জাকির সিকদার,রাজাপুরঃ ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান সোহাগ ক্লিনিকে লামিয়ার মৃত শিরোনামে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার (১আগষ্ট২০১৮) সাড়ে ১২টায় এক তদন্ত কমিটি তদন্ত শুরু করেন।উক্ত তিন সদস্য একটি তদন্ত টিমের প্রধান ছিলেন কাঠালিয়া উপজেলা হাসপাতালের(আমুয়া) স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তাপস কুমার তালুকদার। উক্ত তদন্তে কোন রির্পোট প্রকাশ করে নাই।তবে জানতে চাইলে লামিয়া কোথায় মারা গেছে তাহা জানিনা,এখানেও মারা যায়নায়,এটা তিনি পুরোপুরি বলতে পারেনা। তদন্ততের পরে স্থানীয় সাংবাদিকগন লামিয়ার ভাই কামরুল ইসলামকে জানতে চাইলে মুঠোফোনে বলেন, রাজাপুরে সোহাগ ক্লিনিকে লামিয়ার মৃত্যু হয়নি,সোহাগ ক্লিনিকে লামিয়া ভর্তির পরে যখন বরিশালে রেফার্ড করা হয় তখন কথা বলে ও পানি পান করে এ্যাম্বুল্যান্সে উঠে। লামিয়া বরিশালে যাবার পথে তার মৃত হয়।সেহাগ ক্লিনিকের প্রতি তার কোন অভিযোগ নাই।
এ ব্যাপারে সোহাগ ক্লিনিকের মালিক আহসান হাবিব সোহাগ জানায়,আমার প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করার পর রোগী নীজ দায়িত্বে লামিয়াকে বরিশালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেয় গত ২৫ জুলাই রাতে। ঐ রোগি যাবার সময় ভাল ছিল,আমার কিøনিক থেকে যাবারসময় পানি পর্যন্ত খেয়ে গেছে।আমি তো তখন ক্লিনিকেও ছিলাম না।আমি তখন ঝালকাঠিতে ছিলাম।তখন ফোনে ঐ রোগীকে ভাল চিকিৎসার পরামর্শ দিই। উল্লেখ্য,লামিয়ার বাড়ি পিরোজপুর জেলার কাউখালি থানার রঘুনাথপুর গ্রামে। লামিয়ার বাবার নাম আবুল কালাম চুন্নু। চিকিৎসার জন্য কামরুল ইসলাম তার বোন লামিয়াকে নিয়ে সোহাগ ক্লিনিকে আসেন। গত ২৫ জুলাই লামিয়া (৮বছর) নামে অ্যাপেনডিক্স রোগি সোহাগ ক্লিনিকে ভর্তি হওয়ার পর বরিশালে রেফার্ড করা হয়। বরিশালে যাবার পথে লামিয়ার মৃত্যু হয়।।এবিষয়টি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের গাড়ি বহরে এক তদন্ত কমিটি প্রবেশ করেন সোহাগ ক্লিনিকে। তদন্ত শেষে তিন সদস্য একটি তদন্ত টিমের প্রধান কাঠালিয়া উপজেলা হাসপাতালের(আমুয়া) স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তাপস কুমার তালুকদার জানায়,লামিয়া কোথায় মারা গেছে তাহা জানিনা,এখানেও মারা যায়নায়,এটা তিনি পুরোপুরি বলতে পারেনা, সোহাগ ক্লিনিকের মালিককে পুর্নাঙ্গ রিপোর্ট দেয়নী।
Advertisement

