শ্রীনগর থানা সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মোতালেব হাওলাদারের ইন্দনে নুর মোহাম্মদের জমিতে পুকুর কেটে দখলের চেষ্টা

0
759

স্টাফ রিপোর্টার ঃ মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার আটপাড়া ইউনিয়নের কল্লিগাঁও গ্রামের মৃত মোফাজ্জল হাওলাদারের একমাত্র পুত্র নুর মোহাম্মদ হাওলাদার পিতার বৈধ ওয়ারিশ সম্পদে মোতালেব গং ক্ষমতার অপব্যবহার করে উক্ত জমিতে পুকুর কেটে দখলের পায়তারা করছে। মোতালেব হাওলাদার ও তার পুত্র আশরাফুল হাওলাদারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদোদে নুর মোহাম্মদকে নাভাবে হয়রানী করছে। সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায় মোতালেব গংরা একদলবদ্ধ, পরবিত্তলোভী, ভুয়া দলিল সৃজনকারী ও জবর দখলকারী লোকজন। তারা দেশের আইন-কানুন মানে না। তফসিল বর্ণিত ভূমির সি.এস রেকর্ডীয় মুল মালিক নজিমুদ্দিন।

Advertisement

 

উক্ত নজিমুদ্দিন তফসিল বর্ণিত ভূমি ভোগ দখল করা অবস্থায় মারা গেলে তফসিল বর্ণিত ভূমির মালিক হন এক পুত্র একিন আলী। উক্ত একিন আলী শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করিতে থাকেন এবং বিগত এস.এ জরিপের সময় একিন আলীর নামে সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ হয়। উক্ত একিন আলী তফসিল বর্ণিত ভূমিতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করা অবস্থায় মারা গেলে তফসিল বর্ণিত ভূমির মালিক হন এক মাত্র পুত্র মোফাজ্জল হাওলাদার। উক্ত মোফাজ্জল হাওলাদার ভোগদখলে থাকা অবস্থায় বিভিন্ন ধরনের ফলজ গাছ রোপন করে ভোগ দখল করিতে থাকেন। মোফাজ্জল মারা গেলে তফসিল বর্ণিত ভূমির মালিক হন এক পুত্র নুর মোহাম্মদ, এক কন্যা সুরিয়া খাতুন ও এক স্ত্রী রুজুবান। উক্ত মোফাজ্জল মারা গেলে পরিবারের অস্বচ্ছলতার কারনে নুর মোহাম্মদ তার বোন ও মাকে নিয়ে জিবীকার জন্য ঢাকায় চলে আসেন। মাঝে মাঝে বাড়ীতে এসে উক্ত জমা জমি দেখাশুনা করতেন। পরবর্তীতে সৌদি আরব পারি জমান নুর মোহাম্মদ। গত ১৬/১২/২০১৩ইং তারিখে দেশে এসে ঘর উত্তলোন করতে গেলে দুলাল নামে এক ব্যক্তি ৪৫৯৫নং একটি ঝাল দলিল নুর মোহাম্মদের হাতে প্রদান করে বলে তুমি তোমার মা এবং তোমার বোন মিলে উক্ত জমি আমাদেরকে দলিল করে দিয়েছ। পরবর্তীতে নুর মোহাম্মদ ২২/১২/২০১৩ইং তারিখে উক্ত জাল দলিলের নকল উত্তোলন করেন। দাতাগণের স্থলে অন্য লোকদের দ্বারা দলিল সৃজন করেন। এ ব্যপারে নুর মোহাম্মদ এই প্রতিবেদককে জানান আমি আমার জমি বিক্রী করিনি। উক্ত জাল দলিলের বিরুদ্ধে আমি একটি মামলা করিয়াছি। যাহার নম্বর ২৭/১৪, তাং-০৫/০৩/২০১৪ইং আমি দলিল বাতিলের রায় পাওয়ার পর এসিল্যান্ড অফিসে গেলে আশরাফুলের নেতৃত্বে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী আমার গতিরোধ করে এবং আমাকে মারতে উদ্ধত হয়। কোন রকমে আমি জীবন নিয়ে পালিয়ে আসি। শুধু আমার জমি না, আমার প্রতিবেশী নয়ন তারার জমি তাকে মেরে বিগত ১০ বছর পূর্বে বাড়ী থেকে বের করে দিয়ে উক্ত জমির উপরে একটি একতালা বাড়ী নির্মান করেছে মোতালেব গংরা। এলাকার সাধারণ জনগনের সাথে আলাপ করে জানা যায় মোতলেব তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে বেশ কয়েকজনের জমি জাল জালিয়াতির মাধ্যমে দখল করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। উক্ত ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসী আর্থিক অস্বচ্ছলতা ও মোতালেব গংদের ভয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারছে না। সোজা কথা মোতালেব তার অবৈধ ক্ষমতার দাপটে পুরো এলাকা জিম্মি করে রেখেছে। মোতালেবের পুত্র আশরাফুল রংপুর থেকে একটি প্রাইভেট কার ছিনতাই করে এলাকায় তার এক আত্মীয়ের বাসায় লুকিয়ে রেখেছে বলে অভিযোগ আছে। উক্ত গাড়ী আশরাফুল বিভিন্ন সময় ভুয়া নাম্বার প্লেট ব্যবহার করে হাইওয়েতে ডাকাতি, ছিনতাই, মাদকবহনসহ নানা অপকর্ম করে চলেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। নুর মোহাম্মদ ঢাকাস্থ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আশক-এ আইনগত সহায়তা চেয়ে আবেদন করলে আশরাফুল তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার ০১৭৩২-৩০৫৭৫৭ নাম্বার থেকে গত ১৩/০৫/২০১৮ইং তারিখে ফোন করে উক্ত মানবাধিকার সাংবাদিককে নানা ভয়ভীতি সহ মামলা হামলার ভয় প্রদান করেন। উক্ত বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়রী করা হয়েছে যার নম্বর ৬৮৩, তাং- ১৩/০৫/২০১৮ইং। এ ব্যপারে মোতালেবের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি বলেন আমি শ্রিনগর থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি। বর্তমানে তিনি নাকি শ্রীনগর থানা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা বলে ফোন কেটে দেন। এ ব্যপারে জুলুমবাজ মোতালিব ওরফে মতির বিচার দাবী করে এলাকাবাসী এবং এই জুলুমবাজদের হাত থেকে এলাকাবাসী মুক্তি চায় ও কঠোর শাস্তিদাবী করেন। অপরাধ বিচিত্রার অনুসন্ধানী টিম মোতালিবের জাল-জালিয়াতি নিয়ে অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে। এলাকাবাসীর কাছে তথ্য থাকলে আমাদেরকে জানান। আপনার নাম ঠিকানা গোপন রাখা হবে। মোতালিব ও তার সাঙ্গ পাঙ্গদের নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন থাকছে প্রতি সংখ্যায়। চোখ রাখুন অপরাধ বিচিত্রার প্রতি সংখ্যায়।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here