লালমাটিয়া গার্লস বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী (পরীক্ষার ফল এখনও প্রকাশিত হয় নি) ও তার ছোট ভাই সাদ মিরপুর কমার্স কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। তিন সপ্তাহ হয় তাকে খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি গত ১২/১৫ বছর যাবত পর্যন্ত ৬ নম্বরে বসবাস করতেন। এই এলাকায় তিনি পরিচিত নাম। এখান থেকে তিনি এসএসসি পরীক্ষায় পাশ করেন। পরবর্তীকালে তিনি লালমাটিয়া গার্লস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ পরীক্ষা দেন। পরীক্ষাটি শেষ হয় সাভার কেন্দ্রে। পরীক্ষা শেষে তিনি গুলশান বারিধারা সর্বশেষে গাজিপুরে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন। তিনি হিসাব বিভাগে চাকুরী করতেন। বিষয় সম্পত্তি নিয়ে তার মামাদের সাথে বিরোধ ছিল। ইসলামপুরে তার নানা নানিদের পোনে দুই কাঠা জমি আছে। তার নানা মারা গেছেন। নানী জীবিত আছে। মামারা নানীর থেকে জায়গাটা কেড়ে নিয়ে নানীকে গ্রামের বাড়ী পাবনায় উল্লাপাড়ায় পাঠিয়ে দেয়। মামরা মায়ের সম্পত্তি বর্তমানে ভোগ করছেন এবং ভাড়া আদায় করছেন। বাবার সাথে বিরোধ হওয়ায় মা দ্বিতীয় বিবাহ করে বিদেশে চলে যান। তার বাবা দ্বিতীয় বিবাহ করেন। সৎ মা ও তার বাবা, তার এবং ভাইয়ের উপর নির্যাতন করতেন। পরবর্তীকালে তিনি সাংবাদিকতায় যোগ দেন। তিনি নিয়মিত প্রতিবেদন করতেন এবং এশিয়া বার্তায় তার প্রতিবেদন ছাপানো হতো স্বর্ণা কুমারী হিসেবে। তার এক মামা গাউছিয়া মার্কেটের উত্তর দিকে অবস্থিত হকার্স মার্কেটে একটি দোকানের মালিক। তিনি প্রায় কলিকাতা থেকে কাপড় ক্রয় করে বিক্রয় করতেন। তার বড় মামা গাজীপুরে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। গাজীপুরে কাজ করার কারনে তিনি তার নানীকে দেশের বাড়ী থেকে নিয়ে আসেন। নানীর নিকট কিছু সিকিউরিটি বন্ড আছে যাহা দিয়ে তিনি সংসার পরিচালনা করতেন। নানী বাসায় আসার পর মামারা ভয় পেয়ে যায়, যদি উক্ত সিকিউরিটি ও সম্পত্তির মালিকানা উত্তরাধিকারী যদি প্রদান করে। ঘটনা আগে তার মামারা তার বাসা দখল করে নেয় এবং সম্পত্তির মালিকানা না দাবী দেওয়ার জন্য কাগজপত্রে সই করার চাপ দেয়। সিকিউরিটি মানিগুলো দেয়ার জন্য চাপ দেয়। তিনি কৌশল করে বাসা থেকে বের হয়ে পালিয়ে যান। সেখান থেকে বান্ধবীর সাহায্যে (তিনি তার সাথে একত্রে পরীক্ষা দিয়েছেন) ফরিদপুরে পালিয়ে যান। পরবর্তীকালে তার বান্ধবী আমাকে বলেন, নিরাপত্তার জন্য তিনি স্বর্ণাকে ফরিদপুরে তার খালুর বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছেন। ফরিদপুর যাওয়ার পর স্বর্ণা টেলিফোন করে আমাকে বলেন তিনি ফরিদপুরের একটি গ্রাম অঞ্চলে আছেন। পরিস্থিতি ভাল হলে ঢাকা চলে আসবেন। গত তিন সপ্তাহ যাবত তার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না, তিনি কি জীবিত আছেন না মারা গেছেন। তারও কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি যে বাড়ীটিতে থাকতেন তার নম্বর সেকশন-৬, ব্লক-ডি, রোড নং-১৯, বাড়ী নং-২২। বান্ধবী তখনকার কোন একটি বাড়ীতে থাকতেন। বাড়ীটির দ্বিতীয় তলার পশ্চিম পার্শ্বে সাবলেট থাকতেন। আর একজন সাবলেট তাদের এলাকা পাবনা বাড়ী। তিনি ইতালীতে থাকতেন। তার মেয়ে মনিপুর স্কুলে লেখাপড়া করেন। গত এক বছর যাবত তিনি ইতালী যেতে পারছেন না। তার টেলিফোন নাম্বার ছিল ০১৭০১-৮৯০০৯৭, বান্ধবীর নাম্বার ছিল ০১৯১২-৮০২৭৯, ০১৮১১-৭১৫৬১৯। সরেজমিনে তদন্ত করলে জানা যাবে তিনি জীবিত আছে না মারা গেছেন। তাহা বর্তমানে জানা যাচ্ছে না।
