স্টাফ রিপোর্টারঃ
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মরত কার্যভিত্তিক ক্লিনার এর নামে সাবেক (নকশাশাখার) হাসিনা বেগমের কল্যাণপুর শহীদ মিনার রোডের ৬ নং বাসাটি ১৭-৭-২০১২ ইং বাসাটি ২২৬৬ নং স্বরকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যভিত্তিক ক্লিনার আবদুল্লা মন্ডলের নামে বরাদ্দ দিয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশ। এবং বাসার গ্যাস, বিদ্যুৎ বিল ভাড়াসহ সব কিছু মন্ডলের বেতন থেকে সরকারী হিসাব অনুযায়ী কর্তন করে রেখে দেয়। কিন্তু দূর্ভাগ্য এখন পর্যন্ত বাসাটি বুঝে নিতে পারেনী। সাবেক অবসরপ্রাপ্ত নকশা কর্মকর্তা হাসিনা বেগমের দখলকৃত থেকে, অথচ গত ১৫-৭-২০১২ ইং তারিখে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ৩৮ নং স্বারকে হাসিনা বেগম সাবেক (নকশা কর্মকর্তা) কে ৭ দিনের মধ্যে বাসাটি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া থাকলেও ওনি বাসাটি ছাড়েনী। জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে সড়ক ও জনপথের উপসহকারী প্রকৌশলী ২৭-১-২০১৩ ইং তারিখে স্বারক নং ৬৬ নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবৈধ দখলকারী হাসিনা বেগম যেহেতু বাসাটি ছেড়ে দেয়নী সেহেতু ১ জন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ নিয়োগের অনুরোধ করেন, তখন নির্বাহী প্রকৌশলী জেলা প্রশাসক ঢাকা, বরাবর ১৩-২-২০১৩ ইং স্বারক নং ৪০০ অবৈধ দখলদার হাসিনা বেগমকে উচ্ছেদের জন্য ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশ নিয়োগের অনুরোধ জানান। পরবর্তীতে ঢাকার ডেপুটি কমিশনার প্রেরিত নোটিশ পাওয়ার পর বাসা ছাড়েনি, বিধায় তাকে উচ্ছেদের জন্য জেলা প্রশাসক দপ্তরে ১৭-৬-২০১৩ ইং তারিখ স্বারক নং ০৫,৪১,২৬০০,০১২,৩৯০২২,১৩,২২০০ মোতাবেক বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অমিতাভ পরাগ তালুকদারকে নিয়োগ প্রদান করেন। অত:পর সাবেক নকশা কর্মকর্তা হাসিনা বেগম তার ছেলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ে চাকরীরত সালাউদ্দিনের নামে বাসাটি বরাদ্দের জন্য আবেদন করেন ২৭-১১-২০১৩ ইং তার স্বারক নং ৪৫৩৬ সড়ক ও জনপথ বিভাগের বাসা বরাদ্দ বোর্ডের সচিব ২৪-৮-২০১৪ ইং তারিখ স্বারক নং ২৬৬৬ তে সালাউদ্দিনের আবেদন নাকচ করে দেন। তারপরও কেন বাসাটি দখল ছাড়েনি। পরবর্তীতে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।
