মুমিন দাওয়াত জেহাদ কার জন্য

0
296

সে তার কর্মের প্রারশ্রামিক আশা করে আল্লাহর নিকট। কেউ আমন্ত্রণ জানাক বা সমালোচনা বা বাধা দিক সে তার দ্বীনী দায়িত্ব পালন করে যায়। আরেকটা শিক্ষা হল রিযিকের গুপ্তরহস্য শুধু আল্লাহ জানেন। তিনি তার প্রিয় বান্দাদের অসহায় ছেড়ে দেন না। তিনি যেমন রিযিকদাতা তেমনি তার হেফাজতকারী। উপযুক্ত সময়ে মুমিন তার রিযিক পেয়ে যায়। এই ঘটনা শিক্ষনীয় ছিল বনী ইসরায়েলের জন্য। যখন তারা অসহায়ের মত হিজরত করে চলে এসেছিল খোলা প্রান্তরে তখন আল্লাহ তাদের মাটির নিচের গুপ্ত রিযিক পানি ও আসমান হতে মান্না, সালওয়ার মত রিযিক দেন যা তারা বিনা প্ররিশ্রমে পেয়েছিল। আল্লাহ চেয়েছিলেন তারা সহজে দ্বীন শিখে দ্বীন পালন করুক। কিন্তু তারা তা অপছন্দ করলে আল্লাহর সে রহমত হতে বঞ্চিত হয়। ফলে কঠোর কাজ করতে হয় যাতে সময়, পরিশ্রম দুটোই হতো কিন্তু ফসল কখনও মান্না, সালওয়ার মত ছিলো না। দুনিয়ার মোহে সহজ রিযিক ছেড়ে ব্যস্ততা, পরিশ্রমের কষ্টসাধ্য রিযিক পেল তারা। আমাদের অনেককে আল্লাহ রিযিক সহজ করেছেন বা অবসর দিয়েছেন যাতে আমরা তার দ্বীন শিখে তা প্রচার ও প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করি। কিন্তু আমরা যখন সে দায়িত্ব ভুলে দুনিয়ার আনন্দ সম্পদের মোহে ব্যস্ত হয়ে পড়ি তখন কর্মের পিছে ছুটতে ছুটতে জীবনের বহু সময় শেষ হয়ে যায়, কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া হয় না। বর্তমানে আরব বিশ্বের দিকে তাকিয়ে দেখুন- আল্লাহ তাদের কিরূপ রহমত করেছিল স্বর্ন, তেলসহ মূল্যবান সম্পদ দিয়ে যাতে তারা পৃথিবীতে দ্বীন প্রতিষ্ঠা করতে পারে। কিন্তু দুনিয়ার লোভে তারা দামী গাড়ী, বাড়ি, নারী অধিক সম্পদ হাসিল করায় ব্যস্ত। ফলে শেষ জমানার হাদীস অনুযায়ী- অচিরেই তাদের এমন দিন আসবে যার ফলে তাদের অপমান, ক্ষুধার কষ্ট অনুভব করতে হবে যখন অবরোধ ও সংঘাতগুলো শুরু হবে। দাজ্জালের সময় ঠিক যারা দৃঢ়ভাবে ঈমান আনবে তাদের জিকির দ্বারা ক্ষুধা নিবারন হবে। আর দাজ্জাল যাদের তার জাহান্নাম খ্যাত আগুনে ফেলবে মুমিন সেখানে জান্নাতের রিযিক পেয়ে যাবে।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here