মোঃ আহসানউল্লাহ হাসানঃ
র্যাবের কতিপয় কর্মকর্তাদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও অপকর্মের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ভাবে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও কোন এক অশুভ শক্তির প্ররোচণায় সাংবাদিক ফরমান খান নিবিড়কে গভীর রাতে তার বাসভবন থেকে তুলে নিয়ে নাটকীয় ভাবে অস্ত্র উদ্ধারের সাজানো মামলায় ফাঁসিয়ে আদালতে প্রেরণ করেছে বলে ক্রাইম রিপোর্টার এ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন তার পরিবার। র্যাব-১০ এর একটি আভিধানিক দল ১ ফেব্রুয়ারি-২০২২ রাত আড়াই ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী থানাধীন দক্ষিণ কাজলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটায়।
যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা নং-০৫, তারিখ-১ ফেব্রুয়ারি-২০২২ । মামলায় র্যাব কর্মকর্তা আব্দুল আলিম যে বক্তব্য উপস্থাপন করে সাংবাদিক নিবিড়কে অপরাধী বানিয়েছেন, ঘটনার বাস্তবতার সাথে তার কোন মিল নেই। যা র্যাব কর্তৃক বিশেষ প্রেস ব্রিফিং ও র্যাব কর্মকর্তার দায়েরকৃত মামলার এজাহারেই প্রতীয়মান। এছাড়া ঘটনাটি সংগঠিত হওয়ার সময়ে ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষ দর্শী সাক্ষী ও সিসিটিভির ফুটেজে অসংখ্য তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। যা আদালত কর্তৃক জব্দ করার আবেদন করেছে সাংবাদিক নিবিড়ের আইনজীবী।
ক্রাইম রিপোর্টার এ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অপরাধ বিচিত্রার রিপোর্টার মোঃ ফরমান উল্লাহ খান নিবিড়ের স্ত্রী শাহানা আক্তার উপস্থিত বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, আমাদের এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফরহাদ হোসেন র্যাব-১০এর অসাধু কর্মকর্তা আব্দুল আলীমের যোগসাজশে আমার স্বামী সাংবাদিক মোহাম্মদ ফরমান উল্লাহ খান নিবিড়কে গভীর রাতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জোড়পূর্বক ঘর থেকে তুলে নিয়ে অস্ত্র মামলায় ফাঁসিয়ে আদালতে প্রেরণ করেছে। আমার স্বামী পেশায় একজন সাংবাদিক। সেই সুবাদে তিনি যাত্রাবাড়ী থানাধীন এলাকার চিহ্নিত মাদক ডিলার ফরহাদ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দৈনিক বিশ্ব মানচিত্র, দৈনিক রূপবানী, সাপ্তাহিক অপরাধ বিচিত্রা ও সাপ্তাহিক অন্তরালে সহ বিভিন্ন পত্রিকায় নিউজ প্রকাশ সহ অসহায় মানুষের প্রতি মাদক সিন্ডিকেটের জোর-জুলুম, নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। আর একারনে মাদক ব্যবসায়ী ফরহাদ আমার স্বামীর নিকট মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবি করে তাকে চলাচলের রাস্তায় আটকিয়ে প্রাণনাশের ভয়-ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক তার কাছ থেকে ৮হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি করলে তার লাইফ বরবাদ করে দেয়ার হুমকি দেয়। অতঃপর আমার স্বামী সাংবাদিক নিবিড় মাদক ব্যবসায়ী ফরহাদ সিন্ডিকেটের নির্যাতনের শিকার হয়ে ডিসি মহোদয়, ওয়ারী বিভাগ, ডিএমপি বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করার সময় উপস্থিত যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মাজহারুল ইসলামের আশ্বাসে (ডিসি অফিসে) মাদক ব্যবসায়ী ফরহাদ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি জিডি করেন। জিডি নাম্বার-২৮৬, তারিখ- ৪ডিসেম্বর-২০২১। অপরদিকে ফরহাদ সিন্ডিকেটকের এধরনের নির্যাতনের শিকার হয়ে তাদের এলাকারই আরেক সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম রাজু মাদক ব্যবসায়ী ফরহাদের নামে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি জিডি সহ ডিসি ওয়ারী বিভাগ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। যাত্রাবাড়ী থানায় উক্ত জিডি নং-৭২৯, তাং- ১০ডিসেম্বর-২০২১ইং। এদিকে আমার স্বামী নিবিড়ের দায়েরকৃত জিডির পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের আদেশে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয় এবং ৩০জানুয়ারী-২০২২ তারিখে নিবিড় আদালতের নোটিশ প্রাপ্ত হয়ে আদালতে গিয়ে জবানবন্দি দিয়ে আসেন।
আর এমন সব ঘটনার সাক্ষ্য-প্রমাণ নিয়ে আমার স্বামী সাংবাদিক নিবিড় বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ সহ আইনের কাছে সুবিচার কামনা করায় মাদক ব্যবসায়ী ফরহাদ সিন্ডিকেট অপরাধী প্রমাণিত হওয়ার আশঙ্কায় পড়ে যায়। ফলে ফরহাদ সিন্ডিকেট ক্ষিপ্ত হয়ে র্যাব কর্মকর্তা আব্দুল আলিম এর যোগসাজশে আমার স্বামী নিবিড়কে ১ফেব্রয়ারী-২০২২ তারিখ রাত আনুমানিক ২.৩০ মিনিটে আমাদের ঘর থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জোড়পূর্বক তুলে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারের নাটকীয় সাজানো মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে আদালতে প্রেরণ করেন।
নিবিড়ের স্ত্রী সাহানা আক্তার আরো বলেন, ওই দিন রাত আনুমানিক ২.১৫ মিনিটে আমার স্বামীর পরিচিত আমাদের এলাকারই আর্ট শিল্পী শহিদুল ইসলাম শহীদ নামক এক ব্যক্তি আমাদের বাসার গেটের সামনে এসে নিবিড়ের মোবাইল ফোনে কল করে জানায়, “নিবিড় ভাই, বিপদে পড়ে এসেছি, একটু বাইরে আসেন, কথার দরকার আছে”, সে এমনভাবে কথা বলেছে শোনে মনে হয়েছে কোন বিপদে পড়েছে। এজন্য আমার স্বামী ঘুম ভাঙা অবস্থায় ঘরের দরজা খুলে তৃতীয় তলা থেকে নেমে নিচতলায় কেচি গেইট পর্যন্ত গিয়ে দেখতে পায় শহীদের সাথে আমার স্বামীর জিডির আসামি মাদক সিন্ডিকেটের হোতা ফরহাদ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে এবং একই হাতকড়া দিয়ে একসাথে দুজনার হাতে পরানো রয়েছে। আর তাদের পেছনে আরো ৮/১০জন অপরিচিত লোক দাঁড়িয়ে আছে। আমার স্বামী ভয়ে কেচি গেটের তালা না খুলে দিয়ে দৌড়ে ঘরে চলে আসে এবং ঘরের দরজা বন্ধ করে ভয়ে কাঁপতে থাকেন। আমি তাকে বলি ওসি স্যারকে ফোন দেন। আমার স্বামী থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম, দারোগা আক্তার হোসেন ও সাপ্তাহিক অন্তরালে পত্রিকার সম্পাদক হাসান ভাইকে ফোন করে ঘটনাটি বলেন। ওসি মাজহারুল ইসলাম ফোন রিসিভ করেনি, দারোগা আক্তার হোসেন তাৎক্ষণিক কোন সহযোগীতা না করলেও হাসান ভাই ট্রিপল নাইনে ফোন করার জন্য পরামর্শ দেন। অতঃপর আমার স্বামী ট্রিপল নাইনে ফোন দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা কামনা করেন। কিন্তু র্যাবের লোকেরা ঘরে প্রবেশ করেই মোবাইলটি নিয়ে বন্ধ করে রাখেন বিধায় ৯৯৯এর লোকেরা এসে ফেরত চলে যায়। এদিকে র্যাবের লোকজন গেইটের সামনে দাঁড়িয়ে নিচতলার ভাড়াটিয়া মাহমুদা আপাকে ডেকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলেন এবং তার কাছ থেকে বাড়িওয়ালার ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে বাড়িওয়ালাকে ফোন দিয়ে কেচি গেট খুলতে বলেন। এসময় বাড়িওয়ালা তার চারতলার ভাড়াটিয়া ডিবি অফিসের চাকুরীজীবী অটল ভাইকে সাথে নিয়ে কেচি গেটের সামনে গিয়ে ভিতর থেকে তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা প্রশাসনের লোকজন বলে পরিচয় দেন এবং বাড়িওয়ালাকে বলেন, তার বাড়িতে সন্ত্রাসী লুকিয়ে আছে তাঁরা তাকে ধরার জন্য এসেছেন। অতঃপর অটল ভাই তাদের আইডি কার্ড দেখে তাদেরকে র্যাবের লোকজন হিসেবে শনাক্ত করলে বাড়িওয়ালা কেচি গেট খুলে দিয়ে তাদেরকে ভেতরে আসার সুযোগ করে দেন। অতঃপর বাড়িওয়ালার ডাকে সাড়া দিয়ে আমিও আমাদের ঘরের দরজা খুলে দেই। এসময় বাড়িয়ালাকে সাথে নিয়ে তিন-চারজন দ্রুত আমাদের বেড রুমে প্রবেশ করে নিবিড়কে ঘেরাও করে বেড রুম তল্লাশি শুরু করেন এবং একই হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় ফরহাদ ও শহীদ র্যাবের অন্য লোকদের সাথে ডাইনিং রুমে দাঁড়িয়ে থাকেন। আমাদের বেডরুমে তল্লাশি চালিয়ে কোন কিছু না পেয়ে ডাইনিং রুমে গিয়ে তল্লাশি চালিয়েও কোন কিছু না পেয়ে নিবিড়কে হ্যান্ডকাফ পড়িয়ে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যান।
এসময় র্যাবের একজন মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন এবং আমাকে জিজ্ঞেস করে আপনার ঘর থেকে টাকা-পয়সা সোনাদানা কোনকিছু নিয়েছি, আমি ‘না সূচক’ শব্দটি প্রকাশ করিলে তিনি চলে যান। এতে আমি চরম হতাশ হয়ে পড়ি। পরেরদিন বিকেল আনুমানিক ৩.৩০ ঘটিকায় র্যাব কর্মকর্তা শ্রী পিন্টু ধর আমাকে ফোন করে যাত্রাবাড়ী থানায় আসতে বলেন। আমি পৌনে ৫ ঘটিকায় থানায় গিয়ে জানতে পারি আমার স্বামীকে আমাদের বাসার মেইন গেটের বাইরের পাকা রাস্তা থেকে ভোর সাড়ে পাঁচটায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তার কোমরে গোজানো পিস্তল পাওয়া গেছে, অথচ হ্যান্ডকাফ পরা ফরহাদকে ওই রাতেই ছেড়ে দিয়েছে এবং শহিদকে ১০১পিস ইয়াবা মামলায় চালান দেয়া হয়েছে। র্যাবের লোকজন ও ফরহাদ সিন্ডিকেট আমার বাসায় কখন ঢুকেছে, কখন আমার স্বামীকে ধরে নিয়ে গেছে, তাদের সাথে কারা কারা ছিল এর সবকিছু বাড়িওয়ালার সিসিটিভির ফুটেজ সহ রাস্তার পার্শ্ববর্তী একাধিক পয়েন্টে সিসিটিভির ফুটেজ বিদ্যমান রয়েছে। মামলার এজাহার দায়েরকারী র্যাব কর্মকর্তা আব্দুল আলীম মামলার এজাহারে যে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন এবং র্যাব-১০ এর অধিনায়ক (পরিচালক) মাফুজুর রহমান বিপিএম (বার) কর্তৃক বিশেষ প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকে যে বক্তব্য প্রদান করেছেন, তাতে এই একই ঘটনা দুই রকমভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। যা থেকে সহজেই প্রমানিত হয় ঘটনাটি কোন এক অশুভ শক্তির সাজানো নাটক।
মামলার এজাহারে র্যাব কর্মকর্তা আব্দুল আলিম বলেন, তিনি নিয়মিত টহল ডিউটিতে থাকাবস্থায় ১ফেব্রুয়ারি-২০২২ রাত ৩.৫০ ঘটিকায় মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর থানাধীন নিমতলা নামক এলাকায় অবস্থান করাকালে গোপন সূত্রে সংবাদ পান, ডিএমপি ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন দক্ষিণ কাজলা এলাকার ১৪/এ আবুল হাশেম সরকারের বাহার মঞ্জিল বাসার গেটের সামনে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদক দ্রব্য ক্রয় বিক্রয় করিতেছে। উক্ত সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মোবাইল ফোনে অবহিত করিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ রাত ৩টা ৫৫ ঘটিকায় শ্রীনগর থানাধীন নিমতলা এলাকা হইতে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে একই তারিখ ভোর ৫ টা ৫ মিনিট সময়ে ডিএমপি ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন দক্ষিণ কাজলা সাকিনস্থ ১৪/এ আবুল হাশেম সরকারের বাহার মঞ্জিল বাসার গেটের সামনের পাকা রাস্তার উপর পৌঁছালে উপস্থিতি টের পেয়ে একজন লোক পালানোর চেষ্টাকালে সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় আসামি মোঃ নিরব@নিবির@ ফরমানউল্লাহ খান (৪২) কে আটক করেন। এ সময় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী আবুল হাশেম সরকার, মোঃ আলী রবিন ও মোঃ মেহেদী হাসানের সম্মুখে সাংবাদিক নিবিড়ের দেহ বিবি মোতাবেক তল্লাশি করিলে নিবির তার পরিহিত প্যান্টের সামনের ডান কোমরে গোঁজানো অবস্থায় রাখা একটি বিদেশী পিস্তল নিজের হাতেই বের দেন। পিস্তলটির দৈর্ঘ্য সাড়ে সাত ইঞ্চি। যাহার ভিতর স্প্রিংযুক্ত একটি ম্যাগাজিন ও ১টি গুলি ছিল। অতঃপর তিনি ৫.৩০ ঘটিকায় পর্যাপ্ত বৈদ্যুতিক ও টর্চ লাইটের আলোতে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
অপরদিকে র্যাব-১০ এর অধিনায়ক (পরিচালক) মাহফুজুর রহমান বিপিএম বিশেষ প্রেস ব্রিফিংয়ে সংবাদ মাধ্যমকে জানান, “র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল ০১ ফেব্রুয়ারি-২০২২ তারিখ রাত ০২:৩০ ঘটিকা হতে ০৪:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত একটি অভিযান পরিচালনা করে রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন দক্ষিণ কাজলা এলাকা থেকে বিদেশী পিস্তলসহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মোঃ নিরব @ নিবির@ ফরমান উল্লাহ খান (৪২) বলে জানা যায়। এসময় তার নিকট থেকে ০১টি বিদেশী পিস্তল, ০১টি ম্যাগাজিন ও ০১ রাউন্ড এ্যামুনিশান উদ্ধার করা হয়”।
সুতরাং কিসের স্বার্থে র্যাবের লোকজন আমার স্বামীর উপর এমন অবিচার করেছে তা তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট নেপথ্য নায়কদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা খুবই প্রয়োজন। তানাহলে সমাজের নিরপরাধ মানুষ আমার স্বামীর মত নির্যাতন ভোগ করবে এবং ফরহাদ সিন্ডিকেটরা অট্টহাসি হাসবে।
ন্যায়বিচারের স্বার্থে ঘটনাটি সংঘটিত হওয়ার সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ, র্যাব কর্মকর্তা আব্দুল হালিম ও অন্যান্যদের মোবাইল কল লিস্ট ও ফরহাদ সিন্ডিকেটের মোবাইল কল লিস্ট, প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষী সহ আনুষাঙ্গিক বিষয় গুলো আমলে নিয়ে তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য ঘটনা বেরিয়ে আসবে। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানাই আমার স্বামী সাংবাদিক নিবিড় যদি প্রকৃত অপরাধী হয়ে থাকে তাহলে তাকে যেন সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হয় এবং আমার স্বামী যদি নিরপরাধ হয়ে তাহলে তাকে অতি দূরত্ব আমার সন্তানের কাছে ফিরিয়ে দিন।

