আল-আমিন এম তাওহীদ ভোলাঃ-
দুই গ্রামের মানুষের পথ চলার জন্য একমাত্র রাস্তা। তা গতকাল ওই রাস্তার মধ্যে কাঁটা দিয়ে পুঁেত ও গাছ ফেলে রাস্তাটির সকল চলাচল বন্ধ করে দেয়। সাবেক পশ্চিম ইলিশা ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ মোসলেহ উদ্দিন।
সরে জমিনে ঘুরে ঘুরে দেখা যায়, ১ কিলোমিটার নিয়ে রাস্তাটির মাঝ বরাবর কাটাঁ ও সুপারি গাছ পুতে রাখেন এতে করে দুই গ্রামের মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
আরো দেখা যায়, ওই রাস্তাটি ইউপি সদস্য মোসলেহ উদ্দিনের বসত বাড়ির পাশ দিয়ে থাকার কারনে প্রভাব খাটাতে তিনি মটেও দ্বিধাবোধ করছেন না। যার ফলে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রভাব খাটিয়ে রাস্তাটিতে কাটাঁ ও গাছ ফেলে বন্ধ করে দেয়। এতে চরম বিপদে পড়তে হয়েছে স্কুলে পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের। সকল মানুষের আশা যাওয়া এবং পথচলা বন্ধ হয়ে যায়। এমনি পাশে বিকল্প কোনো রাস্তা বা সড়কও নেই। তাৎক্ষনিক বিষয়টি ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ প্রশাসন জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে এস.আই সানাউল্লাহ ওই রাস্তার কাটাঁ ও গাছ ফেলা সরিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ সরে যাওয়ার পরই মোসলেহ উদ্দিন, সালাউদ্দিন, বাবুল আবারো পুনরায় পথে কাটাঁ পুতে দেয়।
এলাকাবাসি সূত্রে জানায়, সাবেক ইউপি সদস্য মোসলেহ উদ্দিনের ঘরের পাশ দিয়ে রাস্তাটি হওয়ার কারনে তিনি ক্ষমতা খাটায়। তার ছেলেরা স্কুলে পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বিভিন্ন সময়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে। যাতে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল না করে। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবী জানাই মোসলেহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে রাস্তাটি খুলে দেয়া হোক।
এবিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য মোসলেহউদ্দিনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।
এবিষয়ে বর্তমান ইউপি সদস্য’র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি মোসলেহ উদ্দিনকে বার বার বলেছি পথের কাটাঁ,গাছ সরিয়ে দিতে। একথা বলায় তারা উল্টো আমাকে হুমকি দামকি দেয়। মূল কারন হলো মোসলেহউদ্দিন বিএনপি সমর্থিত সাবেক ইউপিস সদস্য। এবছর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি সদস্য পথে নির্বাচন করেন। এ নির্বাচনে জনগণ তাকে ভোট না দিয়ে আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে। তাই এই দুই গ্রামের মানুষ তাকে ভোট না দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করে। এই জেরধরে ওই গ্রামের মানুষের পথচলা রাস্তায় কাঁটা পুতে রাখেন এবং গাছ ফেলে চলাচল বন্ধ করে দেয়।
এবিষয়ে পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিনের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, আমি মেম্বারকে দায়িত্ব দিয়েছি রাস্তাটির কাটাঁ ও গাছ উঠিয়ে দিতে এবং মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করে দিতে বলছি। কিন্তুু মোসলেহ উদ্দিনের পরিবারের লোকজন ভালো না। ওরা বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালীন হতেই এলাকার মধ্যে নৈরাজ্য চালিয়ে গেছে। আর এখনো সেই প্রভাব খাটিয়ে মানুষের ক্ষয়-ক্ষতি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমি প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দুই গ্রামের মানুষ চলাচল করতে পারবে।
