হযরত আলী ইবনে আবু তালিব (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার বন্ধু আমাকে তিনটি কাজ হতে নিষেধ করেছেন। আমি বলি না যে, লোকদের নিষেধ করেছেন তিনি আমাকে নিষেধ করেছেন সোনার আংটি পরিধান করছে, রেশম মিশ্রিত কাপড়, কুসুম রংয়ের কাপড় এবং গাঢ় লাল রংয়ের কাপড় পরিধান করতে। আর আমি যেন রুকু এবং সিজদা অবস্থায় কুরআন পাঠ না করি।
হযরত আলী (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নিষেধ করেছেন, রুকূ এবং সিজদা অবস্থায় কুরআন পাঠ করতে। সিজদায় বেশি বেশি দোয়া করার নির্দেশ
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেই অসুখে ইনতিকাল করেন, সেই অসুস্থ অবস্থায় তিনি পর্দা খুলিলেন, তখন তাঁর মাথায় পট্টি বাঁধা ছিল। তিনি বললেন, হে আল্লাহ! আমি পৌঁছে দিয়াছি, এই কথা তিনবার বললেন। বস্তুত যথার্থ স্বপ্ন ব্যতীত নবুওয়তের সুসংবাদ হতে আর কিছুই বাকি রইল না। বান্দা উহা দেখে থাকে অথবা তাকে উহা দেখানো হয়। তোমরা শুনে রাখ, আমাকে রুকু এবং সিজদায় কিরাআত হতে নিষেধ করা হয়েছে। অতএব, যখন তোমরা রুকু করবে তখন তোমাদের রবের তা’যীম করবে। আর যখন তোমরা সিজদা করবে তখন তোমরা বেশি বেশি দোয়া করার চেষ্টা করবে। কেননা, ইহাই তোমাদের দোয়া কবুলের উপযুক্ত সময়।
হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) হইতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তোমাদের খালা মায়মুনা বিনতে হারিছের নিকট রাত্র যাপন করলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও তাঁর নিকট রাত্র যাপন করলেন। আমি তাঁকে দেখলাম, তিনি তাঁর প্রয়োজনে উঠে দাঁড়ালেন। তিনি পানির পাত্রের নিকট এসে তার ঢাকনা খুললেন। তার পর, তিনি উযু করলেন এক ধরনের (অর্থাৎ হাত ধুইলেন) পরে তিনি তাঁর বিছানায় এসে নিদ্রা গেলেন। এর পর তিনি পুনরায় ঘুম হতে জাগলেন এবং পানির পাত্রের নিকট এসে তার ঢাকনা খুলে পূর্ণ উযু করলেন (নামাযের উষুর ন্যায়)। অতঃপর দাঁড়িয়ে নামায পড়লেন এবং তিনি সিজদায় বলেছিলেন,
اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِي نُورًا وَاجْعَلْ فِي سَمْعِي نُورًا وَاجْعَلْ فِي بَصَرِي نُورًا وَاجْعَلْ مِنْ تَحْتِى نُورًا وَاجْعَلْ مِنْ فَوْقِى نُورًا وَعَنْ يَمِينِي نُورًا وَعَنْ يَسَارِي نُورًا وَاجْعَلْ أَمَامَى نُورًا وَاجْعَلْ خَلْفِى نُورًا وَاعْظِمْ لِى
نورا এর পর তিনি নিদ্রা গেলেন, এমন কি তিনি নাকের শব্দ করলেন। পরে বিলাল (রা.) আসিয়া তাঁকে নামাযের জন্য জাগালেন।

