ভয়াল ২৯ এপ্রলি ১৯৯১ স্মরণে ভোলায় ঝুঁকপর্িুন এলাকায় জরুরী বড়েীবাঁধ সংস্কারে মানব-বন্ধন,

0
1199

ভোলা ও মনপুরা দ্বীপরে জমি ও মানুষরে সুরক্ষায় ২০১৭-১৮ র্অথ বছরে র্পযাপ্ত বাজটেরে দাবীতে ভোলার
ক-েজাহান র্মাকটেরে সামনে ২৯ এপ্রলি শনবিার সকাল ১০:৩০ ঘটকিার সময় বাংলাদশে মহলিা পরষিদরে নত্রেী হোসনয়োরা বগেমরে সভাপতত্তিে দুই শতাধকি নারী পুরুষরে উপস্থতিতিে এক মানব বন্ধন অনুষ্ঠতি হয়। মানব বন্ধনে নদী ভাঙ্গনে ক্ষতগ্রিস্থ পরবিাররে সদস্য,  জলে,ে কৃষক, নারী নত্রেী, ছাত্র, কশিোরী, শক্ষিক, সংবাদর্কমী সহ র্সবস্তররে জনগন অংশ নয়ে। মানব বন্ধনে শুভচ্ছো বক্তব্য রাখনে কোস্ট ট্রাস্টরে আঞ্চলকি টমি লডিার রাশদিা বগেম, কোস্ট ট্রাস্টরে সমন্বয়ক মজিানুর রহমান ধারনা পত্র পাঠকালে বলনে,  ১৯৯১ সালরে ২৯ এপ্রলি র্ঘূণঝিড় ’ম্যারি এন’ বাংলাদশেরে দক্ষনি র্পুবাঞ্চলে আঘাত হান।ে লন্ডভন্ড করে দয়ে দশেরে দক্ষণি-র্পূবাঞ্চলীয় এলাকার পুরো উপকূল। লাশরে পরে লাশ ছড়য়ি-েছটিয়িে ছলি চারদিকি।ে বস্তর্িীণ অঞ্চল ধ্বংস্তুপে পরণিত হয়ছেলি। দশেরে মানুষ বাকরুদ্ধ হয়ে সদেনি প্রত্যক্ষ করছেলি প্রকৃতরি করুণ এই আঘাত। পরদনি বশ্বিবাসী অবাক হয়ে গয়িছেলি সইে ধ্বংসলীলা দখেে কঁেপে উঠছেলি বশ্বি ববিকে। ২৯ এপ্রলি রাতে চট্টগ্রাম উপকূলে আঘাত হানা এ ভয়ংকর র্ঘূণঝিড়টতিে বাতাসরে র্সবােচ্চ গতবিগে ছলি ঘন্টায় ২৫০ ক:িম:ি (১৫৫ মাইল/ঘন্টা)। র্ঘূণঝিড়রে প্রভাবে সৃষ্ট ৬ মটিার (২০ফুট) উঁচু জলোচ্ছাস হয়ছেলি। র্ঘূণঝিড়রে তান্ডবে সরকারী হসিাবে উপকূলে ১ লাখ ৩৮ হাজার ২৪২ জন মানুষ নহিত এবং প্রায় এক কোটি মানুষ আশ্রয়হীন হয়। ২০ লাখ গবাদি পাশু মারা যায়। ক্ষতি হয়ছেলি ৫ হাজার কোটি টাকারও বশেি সম্পদ. চলমান র্বষা মৌসুমে ভোলা সদররে ধনয়িা, ইলশিা, কাচয়িা, রাজাপুরে ৮ ক:িম:ি, দৌলতখানরে ভবানীপুর, সয়ৈদপুরে ৪ ক:িম:ি, বোরহানউদ্দনিরে পক্ষীয়া, টবগী, হাসাননগরে ৮ ক:িম,ি চরফ্যাশনরে মুজবি নগর ইউনয়িনে ১ ক:িম:ি, বোয়ালখালী বাজাররে উত্তর এবং দক্ষণিে ৩ ক:িম:ি, নজরুল নগর ইউনয়িনে ১.৫ ক:িম:ি, মনপুরা সদর ইউনয়িন  এবং হাজরি হাটরে আংশকি  জাফর চৌধুরীর মৎস্য সংলগ্ন রড়েবিাঁধ ঝুঁকঁির্পূণ, মনপুরা ঈশ্বরগঞ্জ ২ ক:িম:ি, সাকুঁচয়িা ১.১৬ক:িম:ি, দক্ষনি সাকুচয়িা ১ক:িম:ি, লালমোহনরে ধলীগর নগর এবং র্লডর্হাডঞ্জিসহ ১১ ক:িম:ি বড়েীবাঁধ সর্ম্পূণ অরক্ষতি। পানি উন্নয়ন র্বোডরে তথ্যমতে এসকল বড়েী বাধরে উপরভিাগ ১৪ ফুট থাকার কথা, অথচ কোথাও কোথাও তা রয়ছেে মাত্র ২-৩ ফুট।ে দৌলতখানরে চকঘিাটায় ১.৫ ক:িম:ি বড়েীবাধ ভয়ংকর বপিদজনক যে কোন সময় জলোচ্ছাসে বড়েীবাধ ভঙ্গেে দৌলতখান পৌরসভা, হাসপাতাল ও থানা সহ নদীর্গভে বলিীন হয়ে যতেে পার।ে পানি উন্নয়ন র্বোডরে তথ্যমতে প্রতি ক:ি ম:ি বড়েীবাধ সংস্কারে ৪০ লাখ টাকার প্রয়োজন। র্বষা মৌসুমরে আগে বড়েীবাধ মরোমত না হলে ঝুঁকপর্িুন এলাকায় ব্যাপক ভাঙ্গনসহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পার,ে প্রবল ¯্রাতে নদীর গভরিতা এবং বশিাল জলরাশি প্রবাহরে কারণে নদীভাংগন রোধ করা কঠনি হলওে অসম্ভব নয়। বশিষেজ্ঞদরে মতে যে কোন প্রযুক্ততিে নদীর তীর রক্ষা করাই স্থায়ী সমাধান। মনপুরাসহ ভোলা জলেোর ক্ষত্রেে স্পার বা গ্রোয়নে কংিবা নদীর চর ড্রজেংি করে নদীর গতি পথ সোজা করে দয়ো টকেশই সমাধান নয়। এখানে নদীর তলদশে থকেে তীররে উচ্চতা র্পযন্ত সসিি ব্লক বা ডাইক স্থাপন করে নদীর তীর রক্ষা করা ও একই সাথে ব্লকসমতে রংিবাধ দতিে হবে যাতে জোয়ারে পানি ঢুকতে না পার।ে এ হসিাবে দখো যায় এই পদ্ধততিে মনপুরাসহ ভোলাকে নদীভাংগন থকেে রক্ষা করতে হলে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। র্পযায়ক্রমে এই বাজটে বরাদ্দ দতিে হব,ে মানব বন্ধনে বক্তৃতা রাখনে, ভোলা জলোর নাগরকি কমটিরি সভাপতি প্রবীন আইনজীবি মো: শাহজাহান, বাংলাদশে মহলিা পরষিদরে ভোলা জলোর সভানত্রেী হোসনয়োরা বগেম, মৎস্য সংগঠনরে নতো মো: নুরুল ইসলাম, সভাপতি উপজলো জনসংগঠন মোকাম্মলে হক মলিন, গ্রামীন জন উন্নয়ন সংস্থার ব্যবস্থাপক লগ্যিাল ও প্রশক্ষিন হালমিা পারভনি , আঙ্গনিা’র নর্বিাহী পরচিালক ও মহলিা নত্রেী বলিকসি জাহান মুনমুন, র্ঘুণঝিড়ে ক্ষতগ্রিস্থ জলেে বশরি মাঝ,ি ইকোফশি র্কমর্কতা সোহলে মাহমুদ, সভাপতি বলনে, স্থায়ী সমাধানরে জন্য রাজনতৈকি নতেৃবৃন্দরে স্ব-উদ্যোগী মনোভাব বশেী প্রয়োজন। প্রকৃতকি সম্পদে ভরা, কৃষফিসলরে আধার, দশেরে মৎস সম্পদওে অন্যতম সরবরাহকারী ও ২০ লক্ষ জনগনরে অবাস ভুমি উপকূলীয় জলো ভোলা এবং এর বচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজলো মনপুরাকে সুরক্ষায় স্থায়ী বরেীবাধঁ নর্মিানরে বকিল্প নাই। আমাদরে পক্ষ থকেে নদীভাংগন ও প্লাবন থকেে ভোলা ও মনপুরা রক্ষার আজকরে এই ২৯ এপ্রলি স্মরণ উপলক্ষে আয়োজতি মানব বন্ধন থকেে উপরোক্ত দাবী সমূহ বাস্তবায়নরে সংশ্লষ্টি সরকারী বভিাগ এবং রাজনতৈকি নতেৃবৃন্দরে র্কাযকরী উদ্যোগ কামনা করছ।ি যাতে ভাংগন ও প্লাবন থকেে ভোলা জলোর জমি ও মানুষ স্থায়ীভাবে সুরক্ষা পায়।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here