মোঃ মামুন খানঃশনিরআখড়া মুক্তধারা এলাকায় বহুতল ভবনে বাংলাদেশ সরকারকে বৃদ্বাঙ্গুলী দেখিয়ে এবং সরকারের রাজস্ব আয়কে ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ দিয়ে চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যার ঠিকানা ২৩২,দনিয়া ৬১/৬৯ কদমতলী, ঢাকা বাড়ির মালিক মোঃ আঃ হাকিম। সুত্রে জানা যায় গত ৬/৪/২২ইং তারিখ এশিয়ান টিভির ক্রাইম রিপোর্টার আল-আমিন ও সাপ্তাহিক অপরাধ বিচিত্রার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মামুন খান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সত্যতা যাচাই করার জন্য আনুমানিক দুপুর ১.০০ ঘটিকার সময় উক্ত বাড়িতে যায়। সেই মুহূর্তে বাড়ির মালিক মোঃ আঃ হাকিম বাসায় ছিলোনা বলে তার ছেলে (নাম না জানা)জানান এবং তার মাও নেই বলে জানান। বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায় তিনি উপরের ফ্লাটে ছিলেন। সাংবাদিকদের ধারনা তার দুর্বলতা ছিল বিধায় সে মুখোমুখি হয়নি।
ছেলে তার মায়ের মোবাইল নাম্বারটি অপরাধ বিচিত্রার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মামুন খানকে দেন। তিনি তার মাকে তার পরিচয় দিয়ে বাসায় আসার কারনসহ ফোন দেওয়া মাত্র শনিরআখড়ায় আছে বলে জানান এবং আসতেছে বলে আশ্বস্থ করেন । সাথে সাথে আবার সাংবাদিক মামুনের নাম্বারে ফোন দিয়ে একটি ছেলে দৈনিক মুক্ত খবরের সাংবাদিক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যা ইচ্ছা তাই বলছেন এবং এমনকি প্রাননাশের হমকি প্রদর্শন করেন। সাংবাদিক মামুন ভদ্রভাবে বললেন আমরা এসেছি তদন্ত করে সঠিক তথ্য নেওয়ার জন্য। মহিলার নাম পরে জানা যায় কুলসুম বেগম। তিনি কদমতলী থানায় গিয়ে সাংবাদিকদের নামে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে অনেককিছু বলেন। কিছুক্ষণ পরে সাংবাদিকরা থানায় গিয়ে অফিসার ইনচার্জকে তথ্য নেওয়ার বিষয়টি খুলে বলেন। অফিসার ইনচার্জ ঐ ভদ্র মহিলাকে ফোন দেন থানায় আসার জন্য। তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে পাশ কাটিয়ে যায়। এব্যাপারে উপরোক্ত বিষয় উল্লেখ পূর্বক উক্ত বাড়ীওয়ালাকে বিবাদী করে কদমতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয় যার নং ৩৩৮ তাং ৬/৪/২২ইং।
আমাদের দেশে বর্তমানে গ্যাসের সংকট সাংবাদিকরা যতটুকু সম্ভব সরকারকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। যারা অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে দেশের এবং দশের ক্ষতি করছে তাদের নাম প্রকাশ করে সংবাদ প্রকাশ করা মাত্র গ্যাস অফিস থেকে ব্যবস্হা নিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় উক্ত বাড়িতে সাংবাদিকেরা গিয়েছিল। অনুসন্ধান অব্যাহত…অনুসন্ধান শেষে বিস্তারিত প্রকাশিত হবে।

