মাজহারুল ইসলাম রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ প্রতিনিয়ত সকাল হলেই বয়স্ক ভাতার নামের জন্য চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দ্বারে-দ্বারে ঘুরছে সখিনা বেগম (৬৫) রৌমারী উপজেলাধীন সদর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড নওদাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ এর স্ত্রী সখিনা বেগম। তিনি ৪পুত্র-৩ কন্যার জননী। স্বামী আব্দুল লতিফ অনেক বছর আগে মারা যান। নাবালক ছেলে-মেয়েদের নিয়ে অতিকষ্টে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল সখিনা বেগম। ছেলে-মেয়েরা বিয়ে স্বাধী করে মাকে ছেড়ে যার-যার মত আলাদা সংসার করছে। বিপাকে পড়েছে জনম দুখিনী মা। এখন আর কেউ তার খাবারের খোজ রাখেনা। অসহায় সখিনা বেগম, বয়সের ভারে রোগে শোকে আক্রান্ত হয়ে বয়সের ভারে অতিকষ্টে এবাড়ি ওবাড়ি চেয়ে খুজে খেয়ে বেচে আছেন। তার স্বামীর রেখে যাওয়া মাত্র কয়েক শতক ভিটে-মাটির মধ্যে ২শতক বিনা শত্বে কবলা নিয়েছে সৌহার্দ সামের একটি এনজিও। এনিয়ে মা-ছেলের মধ্যে চলছে চরম দন্দ। সখিনা অভিযোগ করে বলেন, রিলিফসহ নানা সুযোগ-সুবিধার আশ্বাস দেয় এবং পরবর্তিতে ওই জায়গায় নির্মিত ঘরটি আমারই থাকবে বলে জানান। বর্তমানে ঘরটি অন্যেরা দখল করে রেখেছে।
তিনি আরো বলেন,২ বছর আগে আমার আইডি কাডের ফটোকপি সমাজ-সেবা অফিসে জমা নিছে কিন্ত নাম দেয়না। আমি বুড়ি মানুষ কামকাজ করবের পাইনা এডা বয়স্ক ভাতার নামের জন্য চেয়ারম্যান, মেম্বার ও সমাজ সেবা অফিসে মেলাবার গেছি আমি টেকা দিবের পাইনা তাই আমার নামও দেয়না। কোথাও কাজ না হওয়ায় তিনি সাংবাদিক এর কাছে এসে অঝরও নয়নে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এব্যাপারে রৌমারী সদর ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, নাম আসলে দেওয়া হবে। এনিয়ে রৌমারী সমাজ-সেবা অধিদপ্তরের রৌমারী ইউনিয়নের দায়িত্বরত মাঠকর্মি মোঃ সাজেদুল ইসলাম বলেন ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সব তালিকা করা হয়। এখানে আমাদের কিছু করার নেই।
রৌমারী সমাজ-সেবা কর্মকর্তা মেঃ ওবাইদুল বলেন, ব্যাপরটি আমার জানা নেই । আপনি আমার সাথে দেখা করেন বিষয়টি নিয়ে কি করা যায় আলোচনা করে দেখি।
