لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারীকা লাহু লাহুল মূলকু ওয়ালাহুল হামদু ইয়ুহ্য়ি ওয়া ইয়মীতু ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর” অর্থ: আল্লাহ
ব্যতীত সত্য কোন মাবূদ নেই, তিনি একক তাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব ও ক্ষমতার অধিকারী তিনিই, সকল প্রশংসার মালিক তিনি। তিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু দান করেন। তিনি সকল বস্তুর উপর মহাক্ষমতাবান। তাহলে আল্লাহ তার জন্য প্রত্যেকটির বিনিময়ে: (১) লিখে দিবেন জান্নাত আবশ্যককারী ১০টি নেকী (২) মোচন করবেন ১০টি ধ্বংসকারী গুনাহ (৩) বৃদ্ধি করবেন ১০টি মর্যাদা (৪) ১০ জন ঈমানদার কৃতদাস মুক্ত করার সমপরিমাণ ছোয়াব দেয়া হবে। (এই কথাটুকু তিরমিযী, নাসাঈ ও সহীহ ইবনে হিব্বানের বর্ণনায় আছে) (৫) সেই দিন তাকে সব ধরণের অপছন্দনীয় বস্তু থেকে রক্ষা করা হবে (৬) নিরাপদ রাখা হবে বিতাড়িত শয়তান থেকে। (ফজরের পর পড়লে সারা দিন এবং মাগরিবের পর পড়লে সারা রাত) অন্য বর্ণনা মোতাবেক: আল্লাহ তার জন্য একদল সশস্ত্র ফেরেশতা প্রেরণ করবেন যারা তাকে সকাল পর্যন্ত শয়তানের অনিষ্ট থেকে পাহারা দিবেন। (৭) শির্ক ব্যতীত কোন গুনাহ তাকে স্পর্শ করার সুযোগ পাবে না।
(৮) সে হবে ঐ দিন মানুষের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ আমলকারী। তবে ঐ ব্যক্তির কথা ভিন্ন যে তার চেয়ে উত্তম হবে অর্থাৎ তার চেয়ে বেশীবার পাঠ করবে।” (মুসনাদে আহমদ, তিরমিযী, নাসাঈ সুনানে কুবরা, ইবনে হিব্বান) এ হাদীছটি বেশ কয়েকজন সাহাবী থেকে বর্ণিত হয়েছে। দ্র: সহীহ তারগীব ও তারহীব- আলবানী, হা/ ৪৭৩, ৪৭৪, ৪৭৫, ৪৭৬, ৪৭৭। ফরয নামাযের পর যারা গুনাহ মাফের আশায়, দুনিয়া-আখেরাতের কল্যাণের আশায় দলবদ্ধ মুনাজাত করার জন্য পাগলপারা (অথচ এভাবে মুনাজাত করা সহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত নেই) তাদেরকে এই সহীহ হাদীছটি শিখিয়ে দিন।

