নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ নোয়াখালী পাবলিক হাইস্কুলের বিগত দেড়যুগ ধরে অনিয়ম দুর্নিতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আতœসাতের অভিযুক্ত মূল হোতা প্রধান শিক্ষকের খুঁটির জোর কোথায়? রাষ্টিয় কিংবা শিক্ষা বিভাগের কোন নিয়ম নীতিমালা এই বিদ্যালয় মানা হয় না। বিদ্যালয়ে নির্বাচিত পরিচালনা কমিটিকে ও মানাহয় না, প্রধান শিক্ষকের মনগড়া প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে ছলচে এই স্কুল। জানা গেছে অনিয়ম দুর্নিতির মূল হোতা অধ্যক্ষ দাবিদার মোঃজিল্লুর রহমান ২০১৫ সালে জেলা পরিষদ নোয়াখালী থেকে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের জন্য ৩ লাখ ৩৮হাজার ৭২৫টাকা কোন প্রকার দরপত্র আহবান না করে যেনতেন বিল ভাউচার তৈরি করে অর্থ আতœসাত করে ।২০১৬ইং সালের ৭ই মে নিরীক্ষা কমিটি কয়েক মাসের ব্যাংকিং হিসাব নিকিাশে ব্যাপক অর্থের অসংগতির পর ২০১৭ সালের ১৬ই অক্টবর জিল্লুর রহমান থেকে লিখিত ভাবে জবাব ছাওয়া হয়।
কিন্তু তিনি এর কোন জবাব দেননি এ ক্ষেত্রে লাখ লাখ টাকা অনিয়ম রয়েছে। এদিকে জিল্লুর রহমান ব্যাবস্থা পনা কমিটি কোন সিদ¦ান্ত ছাড়াই তার নিজের বেতন ২০১৬ সালের মে মাসে ১৩ হাজার টাকা থেকে বৃদ্বি করে ২২ হাজার ৭৫০টাকা করে, একই বছর জুন মাসে আবার বাড়িয়ে ৩০হাজার ৭১২টাকা বৃদ্বি করে।উৎসব ভাতা শতকরা ৬০ ভাগ ধরে ৬৫ হাজার ৬৫টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে নেন। এতে কমিটির কোন সিদ্বান্ত ছিলনা। তিনি এভাবে একের পর এক অনিয়ম করে প্রশাসনিক কতেক ব্যক্তিকে ব্যবহার করে একক প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রী থেকে গলাকাটা অর্থ আদায়ে অব্যাহত রেখেছে।মনগড়া ষ্টাট্রি সদস্য বানিয়ে ভূয়া কমিটি সৃজন করে এধরনের অনিয়ম ছালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যূর পর ক্ষমতার অপব্যবহার করে যাচ্ছে।এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি নোয়াখালী পাবলিক স্কুল ট্রাষ্টের কোন কাগজ পএ দেখাতে পারেননি, একই সাথে স্কুলের ভূমির বা ব্যাংক হিসাবে কোন রেকট পএ নেই। শিক্ষার নামে চলছে অনিয়ম দুর্নিতি আর অর্থ আদায়। বৈধ সভাপতি ডাক্তার ফজলুল হক খান কে পাশ কাটিয়ে অনিয়মের মাধ্যমে সভায় তার উপস্থিতি ছাড়াই রেজুলেশন সৃজন করে উত্তোরা ব্যাংক বেগমগঞ্জ শাখা থেকে টাকা উত্তোলন করছে বলে জানাযায়।উক্ত ব্যাংক ছাড়াও চৌমুহনীতে আরো একাধিক ব্যাংক কে থাকা কোটি টাকা উত্তোলনের ষড়যš্রÍ চলছে।এবিষয়ে সভাপতি জিল্লুর রহমানের কার্যক্রমের উপর উকিল নোটিস করলেও ২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর অবৈধ সভা দেখিয়ে নতুন কমিটি দেখানো হয়।যাতে বি আর টি এর যুগ্নসচিব শওকত আলী ও তার সহোদর ভাই ঢাকা পুলিশ স্টাফ কলেজের পরিচালক মোঃশাহজান, ও কে এম আকতার আলম খান, তার সোহদর ভাই ফখরুল আলম খান কে সদস্য করে কমিটি দেখানো হয় । শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কমিটিতে সরকারি কোন ব্যক্তি বা সোহদর দুই ভাই কে কমিটিতে অন্তর ভুক্তকরার বিধান নেই।উক্ত কমিটির ব্যাংক কে প্রেরিত রেজুলেশন এ সদস্য সচিব ও সভাপতি কোন স্বাক্ষর বা সিল ব্যবহার করা হয়নি। উক্ত সভায় মোস্তাফিজুর রহমান ও নির্বাহি কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না বলে জানাযায়। মোঃ শওকত আলি কে ব্যাংকিং লেনদেনে কোসাধ্যক্ষও সভাপতি দেখানো হয়, একই ব্যক্তিকে দুই পদে দেখিয়ে টাকা উত্তোলন করে যাচ্ছে। ফ্রেবুয়ারি ২০১৮ সালে আধাপাকা শেট নির্মানে টেন্ডার ছাড়াই রাজস্ব ফাঁকিদিয়ে সরকারি প্রায় কোটি টাকার কাজে লাখ লাখ টাকা আতœসাত করা হয়। ২৮ই মার্চ উপজেলা আইনশৃংখলা সভায় প্রধান শিক্ষক জিল্লুর রহমানের অনিয়ম দুর্নিতির বিরুদ্বে ব্যবস্থা নিতে সদস্য শরিফুল ইসলাম সভায় উপস্থাপন করে।পূনরায় ২৬ এপ্রিল বৃহঃবার বেগমগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আইনশৃংখলা কমিটির সভায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্বে আনিত অভিযোগের কমিটি গঠন পূর্বক তদন্ত করে সর্ব সম্মতি ক্রমে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করার সিদ্দ¦ান্ত গৃহিত হয়।উক্ত সভায় আইনশৃংখলা কমিটির সদস্য এডভোকেট শরিফুল ইসলাম,আকতারুজ্জামান আনসারি সহ অন্যান্য সদস্য কতৃক প্রধান শিক্ষকের এর বিরুদ্বে পর্বতপ্রমান দুর্নিতি ও অনিয়মের অভিযোগে স্থানিয় এম পি মামুনুর রশিদ কিরন ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট আব্দুর রহিম সভায় নির্বাহী কর্মকর্তা কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।স্কুলে ভর্তি বানিজ্যের মাধ্যমে শত শত ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করানো হয়।পর বর্তিতে শিক্ষার নামে লাখ লাখ টাকা আদায় করে নিচ্ছে ভুক্ত ভুগি অভিবাভক থেকে। শ্রেনী কক্ষে ছাএরা বসতে নাপারলেও একাডেমিক কক্ষে প্রধান শিক্ষক আবাসিক বাসাগড়ে তোলে পরিবার নিয়ে বসবাস করছে। ২০০৮ সালের ১৭ এপ্রিল প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃফয়েজ উল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্দ¦ান্ত অনুযায়ী উক্ত স্কুলের কমিটিকে কুমিল্লার শিক্ষা বোর্ড ট্রাষ্টির নিয়ম অনুযায়ী ১৯৭৭ এর ২০(২)ধারায় বিশেষ কমিটি হিসাবে অনুমোদন দিয়ে স্কুল পরিচালনা করার ক্ষমতা প্রদান করে।পরবর্তিতে তারই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যূর পর ২০১২ সালের ১৮ই মার্চ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক নোয়াখালীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পূনরায় শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী ৯ সদস্য বিশিষ্ট বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। সভার কার্যবিবরনী বইয়ের ৮৬ পাতায় বিশেষ কমিটির সভাপতি হিসাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সাবেক ডিপুটি ডাইরেক্টর প্রতিষ্ঠাতা কতৃক নিয়োগ প্রাপ্ত ট্রাষ্টির সদস্য ডাঃ ফোজলুল হক খান, সহসভাপতি তৎকালীন উপসচিব শওকত আলী কে সর্ব সম্মতি ক্রমে নির্বাচন করা হয়।সভার সিদ্দ¦ান্ত অনুযায়ী সভাপতি,কোসাধ্যক্ষও সদস্য সচিব এর যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হয়ে আসছে।স্কুলের শত শত ছাত্র ছাত্রী থেকে আদয় কৃত লাখ লাখ টাকা ২/৩ জন সহকারি শিক্ষকের সহযোগিতায় প্রধান শিক্ষক কতৃক আতœসাত এর বিষয়টি প্রতিয়মান হওয়ায় সভাপতি একাদিক সভায় তা আলোচনায় আনেন। এতে সদস্য সচিব দুর্নিতিবাজ প্রধান শিক্ষক জিল্লুর রহমান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সহযোগিতায় কমিটির সভাপতি সাদামনের মানুষ ডাক্তার ফজলুর হক খানের বিরুদ্দে ষড়যন্ত্র শুরুকরে।নিয়ম নিতি অমান্য করে তথাকথিত একটি ভূয়া কমিটি সৃজন করে। অনিয়ম দুর্নিতি ও জনসাধারণ থেকে আদায় কৃত লাখ লাখ টাকা রক্ষায়,শিক্ষার মান উন্নয়ন,শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বিশেষ কমিটির বৈধ সভাপতি ডাক্তার ফজলুল হক খান বাদীহয়ে বেগমগঞ্জ সিনিয়র সহকারি জজআদলত নোয়খালীতে ৯৪নং দেওয়ানি মামলা রজু করে।বিচারক বিবাদী প্রধান শিক্ষক থেকে ট্রাষ্ট দলিল তলব করেন কিন্তু রহস্য জনক কারনে প্রধান শিক্ষক ট্রাষ্ট দলিল লুকিয়ে রেখে একাদিক তারিখে ও তিনি আদালতে তা জমা দেননি বলে জানাযায়।প্রধান শিক্ষক আদালতে জানান তার কাছে কোন দলিল নেই।অথচ ২০০৩ সালে সভার কার্যবিবরনী বই এর ২০ পাতায় রেজুলেশনে উল্লেখ রয়েছে প্রতিষ্ঠানের জমির দলিল,ট্রাষ্টি বোর্ড দলিল,ভূমির খাজনা রশিদসহ বিভিন্ন কাগজ পত্রাদি যথাযথ ভাবে সংরক্ষন এর জন্যপ্রধান শিক্ষক কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।কিন্তু তিনি আদালতে ট্রাষ্ট দলিল জমা নাদিয়ে কালক্ষেপন করে অনিয়ম দুর্নিতি অর্থ আতœসাত ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার ষড়যন্ত্রে ন্যায় বিচার ব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্থ করছে। এই বিষয় জানতে প্রধান শিক্ষক কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান সরকারি নিতিমালা বলতে কিছুই নাই শিক্ষা প্রতিষ্টান ছালায় প্রধান শিক্ষকরা,আমরা জেভাবে ছালাই সেটি আইন। এই বিষয় ভূক্ত ভুগিরাও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্বে চেয়ারম্যান দুর্নিতি দমন কমিশন,মাননীয় সচিব শিক্ষা মন্ত্রনালয়,চেয়ারম্যান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড এ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত কাটিন সহ অভিযোগ করেন।এরিপোট লেখা পর্যন্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারন এর দাবিতে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

