অপরাধ বিচিত্রা প্রতিনিধি : ঢাকা রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন মানবতাবিরোধ, রাকাজার, যুদ্ধাপরাধীরা আর যাতে ক্ষমতায় আসতে না পারে। আর যাতে ইতিহাস বিকৃতির সুযোগ না পায়- সে জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেনতায় বিশ্বাসীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানন।শনিবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি।রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেসকোর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার উদযাপন উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বেলা ৩ টার দিকে প্রধানমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দীর সমাবেশস্থলে এসে পৌঁছান।এদিকে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শোভাযাত্রা শেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসেছেন। রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরাও যোগ দিয়েছে।বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, পল্লি বিদ্যুত, সরকারি বিভিন্ন কলেজ, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মিছিল নিয়ে ঢুকছেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।রাজধানীর রাসেল স্কয়ার থেকে দুপুর ১২টার শোভাযাত্রা বের হওয়ার কথা ছিল। সেটা শুরু হয় ১২টা ২০ মিনিটে। তবে এর ঘণ্টা খানেক আগে থেকেই বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আশপাশের সড়কগুলোয় অবস্থান নিতে শুরু করেন।বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ব্যানারসহ শুক্রাবাদ, ধানমন্ডি ২৭, স্কয়ার হাসপাতালের সামনে থেকে রাসেল স্কয়ারের দিকে যেতে থাকেন। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকেই ঢাক-ঢোলসহ এসেছেন। তাঁরা নানা রঙের টি-শার্ট পরেছেন। বহন করছেন ব্যানার।প্রধানমন্ত্রীর এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক শাহাদাত হোসেন জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী র্যালিতে অংশ নিচ্ছেন। তাঁরা ধানমন্ডি ২৭ থেকে র্যালি নিয়ে রাসেল স্কয়ার হয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পর্যন্ত যাবেন।

