ইংশাআল্লাহ্ সহজেই সেই দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি পাবেন।
১. রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর দরুদ পাঠ করা: একজন সাহাবি নবীজিকে বলেছিলেন, তাঁর উপর প্রচুর দরুদ পাঠ করবেন। তখন নবীজি তাঁকে বলেন, “যদি তুমি তাই করো, তবে তোমার সকল চিন্তা ও উৎকণ্ঠা দূর করা হবে এবং তোমার পাপসমূহ ক্ষমা করা হবে। [তিরমিযি: ২৪৫৭]
.
২. ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করা: রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তেগফার করবে, আল্লাহ তার সব সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন; সব দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে তার রিযিকের ব্যবস্থা করে দেবেন।” [আবূ দাউদ: ১৫২০, ইবনে মাজাহ: ৩৮১৯]
.
৩. নফল সালাত আদায় করা (২ রাকাত): মহান আল্লাহ্ বলেন, “হে ইমানদারগণ, তোমরা সবর (ধৈর্য) ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। আর নিশ্চয়ই একাজ বিনয়ী ও আল্লাহভীরু ছাড়া অন্যদের জন্য খুবই কঠিন।” [সুরা বাকারা: ৪৫]
৪. সাদাকাহ (দান) করা: আল্লাহ্ বিভিন্ন কারণে আমাদেরকে দুঃখ-কষ্টে নিপতিত করেন। কখনো পরীক্ষা করার জন্য, কখনো শাস্তিস্বরূপ। এমতাবস্থায় আল্লাহ্কে খুশি করার বিকল্প নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “অবশ্যই সাদাকা আল্লাহ তা‘আলার ক্রোধকে ঠান্ডা করে, আর খারাপ মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করে। [তিরমিযি: ১৯০৯].
৫. দু’আ করা: রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যমিনের বুকে যেকোন মুসলিম আল্লাহর কাছে কোন দু’আ করলে – যে দু’আর মধ্যে কোন পাপ অথবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার কোন দু’আ না থাকে – আল্লাহ্ তার দু’আ কবুল করবেনই। তাকে তার প্রার্থিত বস্তু দিবেন অথবা তদানুসারে তার কোন বিপদ কাটিয়ে দিবেন।” [তিরমিযি: ৫/৫৬৬, হাকিম: ১/৬৭০; হাদিসটি সহিহ].
অতএব, আমাদের জীবনে যে কোনো দুঃখ, কষ্ট, বিপদআপদ আসুক, আমরা মোটেও ঘাবড়াবো না। এই আমলগুলো করব আর আল্লাহর নিকট দু’আ করবো ইংশাআল্লাহ্। মহান আল্লাহ্ আমাদের সকল নেক আমলগুলোকে কবুল করুন,, আমিন।

