রেজাউল ইসলাম তুরান,রুপসা প্রতিনিধিঃ- খুলনার রুপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউপি চেয়ারম্যানের সম্প্রতি তার করা সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে সাবেক চেয়ারম্যানের এক পাল্টা সংবাদ সম্মেলন গত ২৭ মে বিকেল ৪ টায় রূপসা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান সাধন অধিকারী প্রশাসনের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে ফেরানোর লক্ষ্যে ও নিজের অপকর্ম ঢাকার জন্য সংবাদ সম্মেলনে আমাকে জড়িয়ে নানা মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেছেন।
তিনি নিজের অপকর্ম আড়াল করার জন্য বিগত দিনের মত এখনো আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমান চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শুধু মাদক সংশ্লিষ্টতা নয়,এছাড়া আরো বহু অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে বলে তিনি দাবী করেন। ইতিপূর্বে বিভিন্ন মামলায় প্রশাসনের চাপের মূখে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে দীর্ঘদিন অন্যাত্র আত্মগোপনে ছিলো। কিছু দিন অাগে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কাজ অাঠারোবেকি নদী খনন কাজে চাঁদা দাবি করে শ্রমীকদের মারপিট ও কাজ বন্ধ করে দেয়। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক তাকে শোকজ করেন। উপজেলা উপ সহকারি প্রকৌশলি সেলিমকে মারপিট করে। পরবর্তীতে নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সবার সামনে ক্ষমা চেয়ে রক্ষা পান। সে একটি মামলার ৩২ বছর সাজাপ্রাপ্ত হয়। এলাকায় বাবা সাধন নামে পরিচিত। ট্রাফিক পুলিশ কে মারপিট করার কারনে ১৪ বছর মামলা চলার পর অব্যহতি পাই। সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার জরিপে সে রড় বব্যবসায়ী যে কারনে মাদককের সাথে সম্পক থাকায় তার নাম তালিকায় অাসে নাই। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হয়েও তার স্বভাবের কোন পরিবর্তন ঘটেনি। নিজের এসব অপরাধ আড়াল করতে আমার বিরুদ্ধে ঢাকায় হওয়া ষড়যন্ত্রমূলক একটি মিথ্যা মামলার কাগজ-পত্র বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শন ও প্রচার করে আসছে। ২০০৫ সালে হওয়া ওই মামলা সম্পর্কে আমি কিছুই জানতাম না। যা গত ইউপি নির্বাচনের কয়েকদিন পূর্বে আমি জানতে পারি। এমনকি ওই মামলায় আমি এজাহারভুক্ত আসামীও নই। ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে তাকে অাসামী করা হয়। লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, সে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন স্থানে অপরাধ ঘটিয়ে দাম্ভিকতার সাথে নিজেকে নৌকার চেয়ারম্যান বলে প্রচার করে বেড়ায় । এ সময় সংবাদ সম্মেলনে প্রবীন আ’লীগ নেতা সুরত আলী মোল্লা, আ’লীগ নেতা রেজন শেখ, আলী আকবর শিকদার, মতলেব আলী শিকদার, কামরুজ্জামান টুকু, যুবলীগ নেতা বিনয় বিশ্বাস, বাবুল শিকদার, মোজাহিদুর রহমান, রিয়াদ শিকদার, লিটন শিকদার, কৃষকলীগ নেতা সুজন বসু, আজিজুল মোল্লা, আবুল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মো. হাকিম শেখ, মুছা মোল্লা সবুজসহ শতাধীক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

