সাইফুল ইসলাম সুমন: মা মমতাময়ী, মায়ের বিকল্প শুধু একজন মা-ই হতে পারেন। সন্তানের কষ্টে একজন মা তার নিজের জীবন বিসর্জন দিতে একটুকুও দ্বিধাবোধ করেন না। এমননি একজন মমতাময়ী মা রাজধানী মোহাম্মদপুরের ইসলামের বস্তিতে দুর্ঘটনায় আহত সন্তানের পচন ধরে যাওয়া শরীর নিয়ে দিনের-পর দিন মানুষের দ্বারে-দ্বারে সাহায্যের জন্য ঘুরছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর সাহায্যের জন্য আবেদন করেছেন। এদিকে টাকা এবং চিকিৎসার অভাবে সন্তান প্রতিদিন মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আলেয়া বেগম, বয়স-৭০ বৎসর। সে মোহাম্মদপুরস্থ বাঁশবাড়ী এলাকায় মৃত ব্যক্তিদের গোসলের কাজ করেন। তার স্বামী বয়োবৃদ্ধ বিধায় কোন কাজ-কর্ম করতে পারে না। তার ২টি সন্তান। বড় মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন। তার একমাত্র ছেলে হাসান রায়ের বাজার এনজেল পরিবহনের মালিক খালিদ হাসানের পিক-আপ গাড়ীতে হেলপারের চাকুরী করতো। গত শবে বরাতের রাতে মালিকের নিকট পাওনা টাকা চাইতে গেলে মালিক পাওনা টাকা পরিশোধের আশ্বাস দিয়ে তাকে জোরপূর্বক দিনাজপুরের ট্রিপি পাঠায়। গত ২৩/০৪/২০১৯ইং তারিখে ঢাকায় আসার পথে কাশিমপুর থানাধীন তেতুই বাড়ী স্থানে চালকের অসাবধানতায় একটি বড় কন্টেইনার সাথে ধাক্কা লেগে হাসান গুরুত্বর আহত হয়। চালক অক্ষত অবস্থায় পালিয়ে গেলেও হাসান গাড়ীর ভেতরে আটকা পড়ে।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী এবং স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় হাসানকে আহত অবস্থায় গাড়ী থেকে বের করে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব কে.পি.জে হাসপাতালে ভর্তি করায়। ৭ দিন আই.সি.ও তে নিবিড় চিকিৎসা করে ডাঃ মো: মাহবুবুল আলম প্রত্যয়ন পত্রের মাধ্যমে জানান যে, তার দেহের ৯০% শতাংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, তাকে বাঁচাতে হলে অনেক টাকার প্রয়োজন।
হাসপাতালের বিল মোট ১,৮৪,৮৫২/- টাকা হয়। তম্মধ্যে ৩৫,০০০/- টাকা পরিশোধ করা হয়। ডাঃ তাকে সাভার সি.আর.পি হাসপাতালে জরুরী ভিত্তিতে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেয়। কিন্তু সাভার সি.আর.পি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সিরিয়াল নিয়ে টালবাহানা করায় অদ্যবধি পর্যন্ত হাসানকে হাসপাতালে ভর্তি করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে এনজেল পরিবহনের মালিক খালিদ হাসান ও তার স্ত্রী পারুল বেগমের কাছে হাসানের দুলাভাই চিকিৎসার জন্য টাকা চাইতে গেলে তারা টাকা না দিয়ে নানা রকম হুমকি-ধামকি সহ প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। উল্লেখ্য কাশিমপুর থানার এস.আই বাবুল বলেছিলেন যে, দুর্ঘটনায় কবলিত গাড়ীটি সে ছাড়বে না, প্রয়োজনে গাড়ী বিক্রয় করে হাসানের চিকিৎসা করাবে।
তম্মধ্যে ৩৫,০০০/- টাকা পরিশোধ করা হয়। ডাঃ তাকে সাভার সি.আর.পি হাসপাতালে জরুরী ভিত্তিতে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেয়। কিন্তু সাভার সি.আর.পি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সিরিয়াল নিয়ে টালবাহানা করায় অদ্যবধি পর্যন্ত হাসানকে হাসপাতালে ভর্তি করা সম্ভব হয়নি। এদিকে এনজেল পরিবহনের মালিক খালিদ হাসান ও তার স্ত্রী পারুল বেগমের কাছে হাসানের দুলাভাই চিকিৎসার জন্য টাকা চাইতে গেলে তারা টাকা না দিয়ে নানা রকম হুমকি-ধামকি সহ প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। উল্লেখ্য কাশিমপুর থানার এস.আই বাবুল বলেছিলেন যে, দুর্ঘটনায় কবলিত গাড়ীটি সে ছাড়বে না, প্রয়োজনে গাড়ী বিক্রয় করে হাসানের চিকিৎসা করাবে।
এদিকে এনজেল পরিবহনের মালিক খালিদ হাসান ও তার স্ত্রী পারুল বেগমের কাছে হাসানের দুলাভাই চিকিৎসার জন্য টাকা চাইতে গেলে তারা টাকা না দিয়ে নানা রকম হুমকি-ধামকি সহ প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। উল্লেখ্য কাশিমপুর থানার এস.আই বাবুল বলেছিলেন যে, দুর্ঘটনায় কবলিত গাড়ীটি সে ছাড়বে না, প্রয়োজনে গাড়ী বিক্রয় করে হাসানের চিকিৎসা করাবে।
কিন্তু পরবর্তীতে গাড়ীর মালিক খালিদ হাসানের সাথে যোগসাজস করে গাড়ীটি ছেড়ে দেয়, কিন্তু হাসানের চিকিৎসা তো দূরের কথা, তার সাথে কোন রকম যোগাযোগ করছে না এমকি ফোন পর্যন্ত রিসিভ করে না। প্রকাশ থাকে যে, আলেয়া বেগম ২১শে আগষ্টে গ্রেনেড হামলায় একজন আহত নারী। সেদিনের দুর্ঘটনায় তার পাজরের একটি হাঁড় ভেঙ্গে যায়।
সেদিন আলেয়া বেগমের সাথী সোনালী আপা মারা গেলেও আজও আলেয়া বেগম পাজরের হাঁড় ভাঙ্গার অসহ্য যন্ত্রণায় ভুগছে। তৎকালীন কমিশনার বজলুর রহমান চিকিৎসার আশ্বাস দিলেও পরবর্তী আর কোন খোঁজ-খবর নেননি। বর্তমানে আলেয়া বেগমের ছেলের বুকের পাঁজর ভেঙ্গে গেছে, ফিস্টুলা ছিড়ে গেছে, শরীরের অর্ধেকাংশ অবশ হয়ে পচন ধরে গেছে। জরুরী ভিত্তিতে অপারেশনের প্রয়োজন।
এমতাবস্থায় সমাজের বিত্তবান ও বিবেকবান মানুষের নিকট আকুল আবেদন বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোন হতে সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করে একটি অসহায় গরীব পরিবারের সস্তানকে সু-চিকিৎসার জন্য আর্থিকভাবে সহায়তা প্রদান করলে পরিবারটি সাহায্য দাতাদের নিকট চিরকৃতজ্ঞ থাকবে। আলেয়া বেগমের সাথে যোগাযোগের মোবাইল নম্বর ০১৩০৫-২৮১৬৮১, ০১৯১৬-৮১৭২০৬।

