তাপসঃ
অত্যান্ত চৌকস ব্যবসায়ী “পুষ্পধারা প্রোপারটিজ লিঃ” এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর সৈয়দ আলীনূর ইসলাম। প্রকল্পের নামঃ (পদ্মা ইকো সিটি) সাইনবোর্ড (নির্ভর) ভাড়া নিয়ে তার এই বিশাল ব্যবসা সুদুর মালায়েশিয়া হতে মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বাঙালি প্রবাসী এলাকায় বিস্তৃত। ঢাকায় তার বিলাসবহুল অফিস এর অন্ত নেই। চামেলি বাগ, শান্তিনগর, সেনাকল্যাণ, বনানী এবং আরও উচ্চবৃত্ত এলাকায়। “পুষ্পধারা প্রোপারটিজ লিঃ” এর প্রকল্প “পদ্মা ইকো সিটি” মুন্সীগঞ্জ জেলা শ্রীনগর, উপজেলার ষোলঘর, মৌজায় খতিয়ান নং-১৭৯৭/আর/এস ৭৮৬, দাগ নং -৫২৯৫/৮২ জমির ধরণ নাল। জামির পরিমাণ ১৮ শতাংশ ও ১১৪ শতাংশ যার সরকারী হিসাবে পরিমাণ দারায় ৪ বিঘা। এই পরিমাণ জায়গায় সৈয়দ আলীনূর ইসলাম “পুষ্পধারা প্রোপারটিজ লিঃ” এর নামে ১৬০০ প্লট বুকিং দিয়ে বিভিন্ন ক্ষুদ্র, মাঝারী, মধ্যেবৃত্ত, উচ্চমধ্যেবৃত্ত, ব্যবসায়িদের এবং বিদেশি চাকুরিজীবী ব্যাক্তিদের নিকট হতে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে দিব্বিৎ বহাল তবিয়তে ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার ধারে কাছে যেতে পারছে না। তার পিছনে কি কারণ? যদি প্রশাসন অর্থ্যাৎ প্রোপারটিজ ব্যবসার নিয়মানুযায়ী পরিচালিত হয়ে থাকত-তাহলে এধরণের প্রতারক ব্যবসায়ী বাংলাদেশ থেকে উৎখাত হত। সাধারণ মানুষ এদের কবল থেকে তাদের কষ্টার্জিত সারা জীবনের আয়ের টাকা নির্ঘাত ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারত না। সৈদয় আলী নূর ইসলাম, স্রেপ কয়েকজন তথাকথিত ডিরেক্টরশীপ দিয়ে “জয়েন্ট ষ্টোক এক্সচেঞ্জ” হতে একটি সার্টিফিকেট অব ইনকরর্পোরেশন (ঈবৎঃরভরপধঃব ড়ভ ওহপড়ৎঢ়ড়ৎধঃরড়হ) এর অনুমোদন পত্র যার নাম্বার-সি-১১৫৫৪২/১৪ (সি-১১৫৫৪২/১৪) এছাড়া প্লটিং ব্যবসার জন্য আইনগত যে সমস্ত বৈধ অনুমোদন প্রয়োজন তার একটাও নেই। নেই জেলা প্রশাসকের অনুমতি। পরিবেশেরও ছাড়পত্র নেই। তারপরও সৈয়দ আলীনূর ইসলাম দিবালোকে মানুষের টাকা ডাকাতি করে নিজের বৈভব গড়ছে। “পুষ্পধারা প্রোপারটিজ লিঃ” “জয়েন্ট ষ্টোক এক্সচেঞ্জ” এবং অন্যন্য আইন কানুন স্থলে অর্থাৎ সরকারী প্রতিষ্ঠানে ৩০০ বিঘা জমির মালিক হিসেবে হাউজিং ব্যবসা শুরু করে। যাহা ডাহা মিথ্যা। এমতবস্থায় অপরাধ বিচিত্রার বিশেষ টিম আলী নুরের শান্তিনগরস্থ অফিসে তার একান্ত ইন্টারভিউ ভিডিওসহ রেকডিং করে। যা দেখলে সাধারণ মানুষ দূরের কথা-আইন কানুন ও সচেতন ব্যাক্তিরা দৃশ্যায়িত হলে রীতিমত বাক শক্তি বন্ধ হয়ে যাবে। আলীনূরের এই চিট ব্যবসা যতদিন চলবে-ততদিনই অপরাধ বিচিত্রার সাংবাদিকদের কলম চলবে। আরও অন্তনির্হিত সাংবাদসমূহ পর্যায়ক্রমে প্রকাশিত হবে (চলবে)
