বিভিন্ন কাজের ক্ষেত্রে যেখানে মানুষের ভিড় বেশি, সেখানে বাতাস চলাচল যেন বাধাগ্রস্ত না হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে বাতাস চলাচল স্বাভাবিক থাকলে সেখানে করোনাভাইরাসের ঘনত্ব কমে যায় সে কারণে এলাকা অনুপাতে সংক্রমণও কম হয় অফিস-আদালতে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে হবে শহরে যেসব এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষের বসবাস, সেসব এলাকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য প্রচারণা চালানো দরকার। ঈদের আগেই এসব বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ছিল। কোথাও নতুন করে সংক্রমণ বাড়ার তথ্য পাওয়া গেলে সে এলাকায় নজরদারি জোরদার করতে হবে।
করোনা মহামারি শেষ হয়ে যায়নি এক-দেড় মাসের মধ্যে আবারও আমরা নতুন করে করোনা সংক্রমণ দেখতে পাব। এ আশঙ্কা করছি, কারণ যারা করোনায় সংক্রমিত হয়ে সুস্থ হয়, তাদের শরীরে এই রোগের যে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়, তা তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত থাকে এরপর ক্রমে প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে।
টিকা নিলেও একই অবস্থা তৈরি হয়। প্রায় দুই মাস আগে আমাদের দেশে করোনা সংক্রণের ব্যাপকতা কমেছে। এ ধরনের সংক্রমণের ব্যাপকতা কমে যাওয়ার পর তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে আরেকটি ঢেউ আসার আশঙ্কা থাকে। সে জন্য আগামী এক-দেড় মাসের মধ্যে আবারও সংক্রমণ বাড়তে পারে ।
আর করোনার নতুন ধরন এলেও তার আগেই এ ঢেউ আসতে পারে। তবে করোনার নতুন ধরনের কথা এখনো শোনা যায়নি। দু-এক জায়গায় মিশ্র ধরন দেখা যাচ্ছে।
আর যারা এখনো করোনার টিকা নেয়নি, তাদের টিকা নিতে হবে। টিকায় সংক্রমণ ঠেকানো না গেলেও যারা টিকা নিয়েছে, তারা গুরুতর অসুস্থ হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। এই বিষয়গুলো ভালোভাবে প্রচার করতে হবে। সবাইকে জানাতে হবে। দেশে হঠাৎ করে স্বাস্থ্যবিধি না মানার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা প্রত্যাশিত নয় ঈদ যাত্রাও এবার করোনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

