প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর থানাধীন এলাকায় একই স্থানে মসজিদের পাশের্^ পতিতালয় স্থাপনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মসজিদের মুসল্লীদের মাঝে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, চট্টগ্রাম জেলার বন্দর থানাধীন ২নং মাইলের মাথা ওয়াশিল চৌধুরী পাড়া এলাকায় নবনির্মিত নতুন মসজিদের পাশের্^ দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল বন্দর থানার ওসিকে টুইপাশের মাধ্যমে আতাত করে মসজিদের পাশের্^ স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনারের ভাইয়ের বিল্ডিং এর ২য় তলায় আবুল প্রকাশÑ ল্যাংড়া আবুল সুকৌশলে বন্দর থানার সাথে মোটা অংকের লেনদেনে যোগসাজশে বেআইনীবে এ অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় মসজিদের ইমাম সাংবাদিক বলেন দীর্ঘদিন যাবৎ এ সমস্ত অপকর্ম প্রকাশ্যে চলা আসলেও বার বার বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতাকে অবহিত করার পরও স্থানীয় মুসল্লিরা এর কোনো সুবিচার পাইনি । এমনকি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ৩৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরীর বাসভবনের পাশের্^ এ ধরনের অসামাজিক কর্মকান্ড চলে আসলেও তিনিও এ ব্যাপারে নীরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। সর্বশেষ সংবাদে জানা যায় যে, মসজিদের পাশের্^ মাত্র ১০ গজ ব্যবধানে রাস্তার দক্ষিণ পাশের্^ দু’তলা বাড়ীতে শুধু নারী দেহ ব্যবসায়ী কর্মকান্ডও সীমিত নয়। এখানে চলে বিভিন্ন ধরনের নেশা দ্রব্যের আকড়া ও নেশা গ্রহণের মতো অপকর্ম। স্থানীয় মুসল্লিরা জানান পবিত্র মসজিদের পাশের্^ এ রকম বেহায়াপনা দেহ ব্যবসা ও মদের আকড়া মতো অশ্লীল কর্মকান্ড ইসলাম ও ধর্মীয় ভাবগম্বীর্য্য মনোভাবকে ধ্বংস করছে ও শিরিক কুপর কাজ সামাজিক মূল্যবোধ অবক্ষয়ের প্রধান কারণ। এতে মসজিদের মুসল্লীদের মাঝে ক্ষোভ ও তীব্র উত্তেজনা বিরাজ মারাতœক দূর্ঘটনার কারণ হতে পারে বলে সূত্রে জানা যায়। স্থানীয় অভিজ্ঞ মহলের ধারণা যেহেতু ঘটনাটি বন্দর থানার ওসি নিজেই পরিচালনা করেন তাই এখানে মাননীয় সিএমপি পুলিশ কমিশনার এর আশু হস্তক্ষেপের মাধ্যমে অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে মসজিদের পাশের্^ অবৈধ ব্যবসার আকড়া উচ্ছেদ পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী হয়ে পড়েছে বলে জোর দাবী জানান।
