ভোলায় পূর্ব বাপ্তা নির্বাচনী কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দলের মেম্বার প্রার্থী ফারুক বাহিনীর হামলায় বিএনপির প্রার্থীর ৫ সদস্য আহত

0
1160

* ফারুক বাহিনীর হামলায় বিএনপি পন্থি মেম্বার প্রার্থী হাসান মাসুদুর রহমানের পরিবারের ৫ সদস্য গুরুত্বর জখম হয়ে আহত * দুই নেতার উস্কানিতেই হামলা, কেন্দ্র দখল ও জাল ভোট দেয়া হয়. * নির্বাচন শুরুর এক ঘন্টা পর কেন্দ্র দখল করে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা দাড়িয়ে থেকে প্রিজাইটিং অফিসার ও পোলিং অফিসারের মাধ্যমে সিল মারার ঘটনায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন মহলের ক্ষোভ * প্রিজাইটিং অফিসারসহ পোলিং অফিসারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী সচেতন মহলের * সরকারী দলের প্রার্থীর হামলা, কেন্দ্র দখল ও সিল মারার প্রতিবাদ ও সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জন করেন বিএনপি পন্থি মেম্বার প্রার্থী হাসান মাসুদুর রহমান নীরব। কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন লিখেছেন ঈগল টিম…………
আওয়ামীগের ২০তম কাউন্সিল সম্মেলনে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আগামীতে সুন্দর ও সুষ্ঠ একটি নির্বাচন জনগনকে উপহার দেওয়া হবে। সে লক্ষ্যে সব জনপ্রতিনিধি ও নেতা কর্মীদের কাজ করতে হবে। যারা দলের পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করে তারা দলের আগাছা এবং কুলাঙ্গার। এদেরকে দলের কোথায়ও স্থান দেওয়া হবে না। প্রধান মন্ত্রী তার কথার বাহিরে একটু কাজ করেন নি তিনি পত্র পত্রিকা ও মিডিয়ার সামনে যে কথাই বলেন তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন। এ সরকারের আমলে দুর্নীতি ও বিভিন্ন অপকর্মে দ্বায়ে অনেক নেতা কর্মীকে জেলেও যেতে হয়েছে। তিনি অন্যায়কারী কাউকে ক্ষমা করেননি। আওয়ামীলীগের নব্য সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও বলেছেন, আওয়ামী লীগে কোন আগাছা এবং কুলাঙ্গারের স্থান নাই। যারা এলাকার জনগনের সন্তুষ্টি অর্জন করবে তাদেরকে দলে স্থান দেয়া হবে। বারবার প্রধান মন্ত্রী ও দলের সাধারন সম্পাদক এ কথাগুলো বললেও ভোলা জেলার আওয়ামী লীগের দলীয় অনেক নেতা কর্মী এগুলো মানছেন না। তাদের মধ্যে অন্যতম জহিরুল ইসলাম নকীব চেয়ারম্যান, বিল্পব মোল্লা। তারা হামলা মামলা ও হুমকি দামকি দিয়ে ক্ষমতা দখলে যাওয়া পূর্ব থেকে অভ্যস্থ। তাদের কাজ কর্ম ও বিভিন্ন অপকর্মে দলের অনেক সাবেক নেতা কর্মী ও সাধারন মানুষ তটাস্থ। তবে এই নেতার ভয়ে কেউ মূখ খুলতে পারে না। গত ৩১/১০/২০১৬ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জহিরুল ইসলাম নকীব চেয়ারম্যান ও বিপ্লব মোল্লার উস্কানিতে প্রথমে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মাসুদুর রহমান নীরবের ৫ সদস্যকে কুপিয়ে রক্তাত্ত জখম করে হাসপাতালে পাঠিয়ে কেন্দ্র দখল করে স্ট্যান্ড দাড়িয়ে থেকে প্রিজাইটিং অফিসার ও পোলিং অফিসার দিয়ে সিল মারান দলীয় প্রার্থীর পক্ষে। তাদের উস্কানিতে ফারুক বাহিনীর সন্ত্রাসী, ক্যাডার নাজিম উদ্দিন নাজিম বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মাসুদুর রহমান নীরবের স্ত্রী পারভীন বেগম, তার ভাই মিজানুর রহমান মিঠু, জহুরুল ইসলাম (মমিন)সহ ৫ জনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুত্বর আহত করে। এ ব্যাপারে আরো বিস্তারিত……..

Advertisement

mg-14
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০১৬ কেন্দ্র দখল, জাল ভোট, অবৈধভাবে কেন্দ্রে প্রবেশ করে সরকারী দলের নেতা কর্মীরা হামলা ও অস্ত্র সহকারে মহড়া দিয়ে ভোট জালিয়াতির মধ্যে অধিকাংশ এলাকার নিবার্চন সমাপ্ত হলেও ভোলা জেলার পূর্ব বাপ্তার কয়েকটি কেন্দ্রে জালিয়াতি ও ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনায় নির্বাচন স্থগিত রাখেন নির্বাচন কমিশন। তবে ওই সময়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রায় কেন্দ্রেই বিএনপি সর্মথক মেম্বার প্রার্থী ভোটে এগিয়ে ছিলেন। জানা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী এলাকার ৩০ নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্র ১৭, ২ নং ওয়ার্ডের সরকারী দলের সর্মথন মেম্বার প্রার্থী ফারুক টিউবওয়েল মার্কায় হেরে যাওয়ার আশংকা সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে সাধারন মানুষের উপর হামলা করে কেন্দ্র থেকে ব্যালট বক্স ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই সময় নির্বাচন কমিশন ওই কেন্দ্রসহ আরো তিনটি কেন্দ্রের নির্বাচন স্থগিত করে দেন। সে সময় বিএনপি সর্মথিত প্রার্থী হাসান মাসুদুর রহমানের জনপ্রিয়তা ভোটার সংখ্যা ছিল অনেক। তার জনপ্রিয়তা থাকার কারনেই সাধারন মানুষ তাকে ওইদিন ভোট দেন। যখন কেন্দ্র পরিদর্শন ও বিভিন্ন জনের কাছে বিএনপি সর্মথিত মেম্বার প্রার্থীর পক্ষে ভোট পরার কথা সরকার দলীয় মেম্বার প্রার্থী সন্ত্রাসী বাহিনীর লিডার ফারুক জানতে পারে তখনই তার বাহিনীর লোকজন দিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটায়। তারপরও ওই সময় বিএনপি সর্মথিত প্রার্থী হাসান মাসুদুর রহমান প্রায় ৪০০ ভোট পান। অন্যদিকে সরকার দলীয় সমর্থিত মেম্বার প্রার্থী ফারুক ১৭০ ভোট পান বলে ভোলা জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়। তবে স্থগিত ৪টি কেন্দ্রে নির্বাচন গত ৩১/১০/২০১৬ ইং তারিখ ঠিক নির্বাচনী সময় মতই অনুষ্ঠিত হয় কিন্তু এর আগে প্রায় সকাল ৭:০০ ঘটিকার দিকে সরকার দলীয় সর্মথিত মেম্বার প্রার্থীর তান্ডব ও বিএনপি সর্মথিত মেম্বার প্রার্থী হাসান মাসুদুর রহমানের পরিবারের ৫ সদস্যের উপর হামলা করে গুরুত্ব জখম অবস্থা তাদেরকে মাটিতে পেলে রেখে নির্বাচনী এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। অভিযোগ উঠেছে সরকারী দলের মেম্বার প্রার্থী ফারুক বাহিনীর হামলার সময়ে উপস্থিত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিরব ভূমিকায় ছিলেন। আরেকদিকে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সকালে সরকারী দলের ক্যাডার বাহিনীর হামলার ঘটনায় তেমন কোন মতামত না দিলে তারা জানান, আমাদের কাজ নির্বাচন শুরু থেকে এর আগে কি ঘটবে তা আমাদের দেখার কথা নয়। তবে আরেক দিকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অন্য সদস্যরা এ ধরনের অনাঙ্কাকিত ঘটনার ব্যাপারে ক্ষোভও প্রকাশ করেন।

mg-12
নির্বাচন শুরু হয় সকাল ৮:৩০ মিনিটে। এর ঠিক এক ঘন্টা পর ৯:৩০ মিনিটের দিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামিলীগ দলের নেতা নকীব চেয়ারম্যান, বিপ্লব মোল্লাসহ তাদের ক্যাডার বাহিনী জোর পূর্বক কেন্দ্র দখল করে অন্য প্রার্থী মাসুদুর রহমান নীরবের এজেন্ডদেরকে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে পিজাইটিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের মাধ্যমে ব্যালট পেপারে সিল মারেন। এ নিয়ে আইন শৃঙ্ঘলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ এলাকার বিভিন্ন মহলের লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
অসহায় প্রিজাইটিং অফিসার হারুনুর রশীদ অবৈধভাবে টাকা লেনদেন করে নির্বাচনের আগের রাতেই সিল মারার পরিকল্পনা করেন বলে আমাদের ঈগল টিমের কাছে অভিযোগ আসে। অভিযোগ আসার সাথে সাথেই ঈগল টিমের পক্ষ থেকে প্রিজাইটিং অফিসার হারুনুর রশীদের সাথে কথা বলা হয়। ওই সময় তিনি বলেন, ২ নং ওয়ার্ডে নির্বাচন হবে সুষ্ঠ, সুন্দর ও নিরপেক্ষ। লেনদেন করে ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ নিয়ে রাতে সিল মারা অভিযোগ অস্বীকার করেন হারুনুর রশীদ। তবে রাতে সিল না মারলেও তিনি সাংবাদিকের ১ ঘন্টা কেন্দ্রে ভিতরে ঠুকতে না দিয়ে ভোলার প্রভাবশালী আওয়ামী লীগের নেতা জহিরুল ইসলাম নকীব চেয়ারম্যান বিপ্লব মোল্লার সামনে সিল মারেন। শুধু তিনি একাই সিল মারেন নি সাথে তার পোলিং অফিসারদের নিয়ে জাল ভোট দেন সরকার দলীয় প্রার্থী ফারুকের টিউবওয়েল মার্কায়। তাদের এমন পক্ষপাত্বিতের বিষয়ে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং প্রিজাইটিং অফিসারসহ পোলিং অফিসারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান।
এদিকে ক্ষমতাসীন দলের নেতা কর্মীরা প্রকাশ্যে ভোট কেন্দ্র দখল করে সিল দেওয়ার ঘটনায় বিএনপির সমর্থিত মেম্বার প্রার্থী হাসান মাসুদুর রহমান নীরব সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জন করেন। এছাড়া তিনি ওইদিন সন্ত্রাসী বাহিনীর তান্ডব ও কেন্দ্র দখল করে সিল মারার ঘটনায় নির্বাচনীয় ভোট গ্রহন স্থগিত করার জন্য ভোলা সদর রিটার্নি অফিসার বরাবর একটি আবেদন দেন।
গত ৩১/১০/২০১৬ ইং তারিখ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় জাল ভোট, কেন্দ্র দখলের দায়ে স্থগিত কেন্দ্রে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পত্র পত্রিকায় দেখা গেছে প্রতিটি কেন্দ্র ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের তান্ডব ও হামলার পর কেন্দ্র দখল করে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সিল পিটিয়ে জয় এনেছেন। তবে ভোলা জেলায় এর বিপরীত কিছুই ঘটে নি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার হল, নির্বাচন শুরুর এক ঘন্টা আগে পতিপক্ষ বিএনপির প্রার্থী মাসুদুর রহমান নীরবের এজেন্ড ভাই-ভাবী ও তার স্ত্রীসহ ৫ জনের উপর হামলা করে। এতে ওই পাঁচজন গুরুত্বর আহত হয় এবং ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করে।
ইতিহাসের পাতায় রইলো, একজন মেম্বার প্রার্থীকে জয় লাভ করে আনতে জনগনের ভোট ছাড়া ভোলা জেলার দুই নেতা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে এক ঘন্টা ব্যাপি সাংবাদিক ও ভোটারদের ঠুকতে না দিয়ে প্রিজাইটিং অফিসার ও পোলিং অফিসার দিয়ে ব্যালটে সিল মারেন। এর আগে ওই কেন্দ্রে বিএনপি সমর্থক প্রার্থী হাসান মাসুদুর রহমান নীরব মেম্বার ভোট পান প্রায় ৪০০ আর আওয়ামী লীগ প্রার্থী পান প্রায় ১৭০ ভোট। ওই দিন এত ভোটের ব্যবধানে খবর পেয়ে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী ফারুক বাহিনী তান্ডব চালিয়ে ব্যালট বক্স ছিনতাই করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ওই সময় ভোট স্থগিত করে দেয়া হয়। ঠিক ৩১/১০/১৬ ইং তারিখ জয় লাভ করতে পারবে না বূঝতে পেরে আওয়ামী লীগের সমর্থক প্রার্থী ফারুক প্রতিপক্ষ বিএনপির সমর্থক প্রার্থীর উপর হামলা পর কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট ও সিল মারে। আট ঘটিকায় ভোট শুরুর এক ঘন্টা আগে কেন্দ্রে এলাকায় অন্য প্রার্থীর উপর হামলা করে ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডার বাহিনী। ঠিক নির্বাচন শুরু হওয়ার পর লাইনে ৫০০ উর্দ্ধে মহিলা দাড়িয়ে থাকলেও আধা ঘন্টা পর ওই লাইনে আর কোন নারী ভোটার পাওয়া যায় নি। জানা গেছে, ভিতরে নেতা কর্মীরা ও প্রিজাইটিং অফিসারসহ পোলিং অফিসার সিল মেরে লাইনে দাড়ানো নারী ভোটারদেরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
হাসান মিজানুর রহমান মিঠু ঃ
উত্তর চর ভেদুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তিনি। সদা হাস্যজ্জল সদালাপি, ক্যারিয়ার গঠনে সতর্ক, কোন অপরাধের কালিমা যেন তাকে স্পর্ষ করতে না পারে এমন ভাবেই চলেন হাসান মিজানুর রহমান মিঠু। শিক্ষকতায় তিনি ভেদুরিয়া ইউনিয়ন বাসীসহ ভোলা জেলার অনেকেরই কাছে পরিচিত একজন আদর্শবান ব্যক্তি হিসাবে। তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও দাঙ্গা-হাঙ্গা ও সন্ত্রাসী মূলক কোন ধরনের কার্যকলাপের সাথে আপোষ করেন না। বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও তার রয়েছে সব রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিদের সাথে রয়েছে সুসম্পর্ক। তাই উত্তর ভেদুরিয়া সকল সাধারন মানুষও তাকে একজন সৎ আদর্শবান ব্যক্তি ও শিক্ষক হিসাবে চিনেন। আরেকদিকে তিনি কখনো ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ছাত্র-ছাত্রী ভাবতেন না। ওই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে মনে করেন নিজের সন্তান। সন্তানের মতই তিনি তাদেরকে শিক্ষা, দিক্ষা ও লালন পালন করেন। ছাত্র-ছাত্রীরাও তাকে একজন আদর্শ বাবা ও অভিবাবক ভাবেন। হাসান মিজানুর রহমান মিঠু স্যারকে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নয় অভিবাবক হিসাবে কাছে পেয়ে ছাত্র-ছাত্রীরাও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তার উপর ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডার বাহিনীর হামলার ঘটনায় ভোলা জেলা আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতার নিন্দ্রা জানান। এমনকি হামলাকারীদের দৃষ্ট্রান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।
উল্লেখ্য, ওই কেন্দ্রে গত ২২ মার্চ নির্বাচনের সময় ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনায় এ কেন্দ্রটির ভোট গ্রহন স্থগিত করা হয়। ভোলা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন জানান, ভোলা সদরের ৪টি কেন্দ্রে, বাপ্তায় ২টি, ধনিয়ায় ২টি ও দৌলতখান উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের ৩টি কেন্দ্রে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here