হযরত আবূ হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যেই ব্যক্তি কোন নামায পড়ে আর এতে সূরা ফাতিহা না পড়ে ইহা অসম্পূর্ণ, ইহা অসম্পূর্ণ ইহা অসম্পূর্ণ, পূর্ণ হয় না । তখন আমি বললাম, হে আবূ হুরায়রা! আমি অনেক সময় ইমামের পিছনে নামায আদায় করে থাকি, তিনি আমার বাহু টান দিয়ে বললেন, হে পারসিক (ইরানি)! তুমি ইহা মনে মনে পড়বে। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমি আমার ও আমার বান্দার মধ্যে নামায আধাআধি ভাগ করেছি। অতএব, এর অর্ধেক আমার জন্য আর অর্ধেক বান্দার জন্য। আর আমার বান্দার জন্য রয়েছে যা সে চায়। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা পড়। বান্দা যখন বলে, ‘আল্হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আ’লামীন’, তখন আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল। আর যখন বান্দা বলে, ‘আর রাহম- ানির রাহীম’, তখন আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমার বান্দা আমার স্তুতি বর্ণনা করল। আর বান্দা যখন বলে ‘মা লিকি ইয়াওমিদ্দীন’ তখন আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমার বান্দা আমার মর্যাদা বর্ণনা করল। আর বান্দা যখন বলে, “ইয়্যাকা না’বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তা’য়ীন’ তখন আল্লাহ তা’আলা বলেন, এই আয়াতটি আমার ও আমার বান্দার মধ্যে । আর আমার বান্দার জন্য ইহা-ই রয়েছে, যা সে চায়। বান্দা বলে, ‘ইহদিনাস সিরাত্বোয়াল মুস্তাকীম, সিরাত্বোয়াল্লাযীনা আন’আমতা ‘আলাইহিম, গাইরিল মাগদূবি আ’লাইহিম ওয়ালাদ দ্বোয়া-ল্লীন’, (তখন আল্লাহ তা’আলা বলেন) এই সবই আমার বান্দার জন্য । আর আমার বান্দার জন্য রয়েছে যাহা সে চায় ।

