাদক প্রতিরোধে সম্প্রতি উপজেলার প্রশাসন ওথানা পুলিশের ভূমিকায় জনমনে অনেকটা স্বতি এসেছে।মাদক প্রতিরোধে সোনারগাঁ থানা পুলিশের অভিযানে বিগত ২০১৭সালের আগষ্ট থেকে ২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ৮মাসে উদ্ধার হয়েছে ২৭৭১০ পিস ইয়াবা, ১৪৭২ বোতল ফেনসিডিল, ১৩৫কেজি গাঁজা, ৩০২ক্যান বিয়ার, ১৭০লিটার চোরাই মদ সহ ৫টি বিদেশী পিস্তল। পুলিশ মাদক ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে আরো ৫৫জন মাদক ব্যাবসায়ী কে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেছেন। সম্প্রতি মাদক নিমূলে উপজেলার প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্বনয়ে সোনারগাঁ উপজেলার ১০ টি ইউনিয়ন ১টি পৌরসভার ৫৫৯ জন মাদকসেবী ও মাদক ব্যাবসায়ীদের নামের তালিকা তৈরি করেছেন।
খুব অচিরেই অভিযানে মাঠে নামবে বলে জানিয়েছে সোনারগাঁ থানাপুলিশ তবে মামলা ও মাদক প্রতিরোদের স্বার্থে এ ৫৫৯ জন মাদক ব্যাবসায়ীর নামের তালিকা প্রকাশ করেনি প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট সূএে জানাগেছে, চট্রগ্রাম, বি বাড়ীয়া ও কুমিল্লা সীমান্ত পথ দিয়ে ভারত থেকে আসা বিভিন্ন প্রকারের মাদকের চালান ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি গোমতি ও মেঘনা সেতু এলাকা এবং ঢাকা সিলেট মহাসড়কের কাঁচপুর ব্রীজ হয়ে নারায়ণগঞ্জ ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবারহ করা হয়। এভাবে প্রতিদিন মেঘনা ঘাট ও কাঁচপুর পয়েন্ট দিয়ে আসছে লাখ লাখ টাকার মাদকের চালান। যে কোন মাদক সহজ লভ্য হওয়ার কারনে স্কুল কলেজের তরুন সমাজের যুবকরা সহজেই জরিয়ে পড়ছে মাদকের মরন ছোবলে।স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অভিভাবকরা বেশি চিন্তিত। অনেকে মাদক আসক্ত হয়ে পড়া লেখা ছেড়ে দিয়ে মাদকের টাকা যোগার করতে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপরাধ অপকর্মে জরিয়ে পড়েছে। সোনারগাঁ থানার (ওসি)মোরশেদ আলম জানান,ইতিমধ্যে অনেক মাদকসেবী মাদক ব্যাবসায়ীদের গ্রেফতার করেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ এবং তাদের মাদক স্পট গুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন অভিভাবকরা সচেতন হোন পুলিশ কে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন।(সংবাদ যুগের চিন্তা)

