রপ্তানির ধারা অব্যাহত থাকলে এবছর রপ্তানি ৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাঁড়িয়ে যাবে -বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ

0
645

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, দেশের রপ্তানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিগত চার মাসে রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৭.২৪ ভাগ এবং সেবা খাতের রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫৬.৪৬ ভাগ। ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে দেশের কোট রপ্তানির পরিমান ছিল ৪১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দেশের চলমান রপ্তানি অব্যাহত থাকলে এ বছর মোট রপ্তানির পরিমান ৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাঁড়িয়ে যাবে।

Advertisement

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান বাণিজ্য বান্ধব সরকারের আন্তরিক সহযোগিতায় দেশের রপ্তানি বাণিজ্য দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে দেশের পণ্য রপ্তানির পরিমান ছিল ১৪.১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিগত ১০ বছরে সে রপ্তানির পরিমান বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬.৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। ২০২১ সালে দেশের রপ্তানি ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে সরকার রপ্তানি পণ্য ও বাজার সম্প্রসারণের কাজ করে যাচ্ছে। সে কারনেই দেশের রপ্তানি বাড়ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী আজ(১৮ ডিসেম্বর) ঢাকার কাওরানবাজারে টিসিবি অডিটরিয়ামে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো আয়োজিত ২০১৬ সালে পণ্য রপ্তানির জন্য ১৩৭ জন রপ্তানি কারক এবং ৪১জন ব্যবসায়ী সংগঠককে সিআইপি(রপ্তানি) ও সিআইপি(ট্রেড) কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ সব কথা বলেন। তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এখন ৭.৮৬ ভাগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোনের কাজ শেষ হলে দেশে অতিরিক্ত ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় বাড়বে। বাংলাদেশের উন্নয়ন এখন বিশ^বাসীর কাছে বিশ^য়কর। দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছেলে-মেয়েদের ঝড়ে পরার হার ৪৫ ভাগ থেকে ১৮ ভাগে নেমে এসেছে। স্বাক্ষরতার হার ৯৪ ভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে। বেকারত্বের হার ৪.২ ভাগে নেমে এসেছে। দারিদ্রের হার ৩১.৫ভাগ থেকে ২১.৮ ভাগে নেমে এসেছে। নারীর কর্মসংস্থান ১৬.২ মিলিয়ন থেকে ২২ মিলিয়নে উত্তীর্ণ হয়েছে। বিদ্যু] উৎপাদন ৪৯৪২ মেগাওয়াট থেকে ২০১৩৩ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে, ২০২১ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে ২৪০০০ মেগাওয়াট। পদ্মা সেতু,মেট্রোরেলসহ দেশের বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প এখন মানুষের কাছে দৃশ্যমান। বাণিজ্যমন্ত্রী রপ্তানি কারকদের উদ্দেশ্যে বলেন, রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য বর্তমান সরকার সবধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। আপনারা এগুলো গ্রহণ করে দেশের রপ্তানি আরো বৃদ্ধি করুণ। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। ২০২৪ সালে পুরোপুরি উন্নয়নশীল দেশে পরিনত হবে। তখন এলডিসিভুক্ত দেশের বাণিজ্য সুবিধা আর বাংলাদেশ পাবে না। প্রতিযোগিতা করে বিশ^ বাণিজ্যে টিকেত থাকতে হবে। সেজন্য এখন থেকেই প্রস্তুত হতে হবে। অনুষ্ঠানে অন্যাণ্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাণিজ্য সচিব মো. মফিজুল ইসলাম, এফবিসিআিই এর প্রেসিডেন্ট শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্রাচার্য্য এবং সিআইপিগণের মধ্য থেকে মো. আজিজুল ইসলাম এবং মনোয়ারা হাকিম আলী।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here