খোরশেদ আলম লাকসাম থেকেঃ
মামলার আয়ো এসআই নফিল উদ্দিন জানায় ২২/১০/১৬ইং সেনা সদস্যর লাশ নাঙ্গলকোট থেকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মর্গে প্রেরণ করে। পরে সেনা সদ্যস্যের পিতা মফিজুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা কয়েক জনকে আসামী করে এ মামলা দায়ী করেন। ট্রেনে দুস্কৃতকারীদের নির্মম চুরিকাঘাতে সেনা সদস্য নিহতের ঘটনায় কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে থানায় মামলা হয়েছে ২২/১০/২০১৬। নিহতের পিতা মফিজুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা কয়েক জনকে আসামী করে এ মামলা দায়ী করেন। মামলা নং ০৫, তাং-২২/১০/২০১৬ইং, ধারা ৩০২/৩৪ দঃ বিঃ সংক্রান্ত। নিহত ওই সেনা সদস্যর বাড়ি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার মদনেরগাঁও গ্রামে। উল্লেখ্য-অজ্ঞাতনামা

দৃষ্কৃৃতকারীদের ছুরিকাঘাতে বগুড়া সেনানিবাসের ওয়ান সিগ্যনাল ব্যাটেলিয়ান সদস্য আবদুর রহমান (৩০) নিহত হন। ২২/১০/১৬ইং তারিখে সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের নাঙ্গলকোট স্টেশনের অদূরে গোত্রশাল নামক স্থানে ডাবল রেল লাইনের মাঝখান থেকে তার লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মর্গে প্রেরণ করা হয়। অজ্ঞতনামা মামলা দায়ের করার পর স্বপন কান্তি বড়–রার নেতৃত্বে মামলার আয়ো এস.আই নফিল উদ্দিন বিশেষ অভিযানে ২৪/১০/১৬ইং নয়ন জনি (২৩) পিতা মৃত মোঃ রফিক মাতাঃ ফাতেমা বেগম, সাং মৌলভী পাড়া (ইস্কান্দরের বাড়ী) থানাঃ হাটহাজারী, জেলাঃ চট্টগ্রাম কে গত ২৪/১০/১৬ইং তারিখ রাত্রী ঢাকাগামী ওয়ান আপ মেইল ট্রেনের ছাদ হাইতে নামাইয়া জিজ্ঞাসা করিলে এক পর্যায়ে সে সিরাজুল ইসলাম (বাবুল) (৪০), পিতা রুহুল আমিন (বাদসা মিয়া) চম্পক নগর (বাদাবীয়া কলোনী) থানাঃ বিজয় নগর, জেলা ঃ বি-বাড়ীয়া (২) প্রদীপ (২০) পিতাঃ কালী দাস, মাতাঃ মান কুমারী দাস, সাং-মহা খালী, থানাঃ বানিয়াচ, জেলাঃ হবিগঞ্জ (৩) ইলিয়াছ (৪) ভাগিনা কালা ও নাম প্রকাশ করে। সংগীয় কোর্সসহ উক্ত আসামী আখাউড়া রেল স্টেশনে উত্তর পার্শে ও বাগানে আছে বলিয়া জানায়। তখন মামলার আই ও এস আই নফিল উদ্দিন তার সংগী ফোর্স নিয়ে দ্রুত গতিতে আক্কাছের হোটেলের সামনে থেকে বাবুলকে গ্রেপ্তার করে। পরবতীতে ১৩:৩০ মিনিটে আখাউড়া হইতে চট্টগ্রাম কর্ণফুলী ট্রেনে থানায় আসিয়া আসামীদের কোর্টেপ্রেরণ সহ পুলিশ রিমান্ডে আবেদন করিলে, মাননীয় আদালত আসামী বাবুলকে ৩দিনের রিমান্ড মজ্ঞুর করিলে দ্রুত আসামিকে থানায় আনিয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিলে ঘটনার সাথে জড়িত আছে বলিয়া স্বীকার করে। তার সাথে ছিল প্রদীপ/ রাকীব/ইলিয়াছ ও ভাগীনা কালা আছে বলিয়া ৯১০ স্বীকার করে। পরে ৯১০, ১৬৪ ধারা জবান বাদী উক্ত আদালতের কাছে স্বীকার এবং তার নিজ বাড়ীর বসত ঘরে লুন্ঠিত করে মালামাল আছে বলিয়া জানাইলে তখন ৯১০ এসআই নফিল উদ্দিন নিজ বাড়ীর পশ্চিম ভিটা বসত ঘরে উত্তরে টিনে ছালে কুন হইতে কোমরের ব্যাগটি উদ্ধার করি এবং তাহার ভিতর ৬টি মোবাইল ও ১টি চোরা মাল পাওয়া যায়। উক্ত মালামাল উপস্থিত স্বাক্ষীদের স্বীকারের তালিকা মূলে সব বের করেন এবং স্বাক্ষীদের স্বাক্ষর গ্রহণ করেন। এবং বাবুর আরো জানায় লুষ্ঠিত মালামাল আখাউড়া স্টেশনে উত্তরে আনী আক্কাছের কাছে কিছু মোবাইল ও তার হোটেলে থাকা কিছু মালামাল আছে বলিয়া জানায়। তখন ৯১০ এসআই নফিল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ ৩০/১০/১৬ইং রাত ২.১০ ঘটিকায় আলী আক্কাস হোটেল থেকে ক্যাশ টেবিল ড্রাম হইতে ০৫টি মোবাইল উদ্ধার করে। বাবুল মিয়া এবং একই মামলায় আসামী প্রদীপ শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানায় আটক করেন। ২৫/১০/১৬ইং কলনী ডাকাতি কথায় স্বীকার করেন।
