হযরত আনাস (রা.) হতে বর্ণিত যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোড়া হতে ডান কাতে পড়ে গেলেন। তখন লোকজন তাঁকে দেখার জন্য আসলেন। এমতাবস্থায় নামাযের সময় উপস্থিত হল। তিনি নামায শেষ করে বললেন, ইমাম তো হন এজন্য যে তাঁর ইকদিতা করা হবে। যখন সে
রুকু করবে তখন তোমরাও রুকু করবে। আর যখন সে উঠবে তখন তোমরাও উঠবে। আর যখন ইমাম সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ বলবে তখন তোমরা রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ বলবে। হযরত রিফা’আ ইবনে রাফি (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিছনে নামায আদায় করেছিলাম। তিনি যখন রুকু হইতে মাথা উঠালেন, তখন বললেন, সামিয়াল্লাহু লিমান ব্রুকু হামিদাহ। তাঁর পিছনে একব্যক্তি বলে উঠল- রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ, হাম- দান কাসীরান তায়্যিবান মুবারাকান ফীহি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায শেষ করেয়া বললেন, এখন কে কথা বলল? সেই ব্যক্তি বলিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি ত্রিশের ঊর্ধ্বে ফেরেশতাকে দেখেছি তা লইয়া তাড়াহুড়া করছে, কে তা সর্বাগ্রে লিখবে।

