রাজধানীর অভিজাত উত্তরা-খিলক্ষেত এলাকায় জীবানুবাহি দূষিত পানিতে সয়লাব প্রতি গ্লাস দুই টাকা, পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশংকা

0
899

মোঃ জাকিরুল ইসলামঃ রাজধানীর অভিজাত উত্তরা ও খিলক্ষেত এল্কাার যত্রতত্র, বিভিন্ন হোটেল রেস্তরা ও ভাসমান খাবারের দোকানগুলোতে ফিল্টারের পানির পরিবর্তে বিভিন্ন জলাশয়, পরিত্যক্ত পুকুর , ডোবা ও অপরিশোধিত ওয়াশার পানি প্লাসিটের জারে রেখে ক্রেতােেদর মাঝে প্রতি গ্লাস ২ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে পানি রোগমহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশংকা করছেন স্বাস্থ্য সচেতন নাগরিক সমাজ।ব্যাপক তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়Ñউত্তরা ও খিলক্ষেত আবাসিক এলাকার বিভিন্ন সড়কের দু’ধারে, বির্ভিন্ন^ শপিং মার্কেটের সামনে, ড্রেনের উপর, সড়কের তিন মাথার মোড়, ঢাকা, ময়মনসিং মহাসড়কের দুই পাশে ফুটপাতের উপর ভাসমান চা, পান, বিড়ি, সিগারেটের দোকানগুলো প্রকাশ্যে এ জীবানুবাহি অপরিশোধিত পানি টাকার বিনিময়ে ক্রেতাদের মাঝে পরিবেশন করা হচ্ছে। এ বিষয় খিলক্ষেত এলাকার একজন স্বাস্থ্য সচেতন নাগরিক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ রোকন মোল্লার কাছে এ ধরনের অনিয়ম পরিবেশ পরিস্থিতি সম্পর্র্কে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে ক্ষোভের সাথে বলেন যেÑপানির একনাম জীবন। পানি ব্যতিত এক মূহুর্তেও জীবন বাঁচেনা।

Advertisement

অথচ এই অতি গুরুত্বপূর্ণ জীবন সহায়ক উপাদান নিয়ে দিনের পর দিন এক শ্রেনেীর অতি মুনাফালোভী স্বার্থান্বেসী কথিত ব্যবসায়ী মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। এ ধরনের জীবন ধ্বংসাতœক কর্মকান্ড বন্দ করে এর সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন ঐ ব্যবসায়ী।
এছাড়া নাম প্রকাশ না করা শর্তে ঐ এলাকায় বসবাসকারী অনেক ভূক্তভোগী এ ধরনের বেআইনী কর্মকান্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। সরজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ প্রতিবেদক জানতে পারেন খিলক্ষেত নিকুঞ্জ এর বটতলার পাশের হোটেলে ও খিলক্ষেত রেলস্টেশনের পাশে, ফুটপাতের উপর, আবাসিক এলাকায় যাতায়াতের সড়কগুলোর উভয় পাশে এবং অভিজাত উত্তরা আবাসিক এলাকার মধ্য দিয়ে চলাচলকারী সড়কের দু’ধারে, উত্তরা বানিজ্যিক এলাকার রাজলক্ষী কমপ্লেক্সের সামনে ও পিছনে অসংখ্য স্থায়ী ও ভাসমান হোটেল রোস্তরা, চা, পান, বিড়ি, সিগারেটের দোকানে প্লাস্টিকের জারে রেখে প্রতি গ্লাস দুই টাকায় বিকি করা হচ্ছে। এ গ্রীষ্ম মৌসুমে জীবানুবাহি দূষিত পানি পান করার কারনে বিভিন্ন প্রকার পানি বাহিত রোগঃ কলেরা, আমাশয়, টাইফয়েড, জন্ডিসসহ নানা প্রকার রোগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশংকা করছেন ঐ এলাকায় সচেতন শিক্ষিত নাগরিক সমাজ। অবিলম্বে এ ধ্বংসাতœক কর্মকান্ড বন্দ করতে প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ঐ এলাকার বাসিন্দারা।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here